
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক বাবা তার শিশু সন্তানকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ জুলাই) রাতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিহত ছেলের নাম মোবারক হোসেন (১০)। অভিযুক্ত বাবা মো. নূরুল আমিন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বৃ-কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত মোবারকের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই) বাবা নুরুল আমীনকে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখে ছেলে মোবারক বাড়ি থেকে দৌড়ে ছাতা নিয়ে বাবার হাতে তুলে দেয়। কিন্তু বাবা তার হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে ছেলের মাথায় কোপ দেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মোবারককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে নিয়ে যান। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকরা। সেখানে নেওয়ার সময় পথেই শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এর আগে শিশুটিকে উদ্ধারের সময় পরিবারের সদস্যরাই বাবা নুরুল আমীনকে আটককে রাখে।
নুরুল আমীনের বাবা ইউসুফ আলী বলেন, আমার ছেলে (নুরুল আমীন) দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে। যদি সে ভালো থাকত, তাহলে কি নিজের শিশুপুত্রকে কুড়াল দিয়ে কোপ দিত?
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, নিহত শিশুর চাচা আবদুল হালিম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। বুধবার রাতেই ছেলেকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিহত মোবারক হোসেনের মরদেহ তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। অশ্রুসজল চোখে পাড়ার লোকজন প্রাণোচ্ছ্বল শিশুটিকে শেষ বিদায় জানায়।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক বাবা তার শিশু সন্তানকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ জুলাই) রাতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিহত ছেলের নাম মোবারক হোসেন (১০)। অভিযুক্ত বাবা মো. নূরুল আমিন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বৃ-কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত মোবারকের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই) বাবা নুরুল আমীনকে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখে ছেলে মোবারক বাড়ি থেকে দৌড়ে ছাতা নিয়ে বাবার হাতে তুলে দেয়। কিন্তু বাবা তার হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে ছেলের মাথায় কোপ দেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মোবারককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে নিয়ে যান। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকরা। সেখানে নেওয়ার সময় পথেই শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এর আগে শিশুটিকে উদ্ধারের সময় পরিবারের সদস্যরাই বাবা নুরুল আমীনকে আটককে রাখে।
নুরুল আমীনের বাবা ইউসুফ আলী বলেন, আমার ছেলে (নুরুল আমীন) দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে। যদি সে ভালো থাকত, তাহলে কি নিজের শিশুপুত্রকে কুড়াল দিয়ে কোপ দিত?
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, নিহত শিশুর চাচা আবদুল হালিম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। বুধবার রাতেই ছেলেকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিহত মোবারক হোসেনের মরদেহ তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। অশ্রুসজল চোখে পাড়ার লোকজন প্রাণোচ্ছ্বল শিশুটিকে শেষ বিদায় জানায়।

সিলেটে পুলিশের ধাওয়া করা ছিনতাইকারী-মাদকসেবীকে আটক করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে র্যাবের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা নাম ইমন আচার্য। তিনি র্যাব-৯ এ কর্মরত ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার দুপুর ২টার পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চ
২১ ঘণ্টা আগে
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
১ দিন আগে