
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পৃথক তিন গ্রাম থেকে একই দিনে এক নবজাতক, এক শিশু ও এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে নান্দাইল উপজেলার একটি বিলে পাওয়া গেছে নবজাতকের লাশ। অন্যদিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় চার বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেপটিক ট্যাংক থেকে। আর আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে কিশোরীর লাশ।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় ফায়ার সার্ভিসের সহায়তার প্রয়োজন পড়েছে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নান্দাইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটি কান্দা পাড়া মহল্লার পাশে কাইছমা বিলের পানিতে এক নবজাতকের লাশ ভাসতে দেখে লোকজন থানায় খবর পাঠায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
বিলপাড়ের বাসিন্দারা জানান, বিকেলের দিকে এক ব্যক্তি গরুকে গোসল করানোর জন্য বিলে নামেন। তখন তিনি দেখতে পান নবজাতক শিশুর লাশ পানিতে ভাসছে। পরে ওই ব্যক্তির মুখ থেকে লাশ ভাসতে থাকার খবরটি পুরো মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ে।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য ঘটনাস্থলে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর গ্রামে চার বছর বয়সী কানিজ ফাতেমা নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জালাল উদ্দিন শিশুর পরিবারের বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের জানান, শিশুটিকে সকাল থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে কাউসার আলী নামে একজনের নির্মাণাধীন বাড়ির অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা পানিতে ওই শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে লোকজন। থানায় খবর দেওয়া হলে ওই গ্রামে পুলিশ যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সহায়তায় শিশুর লাশ সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।
শিশুর বাবা মো. কামাল হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক ট্যাংকটি খোলা রেখে মৃত্যুকূপ তৈরি করে রেখেছিলেন। এটি তার চরম অবহেলা। এ অবহেলার কারণে আমার মেয়েকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করব।
অন্যদিকে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার শিমরাইল মহল্লায় নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রিতু আক্তারের (১৭) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বাবার নাম আবদুল হাই।
থানা সূত্রে জানা যায় ওই কিশোরীর লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
জানা গেছে, সকাল থেকেই ওই কিশোরী মায়ের সঙ্গে জেদ করে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়ে নিজেকে আড়াল করে রেখেছিল। পরে পাশের একটি ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাকে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. ওবায়দুর রহমান জানান, লাশ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পৃথক তিন গ্রাম থেকে একই দিনে এক নবজাতক, এক শিশু ও এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে নান্দাইল উপজেলার একটি বিলে পাওয়া গেছে নবজাতকের লাশ। অন্যদিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় চার বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেপটিক ট্যাংক থেকে। আর আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে কিশোরীর লাশ।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় ফায়ার সার্ভিসের সহায়তার প্রয়োজন পড়েছে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নান্দাইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটি কান্দা পাড়া মহল্লার পাশে কাইছমা বিলের পানিতে এক নবজাতকের লাশ ভাসতে দেখে লোকজন থানায় খবর পাঠায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
বিলপাড়ের বাসিন্দারা জানান, বিকেলের দিকে এক ব্যক্তি গরুকে গোসল করানোর জন্য বিলে নামেন। তখন তিনি দেখতে পান নবজাতক শিশুর লাশ পানিতে ভাসছে। পরে ওই ব্যক্তির মুখ থেকে লাশ ভাসতে থাকার খবরটি পুরো মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ে।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য ঘটনাস্থলে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর গ্রামে চার বছর বয়সী কানিজ ফাতেমা নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জালাল উদ্দিন শিশুর পরিবারের বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের জানান, শিশুটিকে সকাল থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে কাউসার আলী নামে একজনের নির্মাণাধীন বাড়ির অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা পানিতে ওই শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে লোকজন। থানায় খবর দেওয়া হলে ওই গ্রামে পুলিশ যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সহায়তায় শিশুর লাশ সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।
শিশুর বাবা মো. কামাল হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক ট্যাংকটি খোলা রেখে মৃত্যুকূপ তৈরি করে রেখেছিলেন। এটি তার চরম অবহেলা। এ অবহেলার কারণে আমার মেয়েকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করব।
অন্যদিকে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার শিমরাইল মহল্লায় নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রিতু আক্তারের (১৭) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বাবার নাম আবদুল হাই।
থানা সূত্রে জানা যায় ওই কিশোরীর লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
জানা গেছে, সকাল থেকেই ওই কিশোরী মায়ের সঙ্গে জেদ করে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়ে নিজেকে আড়াল করে রেখেছিল। পরে পাশের একটি ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাকে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. ওবায়দুর রহমান জানান, লাশ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে