
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্ররোচনা ও জননিরাপত্তা বিপন্ন করার অভিযোগে ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় ৮৮ জন নেতাকর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। সরকার এসব সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
থানা সূত্র জানায়, গত ১৮ জুন মামলাটি রুজু করা হয়। মামলায় সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালামের কন্যা ওয়াহিদা হোসেন রূপাসহ তিনজন ইউপি চেয়ারম্যানকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়। মামলার বাদী নান্দাইল থানার এসআই মো. আবদুল হামিদ মিয়া।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৭ জুন রাতে উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া গ্রামের ডিএস দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করে।
তবে ধুরুয়া গ্রামের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ওইদিন স্থানীয় বাসিন্দা মো. বরকত উল্লাহ তাঁর সন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলেন। সেখানে তাঁর আমন্ত্রিত বন্ধুরা অংশ নেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিচিত বলে জানা যায়। পুলিশ সেখান থেকে বরকতসহ সাতজনকে আটক করে।
পরদিন ১৮ জুন তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
ওই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আচারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনু, শেরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন মিল্টন ভূঁইয়া, জাহাঙ্গীরপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মণ্ডল এবং সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রীর কন্যা ওয়াহিদা হোসেন রূপা, যিনি মন্ত্রীর উপদেষ্টা ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নান্দাইল থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, "সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্ররোচনা ও জননিরাপত্তা বিপন্ন করার অভিযোগে ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় ৮৮ জন নেতাকর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। সরকার এসব সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
থানা সূত্র জানায়, গত ১৮ জুন মামলাটি রুজু করা হয়। মামলায় সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালামের কন্যা ওয়াহিদা হোসেন রূপাসহ তিনজন ইউপি চেয়ারম্যানকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়। মামলার বাদী নান্দাইল থানার এসআই মো. আবদুল হামিদ মিয়া।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৭ জুন রাতে উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ধুরুয়া গ্রামের ডিএস দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করে।
তবে ধুরুয়া গ্রামের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ওইদিন স্থানীয় বাসিন্দা মো. বরকত উল্লাহ তাঁর সন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলেন। সেখানে তাঁর আমন্ত্রিত বন্ধুরা অংশ নেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিচিত বলে জানা যায়। পুলিশ সেখান থেকে বরকতসহ সাতজনকে আটক করে।
পরদিন ১৮ জুন তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
ওই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আচারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনু, শেরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন মিল্টন ভূঁইয়া, জাহাঙ্গীরপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মণ্ডল এবং সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রীর কন্যা ওয়াহিদা হোসেন রূপা, যিনি মন্ত্রীর উপদেষ্টা ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নান্দাইল থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, "সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"

বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ খুন হন। ৩৫ বছর বয়সী বুলবুল পাশের শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। যে এলাকায় বুলবুলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, সেটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন।
২১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে
গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে