
চট্টগ্রাম ব্যুরো

লক্ষ্মীপুরে ভোটের অবৈধ ছয়টি সিল উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাসহ দুজনের নামে মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে (৪০)। তিনি সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মারইয়াম প্রেসের স্বত্বাধিকারী। গতকাল বিকেলে শহরের পুরোনো আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে ভোটে ব্যবহারের অবৈধ ছয়টি সিল, একটি কম্পিউটার, একটি মুঠোফোনসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অপর আসামি হলেন সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফ (৩৪)। তিনি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহজাহানের ছেলে ও ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন ছয়টি ভোটের সিল তৈরির জন্য ব্যবসায়ী সোহেল রানার দোকানে অর্ডার দেন। সৌরভ হোসেনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থীর একাধিক ছবি রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এসব ছবি ও জব্দ আলামতের সূত্র ধরে সিল তৈরির পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে সৌরভ হোসেনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এই মামলায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি হারুন অর রশীদ।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা পুলিশকে জানিয়েছেন, অর্ডার পাওয়ার পরই তিনি এসব সিল তৈরি করছিলেন। তার দেওয়া তথ্যমতে, সৌরভ হোসেন নামের এক ব্যক্তি সিলগুলো তৈরির অর্ডার দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সিল তৈরির পেছনের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং সৌরভের সঙ্গে এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না— তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এদিকে, ভোটের অবৈধ সিল উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি নিজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ্যানি বলেন, ‘সিলসহ সোহেল রানা নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি জামায়াতের কর্মী বলে জানতে পেরেছি। হয়তো তার পদ-পদবিও রয়েছে। একটি কম্পিউটারসহ ছয়টা সিল জব্দ করা হয়েছে। সিলগুলো যিনি বা যারা বানিয়েছেন, নিশ্চয়ই এর পেছনে অনেক কলকবজা রয়েছে, একটা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের হিসাব-নিকাশ রয়েছে।’
অবৈধ সিল বানানোর পেছনে কোনো প্রার্থীর বা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার ইন্ধন রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির শাস্তির দাবি জানান এ্যানি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে জাল ভোট ও জালিয়াতি বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। একইভাবে আরও অনেক সিল বানানো হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখতে হবে।’
এ ছাড়া সিলের পাশাপাশি ব্যালট ছাপানোর ঘটনাও ঘটতে পারে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের প্রতি সতর্ক এবং সজাগ থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিএনপির এই সংবাদ সম্মেলনের পর একই দিন রাত ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী। এতে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, ‘ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির সঙ্গে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে।’
তিনি বলেন, ‘যেকোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অতীতের মতোই আরেকটি দলের মুদ্রাদোষে পরিণত হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল জামায়াতের কেউ নন। এ ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে, প্রশাসন তদন্ত করে বের করবে। এ রকম একটি ঘৃণিত ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

লক্ষ্মীপুরে ভোটের অবৈধ ছয়টি সিল উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাসহ দুজনের নামে মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে (৪০)। তিনি সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মারইয়াম প্রেসের স্বত্বাধিকারী। গতকাল বিকেলে শহরের পুরোনো আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে ভোটে ব্যবহারের অবৈধ ছয়টি সিল, একটি কম্পিউটার, একটি মুঠোফোনসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অপর আসামি হলেন সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফ (৩৪)। তিনি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহজাহানের ছেলে ও ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন ছয়টি ভোটের সিল তৈরির জন্য ব্যবসায়ী সোহেল রানার দোকানে অর্ডার দেন। সৌরভ হোসেনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থীর একাধিক ছবি রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এসব ছবি ও জব্দ আলামতের সূত্র ধরে সিল তৈরির পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে সৌরভ হোসেনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এই মামলায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি হারুন অর রশীদ।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা পুলিশকে জানিয়েছেন, অর্ডার পাওয়ার পরই তিনি এসব সিল তৈরি করছিলেন। তার দেওয়া তথ্যমতে, সৌরভ হোসেন নামের এক ব্যক্তি সিলগুলো তৈরির অর্ডার দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সিল তৈরির পেছনের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং সৌরভের সঙ্গে এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না— তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এদিকে, ভোটের অবৈধ সিল উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি নিজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ্যানি বলেন, ‘সিলসহ সোহেল রানা নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি জামায়াতের কর্মী বলে জানতে পেরেছি। হয়তো তার পদ-পদবিও রয়েছে। একটি কম্পিউটারসহ ছয়টা সিল জব্দ করা হয়েছে। সিলগুলো যিনি বা যারা বানিয়েছেন, নিশ্চয়ই এর পেছনে অনেক কলকবজা রয়েছে, একটা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের হিসাব-নিকাশ রয়েছে।’
অবৈধ সিল বানানোর পেছনে কোনো প্রার্থীর বা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার ইন্ধন রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির শাস্তির দাবি জানান এ্যানি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে জাল ভোট ও জালিয়াতি বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। একইভাবে আরও অনেক সিল বানানো হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখতে হবে।’
এ ছাড়া সিলের পাশাপাশি ব্যালট ছাপানোর ঘটনাও ঘটতে পারে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের প্রতি সতর্ক এবং সজাগ থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিএনপির এই সংবাদ সম্মেলনের পর একই দিন রাত ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী। এতে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, ‘ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির সঙ্গে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে।’
তিনি বলেন, ‘যেকোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অতীতের মতোই আরেকটি দলের মুদ্রাদোষে পরিণত হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল জামায়াতের কেউ নন। এ ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে, প্রশাসন তদন্ত করে বের করবে। এ রকম একটি ঘৃণিত ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

রাঙ্গামাটিতে একটি যাত্রীবাহী বাস চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে গিয়ে অন্তত ১২ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে সাপছড়ি ইউনিয়নে দোপ্পায়াছড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটির চালক পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭১ সালের বিতর্কিত ভূমিকা অস্বীকার করে এবং জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে উল্টো একটি নতুন বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে, তেমনি ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তিও জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নিজেদের মতো ক
৬ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৭ শিশু ও ৭ জন পুরুষ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আরও একটি কমিটি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে