
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সুমন কুমার রায়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখালে আদালত এ আদেশ দেন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম। সুমন কুমার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে বারহাট্টার গোপালপুর বাজার এলাকায় নিজ বাসা থেকে সুমন কুমারকে গ্রেপ্তার করে বারহাট্টা থানা পুলিশ।
ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, বারহাট্টা থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় সন্দেহজনক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার বিকেলের দিকে আদালতে সোপর্দ করা হয় সুমন কুমারকে। এ সময় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সুমন কুমার রায়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখালে আদালত এ আদেশ দেন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম। সুমন কুমার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে বারহাট্টার গোপালপুর বাজার এলাকায় নিজ বাসা থেকে সুমন কুমারকে গ্রেপ্তার করে বারহাট্টা থানা পুলিশ।
ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, বারহাট্টা থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় সন্দেহজনক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার বিকেলের দিকে আদালতে সোপর্দ করা হয় সুমন কুমারকে। এ সময় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১ দিন আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
২ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে