
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

দীর্ঘ ১১ বছর পর নেত্রকোনা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. আনোয়ারুল হক, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
শনিবার (৩০ আগস্ট) জেলা শহরের মোক্তারপাড়া মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সম্মেলন ঘিরে জেলা শহরের মোক্তারপাড়া, কুড়পাড় ও ছোটবাজারসহ পুরো শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রার্থীদের ছবি সংবলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, পোস্টার, ফেস্টুন ও গেটে ছেয়ে যায়।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ছিল কাউন্সিল। এতে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহফুজুল হক। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী ও যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান দুদু এবং জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি।
সম্মেলন ও কাউন্সিল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সহকারী নির্বাচন কমিশনার আইনজীবী আব্দুল কাইয়ূম খান উথান জানান, জেলার ১০ উপজেলা ও পাঁচ পৌর কমিটির এক হাজার ৫১৫ জন কাউন্সিলরসহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ৬৭ জন প্রত্যক্ষ ভোট দিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন।
মোক্তারপাড়া মাঠের পাশেই জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে কাউন্সিল অধিবেশন করা হয়। রাত পৌনে ১২টার দিকে সালাহউদ্দিন আহমেদ ফল ঘোষণা করেন।
ফলে জানা যায়, ১২৭৫ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. আনোয়ারুল হক, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুল হক পেয়েছেন ২১১ ভোট। অন্যদিকে ৭৪৬ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুলাহ আল মামুন খান রনি পেয়েছেন ৭২১ ভোট।
এর আগে ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সভাপতি পদে আশরাফ উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক পদে আনোয়ারুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এস এম মনিরুজ্জামান দুদু নির্বাচিত হন।
এর আট বছর পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন। মেয়াদোত্তীর্ণ এ কমিটি ২০১৯ সালে ৬ আগস্ট বিলুপ্ত করে দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। পরে ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক গত ছয় বছর দায়িত্ব পালন করছিল।

দীর্ঘ ১১ বছর পর নেত্রকোনা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. আনোয়ারুল হক, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
শনিবার (৩০ আগস্ট) জেলা শহরের মোক্তারপাড়া মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সম্মেলন ঘিরে জেলা শহরের মোক্তারপাড়া, কুড়পাড় ও ছোটবাজারসহ পুরো শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রার্থীদের ছবি সংবলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, পোস্টার, ফেস্টুন ও গেটে ছেয়ে যায়।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ছিল কাউন্সিল। এতে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহফুজুল হক। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী ও যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান দুদু এবং জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি।
সম্মেলন ও কাউন্সিল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সহকারী নির্বাচন কমিশনার আইনজীবী আব্দুল কাইয়ূম খান উথান জানান, জেলার ১০ উপজেলা ও পাঁচ পৌর কমিটির এক হাজার ৫১৫ জন কাউন্সিলরসহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ৬৭ জন প্রত্যক্ষ ভোট দিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন।
মোক্তারপাড়া মাঠের পাশেই জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে কাউন্সিল অধিবেশন করা হয়। রাত পৌনে ১২টার দিকে সালাহউদ্দিন আহমেদ ফল ঘোষণা করেন।
ফলে জানা যায়, ১২৭৫ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. আনোয়ারুল হক, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুল হক পেয়েছেন ২১১ ভোট। অন্যদিকে ৭৪৬ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুলাহ আল মামুন খান রনি পেয়েছেন ৭২১ ভোট।
এর আগে ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সভাপতি পদে আশরাফ উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক পদে আনোয়ারুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এস এম মনিরুজ্জামান দুদু নির্বাচিত হন।
এর আট বছর পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন। মেয়াদোত্তীর্ণ এ কমিটি ২০১৯ সালে ৬ আগস্ট বিলুপ্ত করে দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। পরে ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক গত ছয় বছর দায়িত্ব পালন করছিল।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে