
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে এক দিনমজুরকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুয়েল সাংমার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঘটনাটির ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে জেলা প্রশাসক ও অভিযুক্ত ইউএনও রুয়েল সাংমা সকল মাধ্যমে যোগাযোগ বন্ধ করে রেখেছেন।
এ ঘটনায় আটপাড়া যুবদল নেতা রায়হান বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।
মারধরের শিকার ভুক্তভোগী দুর্জয় (১৭) উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি দিনমজুরের কাজ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিজিএফ চাল বিতরণের সময় বিষ্ণুপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে দুর্জয় ভিড়ের মধ্যে চাল নিতে গেলে ইউএনওর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনা কেন্দ্র করে ইউএনও আনসারের লাঠি নিয়ে জনসম্মুখেই দুর্জয়কে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। উপস্থিত সকলে অনুরোধ করলেও শোনেননি ইউএনও। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
দুর্জয়ের চাচি হেপী আক্তার বলেন, আমি নিজ চোখে দেখেছি উনি পেটাচ্ছেন। আমি মাপ চেয়েছি, কিন্তু তিনি কোনো কথা শোনেননি।
এ বিষয়ে জানতে আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুয়েল সাংমার ও জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে এডিসি (সার্বিক) মো. রাফিকুজ্জামান বলেন, ইউএনওর লাটিপেঠানোর ঘটনা ফেসবুকে দেখেছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।
পিবিআই পরিদর্শক জাহিদ ইসলাম বলেন, আদালতের মামলার চিঠি পেয়েছি। মামলার কাগজ এখনো আসেনি। কাগজ পেলে তদন্তের কাজ শুরু হবে।

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে এক দিনমজুরকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুয়েল সাংমার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঘটনাটির ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে জেলা প্রশাসক ও অভিযুক্ত ইউএনও রুয়েল সাংমা সকল মাধ্যমে যোগাযোগ বন্ধ করে রেখেছেন।
এ ঘটনায় আটপাড়া যুবদল নেতা রায়হান বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।
মারধরের শিকার ভুক্তভোগী দুর্জয় (১৭) উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি দিনমজুরের কাজ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিজিএফ চাল বিতরণের সময় বিষ্ণুপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে দুর্জয় ভিড়ের মধ্যে চাল নিতে গেলে ইউএনওর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনা কেন্দ্র করে ইউএনও আনসারের লাঠি নিয়ে জনসম্মুখেই দুর্জয়কে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। উপস্থিত সকলে অনুরোধ করলেও শোনেননি ইউএনও। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
দুর্জয়ের চাচি হেপী আক্তার বলেন, আমি নিজ চোখে দেখেছি উনি পেটাচ্ছেন। আমি মাপ চেয়েছি, কিন্তু তিনি কোনো কথা শোনেননি।
এ বিষয়ে জানতে আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুয়েল সাংমার ও জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে এডিসি (সার্বিক) মো. রাফিকুজ্জামান বলেন, ইউএনওর লাটিপেঠানোর ঘটনা ফেসবুকে দেখেছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।
পিবিআই পরিদর্শক জাহিদ ইসলাম বলেন, আদালতের মামলার চিঠি পেয়েছি। মামলার কাগজ এখনো আসেনি। কাগজ পেলে তদন্তের কাজ শুরু হবে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
২০ ঘণ্টা আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে