
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার আটপাড়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী অন্তর মিয়া (২১) নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে। স্থানীয় উপজেলা কমপ্লেক্স ও পরে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর মেয়েটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে আটপাড়া উপজেলা লুনেশ্বর ইউনিয়নের একটি গ্রামের মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়। বুধবার (৯ এপ্রিল) ভোরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্তর মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা রোকন মিয়ার ছেলে।
শিশুটির স্বজন ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশুটির মা বছরখানেক আগে মারা গেছেন। বাড়িতে বাবার সঙ্গে থাকে শিশুটি। মঙ্গলবার রাতে বাবা বাইরে থাকা অবস্থায় অন্তর মিয়া শিশুটির বাড়িতে ঢোকেন এবং বাড়িতে কেউ না থাকায় শিশুটিকে ধষর্ণ করেন। বাধা দিলে শিশুটিকে মারধরও করেন তিনি। পরে শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে অন্তর পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতেই শিশুটিকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আজিজুল হক জানান, খবর পেয়ে আমি শিশুটির বাড়িতে গিয়েছিলাম। শিশুটির শরীর ও মুখমণ্ডলে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।
আটপাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলাম। ভুক্তভোগী মেয়েটি ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

নেত্রকোনার আটপাড়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী অন্তর মিয়া (২১) নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে। স্থানীয় উপজেলা কমপ্লেক্স ও পরে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর মেয়েটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে আটপাড়া উপজেলা লুনেশ্বর ইউনিয়নের একটি গ্রামের মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়। বুধবার (৯ এপ্রিল) ভোরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্তর মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা রোকন মিয়ার ছেলে।
শিশুটির স্বজন ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশুটির মা বছরখানেক আগে মারা গেছেন। বাড়িতে বাবার সঙ্গে থাকে শিশুটি। মঙ্গলবার রাতে বাবা বাইরে থাকা অবস্থায় অন্তর মিয়া শিশুটির বাড়িতে ঢোকেন এবং বাড়িতে কেউ না থাকায় শিশুটিকে ধষর্ণ করেন। বাধা দিলে শিশুটিকে মারধরও করেন তিনি। পরে শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে অন্তর পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতেই শিশুটিকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আজিজুল হক জানান, খবর পেয়ে আমি শিশুটির বাড়িতে গিয়েছিলাম। শিশুটির শরীর ও মুখমণ্ডলে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।
আটপাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলাম। ভুক্তভোগী মেয়েটি ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমপুর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী শিব্বির আহমেদ ও একই গ্রামের বাছির মিয়ার মধ্যে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় স্কুল ছুটি হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাথরুম থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে নির্মাণ শ্রমিকেরা সেখানে যান। পরে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ খুন হন। ৩৫ বছর বয়সী বুলবুল পাশের শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। যে এলাকায় বুলবুলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, সেটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন।
১ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে