
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ নুরুল কবীর শাহীনের একটি অডিও কলের রেকর্ড ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এসব অডিওতে তার বিরুদ্ধে নানা সময়ে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে এমপি প্রার্থী শাহীন বলছেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চলছে। সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেনের সঙ্গে শাহ্ নুরুল কবীর শাহীনের ১৬ মিনিট ১১ সেকেন্ডের একটি ফোনকলের অডিও রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সেটি শেয়ার হয়ে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
শাহ্ নুরুল কবীর শাহীন ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবারও তিনি ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। পরে দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগ দেন। সে দল থেকেই হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনি প্রচারের শেষ সময়ে এসে একজন প্রার্থীর এমন অডিও ক্লিপ উপজেলা জুড়ে ভোটারদের মধ্যে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।ফেসবুকে এমপি প্রার্থী শাহীনের পক্ষে বিপক্ষে চলছে নানা মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া অডিওতে এক প্রান্ত থেকে কথা বলছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোবারক হোসেন। তিনি নুরুল কবীর শাহীনকে দাদা সম্বোধন করে বলেন আপনার তো এখন মাঠ ভালো। কিন্তু আপনার নেতাকর্মীরা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আপনি এমপি হলে আমাকে এলাকায় থাকতে দেবে না। তাহলে এখন আমি কী করব?
এরপর শাহীনের চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ টেনে মোবারক বলেন, আপনি তো হাসপাতাল থেকে অসংখ্যবার মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়েছেন। চাঁদার টাকা লেনদেনের ভিডিও কিন্তু আমার কাছে আছে। ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালের সামিউল ডাক্তার আপনার বাসায় যে দুই লাখ টাকা চাঁদা নিয়ে গিয়েছিল, তার ভিডিও কিন্তু আমার কাছে আছে।
মোবারক আরও বলেন, এ ছাড়াও আপনি যে বিভিন্ন সময় ডাক্তারদের হুমকি-ধমকি দিয়ে চাঁদা নিয়েছেন, সেগুলার রেকর্ডও আমার কাছে আছে। আপনার এমপি হওয়ার রিমোট কন্ট্রোল এখন আমার হাতে। আমি কিন্তু আপনার এসব চাঁদাবাজির ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেবো। এখন দেখেন আপনি কী করবেন!
এ সময় বিপরীত প্রান্ত থেকে এমপি প্রার্থী শাহীন ছাত্রদল নেতা মোবারককে বলেন, শোন, তোর কোনো সমস্যা হবে না। আমি কি তোরে কিছু বলেছি? কে কী বলল তা নিয়ে তুই চিন্তা করিস না। তুই আমার কাছে আগে যেমন ছিলি এখনো তেমনি আছস।
এমপি শাহীনের এমন উত্তরে ছাত্রদল নেতা মোবারক বলেন, আমি আপনাকে আর বিশ্বাস করি না।
জবাবে এমপি প্রার্থী শাহিন বলেন, তুই কাল আমার সাথে দেখা করিস।
পালটা জবাবে মোবারক বলেন, আমি আপনার সাথে বাসায় গিয়ে দেখা করলেই আপনি লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে আমাকে শুট করে দিবেন।
ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোবারক হোসেন বলেন, সাবেক এমপি শাহীন সাহেব ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালের ডাক্তারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়েছেন। যার স্বীকারোক্তিও ভাইরাল হওয়া অডিওতে আছে।
অন্যদিকে জমি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ, জমি দখলের ঘটনা নিয়েও নুরুল কবীর শাহীনের বিরুদ্ধে কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শাহীনের স্বজনদের কেউ কেউ এগুলো অনলাইনে ছড়িয়েছেন।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল কবীর শাহীন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এসব মিথ্যা প্রচারণা। আমি আগামীকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছি। সেখানে নিয়ে বিষয়টি বিস্তারিত বলব।’

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ নুরুল কবীর শাহীনের একটি অডিও কলের রেকর্ড ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এসব অডিওতে তার বিরুদ্ধে নানা সময়ে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে এমপি প্রার্থী শাহীন বলছেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চলছে। সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেনের সঙ্গে শাহ্ নুরুল কবীর শাহীনের ১৬ মিনিট ১১ সেকেন্ডের একটি ফোনকলের অডিও রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সেটি শেয়ার হয়ে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
শাহ্ নুরুল কবীর শাহীন ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবারও তিনি ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। পরে দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগ দেন। সে দল থেকেই হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনি প্রচারের শেষ সময়ে এসে একজন প্রার্থীর এমন অডিও ক্লিপ উপজেলা জুড়ে ভোটারদের মধ্যে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।ফেসবুকে এমপি প্রার্থী শাহীনের পক্ষে বিপক্ষে চলছে নানা মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া অডিওতে এক প্রান্ত থেকে কথা বলছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোবারক হোসেন। তিনি নুরুল কবীর শাহীনকে দাদা সম্বোধন করে বলেন আপনার তো এখন মাঠ ভালো। কিন্তু আপনার নেতাকর্মীরা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আপনি এমপি হলে আমাকে এলাকায় থাকতে দেবে না। তাহলে এখন আমি কী করব?
এরপর শাহীনের চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ টেনে মোবারক বলেন, আপনি তো হাসপাতাল থেকে অসংখ্যবার মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়েছেন। চাঁদার টাকা লেনদেনের ভিডিও কিন্তু আমার কাছে আছে। ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালের সামিউল ডাক্তার আপনার বাসায় যে দুই লাখ টাকা চাঁদা নিয়ে গিয়েছিল, তার ভিডিও কিন্তু আমার কাছে আছে।
মোবারক আরও বলেন, এ ছাড়াও আপনি যে বিভিন্ন সময় ডাক্তারদের হুমকি-ধমকি দিয়ে চাঁদা নিয়েছেন, সেগুলার রেকর্ডও আমার কাছে আছে। আপনার এমপি হওয়ার রিমোট কন্ট্রোল এখন আমার হাতে। আমি কিন্তু আপনার এসব চাঁদাবাজির ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেবো। এখন দেখেন আপনি কী করবেন!
এ সময় বিপরীত প্রান্ত থেকে এমপি প্রার্থী শাহীন ছাত্রদল নেতা মোবারককে বলেন, শোন, তোর কোনো সমস্যা হবে না। আমি কি তোরে কিছু বলেছি? কে কী বলল তা নিয়ে তুই চিন্তা করিস না। তুই আমার কাছে আগে যেমন ছিলি এখনো তেমনি আছস।
এমপি শাহীনের এমন উত্তরে ছাত্রদল নেতা মোবারক বলেন, আমি আপনাকে আর বিশ্বাস করি না।
জবাবে এমপি প্রার্থী শাহিন বলেন, তুই কাল আমার সাথে দেখা করিস।
পালটা জবাবে মোবারক বলেন, আমি আপনার সাথে বাসায় গিয়ে দেখা করলেই আপনি লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে আমাকে শুট করে দিবেন।
ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোবারক হোসেন বলেন, সাবেক এমপি শাহীন সাহেব ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালের ডাক্তারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়েছেন। যার স্বীকারোক্তিও ভাইরাল হওয়া অডিওতে আছে।
অন্যদিকে জমি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ, জমি দখলের ঘটনা নিয়েও নুরুল কবীর শাহীনের বিরুদ্ধে কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শাহীনের স্বজনদের কেউ কেউ এগুলো অনলাইনে ছড়িয়েছেন।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল কবীর শাহীন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এসব মিথ্যা প্রচারণা। আমি আগামীকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছি। সেখানে নিয়ে বিষয়টি বিস্তারিত বলব।’

দেশ ও রাষ্ট্র যেভাবে চালানো হয়েছিল, যারা তা চালিয়েছিল, তারা আজ পালিয়ে গেছে। দেশকে ঠিক করতে হলে সংস্কার দরকার, আর সেই সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিতেই এ গণভোট।
৮ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা যদি আমাদের এই দেশের সেবকের দায়িত্ব দেন, তবে নাহিদ ইসলামের মতো তরুণ মেধাবীদের দেশ সেবার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি আমাদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের যোগ্য।’
৮ ঘণ্টা আগে
মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে বিএনপি, জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের অঙ্কে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা।
৮ ঘণ্টা আগে
এ আসনে ভোটের মাঠে পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে বিএনপির কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও জামায়াতের আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম আল মাদানীর মধ্যে। তাদের ঘিরেই সাধারণ ভোটারদের মাঝে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
১০ ঘণ্টা আগে