
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় ধনু নদে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ এক তরুণী ও তিন শিশুর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। শনিবার দুপুরের দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি সদস্যরা ঊষা মনি নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার বিকেলের দিকে খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাঁচহাট চরপাড়া এলাকায় ধনু নদে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ তিনজন হলো ইউনিয়নটির বয়রা গ্রামের নবাব মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার (১৮), আন্ধাইর গ্রামের স্বপন মিয়ার মেয়ে লায়লা (৭), নোপায়েল মিয়ার মেয়ে উষা মনি (৫) ও সামসু মিয়ার মেয়ে সামিয়া (১১)। এ সময় স্পিডবোট থেকে পড়ে গিয়ে রোজিনা আক্তার, ছাত্তার মিয়া ও জহিরুল ইসলাম আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় করে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন জানান, খালিয়াজুরী উপজেলার আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানের বরযাত্রী যেতে ভাড়ায় চালিত একটি স্পিডবোটটি আনা হয়। বরযাত্রী রওনা হবার আগ মুহূর্তে কিছুক্ষণের জন্য বিয়ে বাড়ির ১৫ জন স্বজন মিলে ধনু নদে ঘুরতে বের হয়। পরে মাঝ নদে দ্রুত একটি বাল্কহেডকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত পাশে থাকা নৌকার সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে ওই চারজন নদে ডুবে নিখোঁজ হয়। বাকিরা সাঁতরে তীরে উঠে যায়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে মদন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মকবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজদের খুঁজতে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি আসছে।
তিনি আরও জানান, পুলিশের এসআই মঞ্জুরুল হক ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রাখছেন।

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় ধনু নদে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ এক তরুণী ও তিন শিশুর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। শনিবার দুপুরের দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি সদস্যরা ঊষা মনি নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার বিকেলের দিকে খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাঁচহাট চরপাড়া এলাকায় ধনু নদে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ তিনজন হলো ইউনিয়নটির বয়রা গ্রামের নবাব মিয়ার মেয়ে শিরিন আক্তার (১৮), আন্ধাইর গ্রামের স্বপন মিয়ার মেয়ে লায়লা (৭), নোপায়েল মিয়ার মেয়ে উষা মনি (৫) ও সামসু মিয়ার মেয়ে সামিয়া (১১)। এ সময় স্পিডবোট থেকে পড়ে গিয়ে রোজিনা আক্তার, ছাত্তার মিয়া ও জহিরুল ইসলাম আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় করে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন জানান, খালিয়াজুরী উপজেলার আন্ধাইর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানের বরযাত্রী যেতে ভাড়ায় চালিত একটি স্পিডবোটটি আনা হয়। বরযাত্রী রওনা হবার আগ মুহূর্তে কিছুক্ষণের জন্য বিয়ে বাড়ির ১৫ জন স্বজন মিলে ধনু নদে ঘুরতে বের হয়। পরে মাঝ নদে দ্রুত একটি বাল্কহেডকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত পাশে থাকা নৌকার সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে ওই চারজন নদে ডুবে নিখোঁজ হয়। বাকিরা সাঁতরে তীরে উঠে যায়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে মদন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মকবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজদের খুঁজতে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি আসছে।
তিনি আরও জানান, পুলিশের এসআই মঞ্জুরুল হক ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রাখছেন।

স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
১ দিন আগে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে ঘরের ভেতরে রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
২ দিন আগে
লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দইখাওয়া বিওপির একটি টহলদল সীমান্তে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনতে পায়। পরে সীমান্ত পিলার ৯০২-এর কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রনি মিয়াকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
৩ দিন আগে