
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরীর নির্বাচনি সমাবেশে তার পক্ষে ভোট চেয়েছেন বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত ছেলে নাসের খান চৌধুরী। গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নান্দাইল সদরের চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
নাসের খান আমেরিকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সমাবেশে বক্তব্য রেখে মায়ের পক্ষে ভোট চান। তিনি এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে গত ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
নাসের খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, তার বাবা প্রয়াত খুররম খান চৌধুরী নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নান্দাইলে এনে তিনি কৃষক সমাবেশ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়া ও বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নান্দাইলে এসে তাদের বাড়িতে আতিথেয়তা গ্রহণ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা নান্দাইলে প্রথম বিদ্যুৎ, টেলিফোন এনেছেন। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। আমার চাচা সাবেক এমপি মরহুম আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর নামেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। এমনকি আমার বাবা খুররম খান চৌধুরী ভালোবেসে বড় ভাই আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর জন্য নিজের আসন ছেড়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী আসনে নির্বাচন করেছেন। চাচাকে সেই নির্বাচনে বিজয়ী করেছেন।’
‘সেই বাবার সন্তান হিসেবে আমি বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে পাশে ছিলাম ও এখনও আছি। বিগত ১৭ বছর হামলা, অসংখ্য মামলা ও নির্যাতনের সময় নেতাকর্মীদের মামলা পরিচালনা করেছি। আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা করিয়েছি। আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের পাশে আছি। দল আমাদের কথা দিয়েছিল যারা নির্যাতিত ও ত্যাগ শিকার করেছেন তাদের মূল্যায়ন করবে। কিন্তু একটি কুচক্রী মহলের ইশারায় প্রিয় দল থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে,’— বলেন নাসের খান চৌধুরী।
তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকা কোনো অপরাধ হতে পারে না। কিন্তু যত ষড়যন্ত্রই করা হোক, আমি আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করব না। তিনি সবাইকে তার মা হাসিনা খান চৌধুরীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এ সময় নির্বাচনি সমাবেশে উপস্থিত বিএনপির হাজারও নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ‘তই তই’ (হাঁস প্রতীক) স্লোগানে সমাবেশস্থল মুখরিত করে তোলেন।
সমাবেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হসিনা খান চৌধুরী বলেন, ‘আমার স্বামী চারবারের এমপি ছিলেন। তিনি কেবল নান্দাইলবাসীর কথা ভাবতেন। নান্দাইলকে নিয়ে ছিল তার রাজনীতি ও নানা স্বপ্ন। রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি পরিবারকে তেমনভাবে সময় দিতে পারেননি। সন্তানদের মানুষ করতে পারেননি। আমি আপনাদের কারো বোন, কারও ভাবী বা কারও চাচি। সেই সম্পর্ক নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমি আমার স্বামীর অসমাপ্ত কাজগুলো করার সুযোগ চাই।’
ছেলে নাসের খান চৌধুরীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার তো আপনাদের সামনে প্রার্থী হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু নানা ষড়যন্ত্রের কারণে তাকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আমার মনোনয়নও বাতিল করতে কলকাঠি নাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু আমি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করি। তখন আমার বিরুদ্ধে আইনজীবী নিয়োগ করে আমাকে আওয়ামী লীগ এমপির বোন বলে উল্লেখ করে সেই আপিল ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়।
হসিনা খান চৌধুরী বলেন, ‘আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী। এই পরিচয় কি আমার জন্য যথেষ্ঠ নয়?’— নির্বাচন কমিশন আমার এই বক্তব্য শুনে আমার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা দেন। তাই আমি জনগণের প্রার্থী হয়েছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমাকে হাঁস মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের বিজয় নিশ্চিত করুন।
উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি হাসিনা খান চৌধুরীর ভাসুর সাবেক এমপি আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর ছেলে। এই আসনে চাচি-ভাতিজার নির্বাচনি লড়াই ইতোমধ্যে জমে উঠেছে।
এ ছাড়া আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হোসেন চান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাইদুর রহমান, গণফোরামের লতিফুল বারী হামিম এবং জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ তারিক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরীর নির্বাচনি সমাবেশে তার পক্ষে ভোট চেয়েছেন বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত ছেলে নাসের খান চৌধুরী। গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নান্দাইল সদরের চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
নাসের খান আমেরিকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সমাবেশে বক্তব্য রেখে মায়ের পক্ষে ভোট চান। তিনি এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে গত ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
নাসের খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, তার বাবা প্রয়াত খুররম খান চৌধুরী নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নান্দাইলে এনে তিনি কৃষক সমাবেশ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়া ও বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নান্দাইলে এসে তাদের বাড়িতে আতিথেয়তা গ্রহণ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা নান্দাইলে প্রথম বিদ্যুৎ, টেলিফোন এনেছেন। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। আমার চাচা সাবেক এমপি মরহুম আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর নামেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। এমনকি আমার বাবা খুররম খান চৌধুরী ভালোবেসে বড় ভাই আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর জন্য নিজের আসন ছেড়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী আসনে নির্বাচন করেছেন। চাচাকে সেই নির্বাচনে বিজয়ী করেছেন।’
‘সেই বাবার সন্তান হিসেবে আমি বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে পাশে ছিলাম ও এখনও আছি। বিগত ১৭ বছর হামলা, অসংখ্য মামলা ও নির্যাতনের সময় নেতাকর্মীদের মামলা পরিচালনা করেছি। আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা করিয়েছি। আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের পাশে আছি। দল আমাদের কথা দিয়েছিল যারা নির্যাতিত ও ত্যাগ শিকার করেছেন তাদের মূল্যায়ন করবে। কিন্তু একটি কুচক্রী মহলের ইশারায় প্রিয় দল থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে,’— বলেন নাসের খান চৌধুরী।
তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকা কোনো অপরাধ হতে পারে না। কিন্তু যত ষড়যন্ত্রই করা হোক, আমি আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করব না। তিনি সবাইকে তার মা হাসিনা খান চৌধুরীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এ সময় নির্বাচনি সমাবেশে উপস্থিত বিএনপির হাজারও নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ‘তই তই’ (হাঁস প্রতীক) স্লোগানে সমাবেশস্থল মুখরিত করে তোলেন।
সমাবেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হসিনা খান চৌধুরী বলেন, ‘আমার স্বামী চারবারের এমপি ছিলেন। তিনি কেবল নান্দাইলবাসীর কথা ভাবতেন। নান্দাইলকে নিয়ে ছিল তার রাজনীতি ও নানা স্বপ্ন। রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি পরিবারকে তেমনভাবে সময় দিতে পারেননি। সন্তানদের মানুষ করতে পারেননি। আমি আপনাদের কারো বোন, কারও ভাবী বা কারও চাচি। সেই সম্পর্ক নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমি আমার স্বামীর অসমাপ্ত কাজগুলো করার সুযোগ চাই।’
ছেলে নাসের খান চৌধুরীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার তো আপনাদের সামনে প্রার্থী হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু নানা ষড়যন্ত্রের কারণে তাকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আমার মনোনয়নও বাতিল করতে কলকাঠি নাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু আমি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করি। তখন আমার বিরুদ্ধে আইনজীবী নিয়োগ করে আমাকে আওয়ামী লীগ এমপির বোন বলে উল্লেখ করে সেই আপিল ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়।
হসিনা খান চৌধুরী বলেন, ‘আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী। এই পরিচয় কি আমার জন্য যথেষ্ঠ নয়?’— নির্বাচন কমিশন আমার এই বক্তব্য শুনে আমার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা দেন। তাই আমি জনগণের প্রার্থী হয়েছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমাকে হাঁস মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের বিজয় নিশ্চিত করুন।
উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি হাসিনা খান চৌধুরীর ভাসুর সাবেক এমপি আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীর ছেলে। এই আসনে চাচি-ভাতিজার নির্বাচনি লড়াই ইতোমধ্যে জমে উঠেছে।
এ ছাড়া আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হোসেন চান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাইদুর রহমান, গণফোরামের লতিফুল বারী হামিম এবং জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ তারিক।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে