
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে বর্তমানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তৎকালীন দুই নেতার খপ্পড়ে পড়েন ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করা এক শিক্ষার্থী। ওই নেতারা ১০ হাজার টাকার হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া এক কাগজ হাতে ধরিয়ে দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে কলেজে পাঠান ভর্তি হওয়ার জন্য।
কলেজে যাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগ উঠে। খবর পেয়ে উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত কলেজে যান। পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। শিক্ষার্থীর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করে পুলিশ।
২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বরের সেই ঘটনায় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়। সেই থেকে ওই শিক্ষার্থী নিজেকে মুক্ত করার জন্য আদালতের বারান্দায় ঘুরছে। প্রতি তারিখে মামলার খরচাপাতির যোগান দিতে গিয়ে তাঁর ভ্যানচালক বাবাকে পেরেশানি হতে হচ্ছে।
ওই শিক্ষার্থীর নাম রমজান আলী (১৯)। তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার চণ্ডীপাশা মহল্লার বাসিন্দা গোলাপ মিয়ার ছেলে। গোলাপ মিয়া সড়কে ভ্যানগাড়ি চালান। তার আয় থেকে পরিবারের ভরণপোষণ চালানোর পাশাপাশি ছেলেকে পড়াশোনা করাচ্ছেন।
সম্প্রতি নান্দাইল শহরের নতুনবাজারে বসে বাবা ও ছেলের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। রমজান আলী জানান, ২০২৩ সালে তিনি এসএসসি পাস করেন। মনে মনে স্থির করেছিলেন বন্ধুবান্ধবদের সাথে নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজে ভর্তি হবেন। এ কলেজকে প্রাধান্য দিয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। নির্দিষ্ট সময় পর ভর্তিসংক্রান্ত ফলাফল প্রকাশ হলে তিনি জানতে পারেন পছন্দের কলেজ আসেনি। তখন তিনি কিশোরগঞ্জের একটি কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। তবে পছন্দের বাইরে অন্য কোনো কলেজে রমজান আলী ভর্তি হননি। দ্বিতীয়বার সুযোগের অপেক্ষায় দিন কাটতে থাকে তাঁর।
ঠিক ওই সময় নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের দুই নেতা ত্রাতা হিসেবে হাজির হন। তাঁরা রমজানকে পছন্দের কলেজে ভর্তি করার আশ্বাস দিয়ে তাঁর বাবার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। ওই দুই নেতা হচ্ছেন, তৎকালীন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুল আলম। তবে তাঁরা বর্তমানে পলাতক থাকায় এ অভিযোগ সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
ওই বছরের নির্দিষ্ট সময়ে নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ট্রেড (বিএমটি) বিষয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। যারা ভর্তির আবেদন করে নিশ্চয়ন করেছিলেন কেবল সেসব শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান। এদিকে রমজান আলী ছাত্রলীগ নেতাদের কাছ থেকে পাওয়া ভর্তি নিশ্চয়নের একটি কাগজ নিয়ে কলেজে যান ভর্তি হওয়ার জন্য। কিন্তু কলেজে সংরক্ষিত তালিকায় রমজান আলীর নাম না থাকায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তখন কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁর (রমজান) নাম দেখতে পায়। এতে কলেজ কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করে ওয়েবসাইট হ্যাক করে রমজানের নাম ভর্তি তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে। রমজান আলী এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ উঠে।
পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে রমজান আলীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য যার কাছে পাসওয়ার্ড (গোপন সংকেত) সংরক্ষিত ছিল এ ঘটনায় তাঁকেও আটক করে পুলিশ। অন্যদিকে অবস্থা বেগতিক দেখে গা-ঢাকা দেন ছাত্রলীগের দুই নেতা।
পরে শিক্ষার্থী রমজান আলীকে অভিযুক্ত করে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ১৮ (২) (খ), ১৯ (২) ও ৩৩ ধারায় বাদী হয়ে মামলা করেন কলেজের এক শিক্ষক। উল্লিখিত ধারায় বলা আছে কম্পিউটার সিস্টেমে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে উপাত্ত ভান্ডারের তথ্য পরিবর্তন, সংযোজন, ক্ষতিসাধন ও সহায়তা করার অপরাধ।
অভিযুক্ত রমজান আলীকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত ওই শিক্ষার্থীর বয়স বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এগারো দিন সংশোধনাগারে থাকার পর জামিন পান রমজান। পরে আবার অনলাইনে আবেদন করে পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পান তিনি। কিন্তু ২০২৩ সালে সাইবার সিকিউরিটি আইনে দায়ের করা মামলা থেকে অদ্যাবধি পরিত্রাণ পাননি। প্রতিমাসে তিনি তাঁর বাবাকে নিয়ে আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রমজান আলী বলেন, এ ঘটনায় আমার কোনো দোষ ছিল না। অন্যের দোষে আমাকে ১১ দিন জেল খাটতে হয়েছে। আমি কেবল পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে চেয়েছিলাম। এই চাওয়া কোনো দোষ হতে পারেন না। যাঁরা আমাকে ফাঁসিয়েছে তাঁদেরকে ওই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আমি ওই মামলা থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই। লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে চাই।
বাবা গোলাপ মিয়া বলেন, ছেলেকে নিয়ে প্রতিমাসে আদালতে প্রতিমাসে হাজিরা দিতে হয়। আইনজীবীসহ অন্যান্য খাতে টাকা খরচ করতে হয়। ওই টাকা যোগান দিতে হয় ভ্যান চালিয়ে।
রমজান আলীর কাছে থাকা মামলার কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ময়মনসিংহের জেলা অপরাধ তদন্ত সংস্থা (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করছে। তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন সিআইডির পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন। মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর তিনি ময়মনসিংহ থেকে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। মামলায় অভিযুক্ত আসামি রমজান আলীর কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে মোবাইল ফোনটিতে ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি। তবে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটটি আদৌ হ্যাক হয়েছিল কিনা তা জানা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় তিনি মামলা রেখে এসেছেন।

পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে বর্তমানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তৎকালীন দুই নেতার খপ্পড়ে পড়েন ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করা এক শিক্ষার্থী। ওই নেতারা ১০ হাজার টাকার হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া এক কাগজ হাতে ধরিয়ে দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে কলেজে পাঠান ভর্তি হওয়ার জন্য।
কলেজে যাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগ উঠে। খবর পেয়ে উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত কলেজে যান। পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। শিক্ষার্থীর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করে পুলিশ।
২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বরের সেই ঘটনায় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়। সেই থেকে ওই শিক্ষার্থী নিজেকে মুক্ত করার জন্য আদালতের বারান্দায় ঘুরছে। প্রতি তারিখে মামলার খরচাপাতির যোগান দিতে গিয়ে তাঁর ভ্যানচালক বাবাকে পেরেশানি হতে হচ্ছে।
ওই শিক্ষার্থীর নাম রমজান আলী (১৯)। তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার চণ্ডীপাশা মহল্লার বাসিন্দা গোলাপ মিয়ার ছেলে। গোলাপ মিয়া সড়কে ভ্যানগাড়ি চালান। তার আয় থেকে পরিবারের ভরণপোষণ চালানোর পাশাপাশি ছেলেকে পড়াশোনা করাচ্ছেন।
সম্প্রতি নান্দাইল শহরের নতুনবাজারে বসে বাবা ও ছেলের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। রমজান আলী জানান, ২০২৩ সালে তিনি এসএসসি পাস করেন। মনে মনে স্থির করেছিলেন বন্ধুবান্ধবদের সাথে নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজে ভর্তি হবেন। এ কলেজকে প্রাধান্য দিয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। নির্দিষ্ট সময় পর ভর্তিসংক্রান্ত ফলাফল প্রকাশ হলে তিনি জানতে পারেন পছন্দের কলেজ আসেনি। তখন তিনি কিশোরগঞ্জের একটি কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। তবে পছন্দের বাইরে অন্য কোনো কলেজে রমজান আলী ভর্তি হননি। দ্বিতীয়বার সুযোগের অপেক্ষায় দিন কাটতে থাকে তাঁর।
ঠিক ওই সময় নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের দুই নেতা ত্রাতা হিসেবে হাজির হন। তাঁরা রমজানকে পছন্দের কলেজে ভর্তি করার আশ্বাস দিয়ে তাঁর বাবার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। ওই দুই নেতা হচ্ছেন, তৎকালীন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুল আলম। তবে তাঁরা বর্তমানে পলাতক থাকায় এ অভিযোগ সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
ওই বছরের নির্দিষ্ট সময়ে নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ট্রেড (বিএমটি) বিষয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। যারা ভর্তির আবেদন করে নিশ্চয়ন করেছিলেন কেবল সেসব শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান। এদিকে রমজান আলী ছাত্রলীগ নেতাদের কাছ থেকে পাওয়া ভর্তি নিশ্চয়নের একটি কাগজ নিয়ে কলেজে যান ভর্তি হওয়ার জন্য। কিন্তু কলেজে সংরক্ষিত তালিকায় রমজান আলীর নাম না থাকায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তখন কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁর (রমজান) নাম দেখতে পায়। এতে কলেজ কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করে ওয়েবসাইট হ্যাক করে রমজানের নাম ভর্তি তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে। রমজান আলী এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ উঠে।
পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে রমজান আলীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য যার কাছে পাসওয়ার্ড (গোপন সংকেত) সংরক্ষিত ছিল এ ঘটনায় তাঁকেও আটক করে পুলিশ। অন্যদিকে অবস্থা বেগতিক দেখে গা-ঢাকা দেন ছাত্রলীগের দুই নেতা।
পরে শিক্ষার্থী রমজান আলীকে অভিযুক্ত করে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ১৮ (২) (খ), ১৯ (২) ও ৩৩ ধারায় বাদী হয়ে মামলা করেন কলেজের এক শিক্ষক। উল্লিখিত ধারায় বলা আছে কম্পিউটার সিস্টেমে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে উপাত্ত ভান্ডারের তথ্য পরিবর্তন, সংযোজন, ক্ষতিসাধন ও সহায়তা করার অপরাধ।
অভিযুক্ত রমজান আলীকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত ওই শিক্ষার্থীর বয়স বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এগারো দিন সংশোধনাগারে থাকার পর জামিন পান রমজান। পরে আবার অনলাইনে আবেদন করে পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পান তিনি। কিন্তু ২০২৩ সালে সাইবার সিকিউরিটি আইনে দায়ের করা মামলা থেকে অদ্যাবধি পরিত্রাণ পাননি। প্রতিমাসে তিনি তাঁর বাবাকে নিয়ে আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রমজান আলী বলেন, এ ঘটনায় আমার কোনো দোষ ছিল না। অন্যের দোষে আমাকে ১১ দিন জেল খাটতে হয়েছে। আমি কেবল পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে চেয়েছিলাম। এই চাওয়া কোনো দোষ হতে পারেন না। যাঁরা আমাকে ফাঁসিয়েছে তাঁদেরকে ওই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আমি ওই মামলা থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই। লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে চাই।
বাবা গোলাপ মিয়া বলেন, ছেলেকে নিয়ে প্রতিমাসে আদালতে প্রতিমাসে হাজিরা দিতে হয়। আইনজীবীসহ অন্যান্য খাতে টাকা খরচ করতে হয়। ওই টাকা যোগান দিতে হয় ভ্যান চালিয়ে।
রমজান আলীর কাছে থাকা মামলার কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ময়মনসিংহের জেলা অপরাধ তদন্ত সংস্থা (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করছে। তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন সিআইডির পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন। মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর তিনি ময়মনসিংহ থেকে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। মামলায় অভিযুক্ত আসামি রমজান আলীর কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে মোবাইল ফোনটিতে ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি। তবে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটটি আদৌ হ্যাক হয়েছিল কিনা তা জানা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় তিনি মামলা রেখে এসেছেন।

বরগুনার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভবনের সংকটে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে। সাম্প্রতিক ঝড়ে বিদ্যালয়ের আধাপাকা ভবনের টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন গাছতলায়, কখনও রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে অতিরিক্তি পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ‘সুনামগঞ্জের ১২ জন নিহতের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের অভিযোগে দুইটি মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, আমরা তাদের কয়েকজনের নাম পেয়েছি।’
১ দিন আগে
রাজশাহীতে সাম্প্রতিক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দেশে হামের প্রা
১ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ফুয়েল কার্ড নিতে এসে বখতিয়ার (৫৫) নামের এক কীটনাশক ব্যবসায়ীর আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলা মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে