
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার পল্লিতে বাড়ির সীমানার এক হাত জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষে আক্তার হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি একজন কৃষক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।
নিহত আক্তার হোসেন নান্দাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাটিসাভার বিলপাড় গ্রামের মো. জহুরুল ইসলামের পুত্র। দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সুত্র ও নিহতের পরিবার এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাড়ির সীমানার এক হাত জায়গা নিয়ে গত বেশ কয়েকদিন ধরে মো. আবদুল হেলিম ও জসিম উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে হেলিমের পক্ষের কয়েকজন আহত হন। একই ঘটনা নিয়ে আজ শুক্রবার আবার উভয়পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ বাঁধে। এতে জসীম উদ্দিনের ভাই আক্তার হোসেনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে আক্তার হোসেন হাসপাতালে মারা যান।
নিহতের মা হাজেরা বেগম (৭০) জানান, প্রতিপক্ষের সশস্ত্র লোকজন তার ছেলে আক্তার হোসেনকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। তিনি ছেলে হত্যাকারীদের কঠোর বিচার চান।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নিহতের মা হাজেরা খাতুন ছাড়া দুই পক্ষের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। কয়েকটি ঘরে লুটপাট চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার পল্লিতে বাড়ির সীমানার এক হাত জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষে আক্তার হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি একজন কৃষক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।
নিহত আক্তার হোসেন নান্দাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাটিসাভার বিলপাড় গ্রামের মো. জহুরুল ইসলামের পুত্র। দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সুত্র ও নিহতের পরিবার এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাড়ির সীমানার এক হাত জায়গা নিয়ে গত বেশ কয়েকদিন ধরে মো. আবদুল হেলিম ও জসিম উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে হেলিমের পক্ষের কয়েকজন আহত হন। একই ঘটনা নিয়ে আজ শুক্রবার আবার উভয়পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ বাঁধে। এতে জসীম উদ্দিনের ভাই আক্তার হোসেনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে আক্তার হোসেন হাসপাতালে মারা যান।
নিহতের মা হাজেরা বেগম (৭০) জানান, প্রতিপক্ষের সশস্ত্র লোকজন তার ছেলে আক্তার হোসেনকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। তিনি ছেলে হত্যাকারীদের কঠোর বিচার চান।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নিহতের মা হাজেরা খাতুন ছাড়া দুই পক্ষের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। কয়েকটি ঘরে লুটপাট চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩ দিন আগে
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় লবণ মাঠে জুতা চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে এক গ্রাম্য পশুচিকিৎসককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
৩ দিন আগে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
৩ দিন আগে
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ দিন আগে