
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শামছুল হক ফকিরের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মাদরাসার নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
মাদরাসাটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টম্বর) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের চিঠি পাঠান। আগামীকাল শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ওই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা মাদরাসার অফিসকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন।
অভিযোগের বিবরণ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শেরপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসাটি উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অধ্যক্ষ মো. শামছুল হক ফকির নজিরবিহীন নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজ হয়নি। অভিযোগ তদন্তের পর দুদক জানিয়েছিল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি নিয়ে তাদের কিছু করার নেই।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, ল্যাব অপারেটর ও পরিচ্ছন্ন কর্মী— মাদরাসার এই তিনটি পদে নিয়োগের উছিলায় বড় ধরনের বাণিজ্য শুরু করেন অধ্যক্ষ শামছুল হক ফকির। খবর পেয়ে এলাকাবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের চার সদস্য নিয়োগ বাণিজ্যের বিষয়টি জানিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর সভাপতি তথা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেন।
মাদরাসার পাশের গ্রামের বাসিন্দা আনিছুর রহমান জানান, ২০২৪ সালের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে তার ছেলে মনিরুজ্জামানকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য শামছুল হকের সঙ্গে তার চুক্তি হয়।
আনিছুর বলেন, মাদরাসার প্রিন্সিপ্যাল শামছুল হককে সাত লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ওই পদসহ তিন পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে লিখিত পরীক্ষার আয়োজন করেছেন।
একজন মাদরাসার অধ্যক্ষ এ ধরনের দুর্নীতি করতে পারেন, তা ভাবনার বাইরে ছিল বলে জানান আনিছুর। এ ঘটনায় তিনিও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ শামছুল হক ফকির মোবাইল ফোনে বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের অভিযোগ ঠিক নয়। তারা বাণিজ্য করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি রাজি হইনি। তাই তারা উলটো আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শামছুল হক ফকিরের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মাদরাসার নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
মাদরাসাটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টম্বর) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের চিঠি পাঠান। আগামীকাল শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ওই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা মাদরাসার অফিসকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন।
অভিযোগের বিবরণ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শেরপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসাটি উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অধ্যক্ষ মো. শামছুল হক ফকির নজিরবিহীন নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজ হয়নি। অভিযোগ তদন্তের পর দুদক জানিয়েছিল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি নিয়ে তাদের কিছু করার নেই।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, ল্যাব অপারেটর ও পরিচ্ছন্ন কর্মী— মাদরাসার এই তিনটি পদে নিয়োগের উছিলায় বড় ধরনের বাণিজ্য শুরু করেন অধ্যক্ষ শামছুল হক ফকির। খবর পেয়ে এলাকাবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের চার সদস্য নিয়োগ বাণিজ্যের বিষয়টি জানিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর সভাপতি তথা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেন।
মাদরাসার পাশের গ্রামের বাসিন্দা আনিছুর রহমান জানান, ২০২৪ সালের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে তার ছেলে মনিরুজ্জামানকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য শামছুল হকের সঙ্গে তার চুক্তি হয়।
আনিছুর বলেন, মাদরাসার প্রিন্সিপ্যাল শামছুল হককে সাত লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ওই পদসহ তিন পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে লিখিত পরীক্ষার আয়োজন করেছেন।
একজন মাদরাসার অধ্যক্ষ এ ধরনের দুর্নীতি করতে পারেন, তা ভাবনার বাইরে ছিল বলে জানান আনিছুর। এ ঘটনায় তিনিও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ শামছুল হক ফকির মোবাইল ফোনে বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের অভিযোগ ঠিক নয়। তারা বাণিজ্য করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি রাজি হইনি। তাই তারা উলটো আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

রাজধানীর বনানীতে সড়ক বিভাজকে উঠে যাওয়া একটি বাসের চাপায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১০ ঘণ্টা আগে
এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
১৪ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১৬ ঘণ্টা আগে
আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বাঁশহাটী বাজারের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক তদন্তে উঠে এসেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে