
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার সুজানগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। তবে তারা সবাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবের সমর্থক বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে আব্দুল ওহাবকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে পুলিশ ভ্যানে তোলা হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এসময় ধস্তাধস্তিতে আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিনদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি সেই আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর সুজানগর এলাকায় আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন আব্দুল ওহাব এবং তার সমর্থকরা। গত রমজানে প্রকাশ্যে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। এছাড়াও পাবনা জজ কোর্টে হাজিরা দেয়ার পর একাধিকবার কোর্টচত্তরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

পাবনার সুজানগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। তবে তারা সবাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবের সমর্থক বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে আব্দুল ওহাবকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে পুলিশ ভ্যানে তোলা হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এসময় ধস্তাধস্তিতে আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিনদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি সেই আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর সুজানগর এলাকায় আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন আব্দুল ওহাব এবং তার সমর্থকরা। গত রমজানে প্রকাশ্যে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। এছাড়াও পাবনা জজ কোর্টে হাজিরা দেয়ার পর একাধিকবার কোর্টচত্তরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে