
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর শাখা গঠনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম হিলালীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের বাদ দিয়ে আত্মীয়-স্বজন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ও অনুগতদের মাধ্যমে ‘পকেট কমিটি’ গঠন করেছেন তিনি।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের হলরুমে ‘কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর শাখা বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মী’ ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলা হয়। এ সময় নেতারা ওই কমিটি দুটি বাতিলের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ১০১ সদস্যের প্রহসনের দুটি পকেট কমিটি গঠন করেছেন রফিকুল ইসলাম হিলালী।
কমিটি নিয়ে অভিযোগ তুলে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে রফিকুল ইসলাম হিলালী তার ছোট ভগ্নিপতি জয়নাল আবেদীন ভূইয়াকে মনোনীত করেছেন। একই কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে ওই ভগ্নিপতির ছোট ভাই জসিম উদ্দিন ভূইয়া, আরেক ভগ্নিপতি জামিল হোসেন, ভাতিজা জুবায়ের আহমেদ হিলালী, ভাতিজার শাশুড়ি মিনারা আক্তার, পুত্রা কবিরুল ইসলাম ও বেয়াই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমানকে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে কমিটি দুটি প্রকাশ হলে রোববার (২৪ আগস্ট) কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে নেতাকর্মীরা কমিটি দুটি অবিলম্বে বাতিলের জোর দাবি জানান।
কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার জামিল সোহেল, একই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল হুদা বাচ্চু, উপজেলার গন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মোবারক আলী ভূইয়া, উপজেলার মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলার চিরাং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান ভূইয়া (লিটন), জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসানসহ কেন্দুয়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অনেক গুরুত্বপূর্ণ, নির্যাতিত, ত্যাগী নেতাকর্মী কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় নেতারা।
লিখিত বক্তব্যে দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল ‘প্রহসনমূলক ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে গঠিত’ কমিটি দুটি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান। একই সঙ্গে নতুন করে এসব কমিটি গঠন করতে জেলা বিএনপির সম্মেলনের তারিখ পুনর্নিধারণ করার দাবিও জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম হিলালীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর শাখা গঠনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম হিলালীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের বাদ দিয়ে আত্মীয়-স্বজন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ও অনুগতদের মাধ্যমে ‘পকেট কমিটি’ গঠন করেছেন তিনি।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের হলরুমে ‘কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর শাখা বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মী’ ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলা হয়। এ সময় নেতারা ওই কমিটি দুটি বাতিলের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ১০১ সদস্যের প্রহসনের দুটি পকেট কমিটি গঠন করেছেন রফিকুল ইসলাম হিলালী।
কমিটি নিয়ে অভিযোগ তুলে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে রফিকুল ইসলাম হিলালী তার ছোট ভগ্নিপতি জয়নাল আবেদীন ভূইয়াকে মনোনীত করেছেন। একই কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে ওই ভগ্নিপতির ছোট ভাই জসিম উদ্দিন ভূইয়া, আরেক ভগ্নিপতি জামিল হোসেন, ভাতিজা জুবায়ের আহমেদ হিলালী, ভাতিজার শাশুড়ি মিনারা আক্তার, পুত্রা কবিরুল ইসলাম ও বেয়াই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমানকে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে কমিটি দুটি প্রকাশ হলে রোববার (২৪ আগস্ট) কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে নেতাকর্মীরা কমিটি দুটি অবিলম্বে বাতিলের জোর দাবি জানান।
কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার জামিল সোহেল, একই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল হুদা বাচ্চু, উপজেলার গন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মোবারক আলী ভূইয়া, উপজেলার মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলার চিরাং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান ভূইয়া (লিটন), জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসানসহ কেন্দুয়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অনেক গুরুত্বপূর্ণ, নির্যাতিত, ত্যাগী নেতাকর্মী কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় নেতারা।
লিখিত বক্তব্যে দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল ‘প্রহসনমূলক ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে গঠিত’ কমিটি দুটি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান। একই সঙ্গে নতুন করে এসব কমিটি গঠন করতে জেলা বিএনপির সম্মেলনের তারিখ পুনর্নিধারণ করার দাবিও জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম হিলালীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত থামেনি।
২ দিন আগে
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩ দিন আগে
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় লবণ মাঠে জুতা চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে এক গ্রাম্য পশুচিকিৎসককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
৩ দিন আগে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
৩ দিন আগে