
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলের পল্লিতে অবস্থিত একটি গ্রন্থাগার ভবনের বাইরের চারপাশের দেয়াল কে বা কারা কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল বাক্য লিখে ভরে ফেলেছে। এ ঘটনায় গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও পাঠকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
গ্রন্থাগারটি নান্দাইল উপজেলার মুশুলি উচ্চবিদ্যালয় ও মুশুলি কলেজের কাছাকাছি স্থানে অবস্থিত। এসব কুরুচিপূর্ণ দেয়াললিখনের ঘটনায় প্রতিষ্ঠাতাদের পক্ষ থেকে রোববার দুপুরে অজ্ঞাতনামা দুর্বত্তদের বিরুদ্ধে নান্দাইল মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
গ্রন্থাগারের আহবায়ক দিদারুল ইসলাম বলেন, গ্রন্থাগার ভবনটি ছিল একটি গ্রামীণ ডাকঘর। ঘরটি ছিল ভাঙাচোড়া। বখাটেরা সেখানে আড্ডা জমিয়ে মাদক সেবন করত।
মুশুলি এলাকার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘শিক্ষার আলো স্টুডেন্টস এইড ফাউন্ডেশন’ ২০১৩ সালে উদ্যোগ নিয়ে ভাঙাচোড়া ভবনটি সংস্কার করে ডাকঘরের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে বাকি অংশে গ্রন্থাগার গড়ে তোলে।
গ্রন্থাগারের একজন পরিচালক বায়জীদ আহমেদ বলেন, আমাদের প্রায় দুই হাজারের মতো বই রয়েছে। প্রচুর পাঠক রয়েছে। প্রতিদিন পাঠচক্র হয়। ঈদের আগের দিনও গ্রন্থাগারে পাঠচক্র হয়েছে। ঈদের দিন তো সবাই ব্যস্ত ছিলাম। পরদিন এসে দেখি দেয়ালে কালো কালি দিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল বাক্য লিখে রাখা হয়েছে পুরো দেয়াল জুড়ে।
বায়জীদ বলেন, এসব দেখে গ্রন্থাগার সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও এলাকার সাধারণ মানুষ লজ্জা পাচ্ছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও পাঠকরা ক্ষোভও জানাচ্ছে।
দিদারুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। পরে এলাকার কয়েকজন তরুণ দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চায়। কিন্তু এবার কারা করেছে তা বলতে পারেননি তিনি।
নান্দাইলের হক ফাতেমা পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এনামুল হক বাবুল বলেন, এটি খুবই নিন্দনীয় কাজ। এর বিচার হওয়া প্রয়োজন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলের পল্লিতে অবস্থিত একটি গ্রন্থাগার ভবনের বাইরের চারপাশের দেয়াল কে বা কারা কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল বাক্য লিখে ভরে ফেলেছে। এ ঘটনায় গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও পাঠকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
গ্রন্থাগারটি নান্দাইল উপজেলার মুশুলি উচ্চবিদ্যালয় ও মুশুলি কলেজের কাছাকাছি স্থানে অবস্থিত। এসব কুরুচিপূর্ণ দেয়াললিখনের ঘটনায় প্রতিষ্ঠাতাদের পক্ষ থেকে রোববার দুপুরে অজ্ঞাতনামা দুর্বত্তদের বিরুদ্ধে নান্দাইল মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
গ্রন্থাগারের আহবায়ক দিদারুল ইসলাম বলেন, গ্রন্থাগার ভবনটি ছিল একটি গ্রামীণ ডাকঘর। ঘরটি ছিল ভাঙাচোড়া। বখাটেরা সেখানে আড্ডা জমিয়ে মাদক সেবন করত।
মুশুলি এলাকার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘শিক্ষার আলো স্টুডেন্টস এইড ফাউন্ডেশন’ ২০১৩ সালে উদ্যোগ নিয়ে ভাঙাচোড়া ভবনটি সংস্কার করে ডাকঘরের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে বাকি অংশে গ্রন্থাগার গড়ে তোলে।
গ্রন্থাগারের একজন পরিচালক বায়জীদ আহমেদ বলেন, আমাদের প্রায় দুই হাজারের মতো বই রয়েছে। প্রচুর পাঠক রয়েছে। প্রতিদিন পাঠচক্র হয়। ঈদের আগের দিনও গ্রন্থাগারে পাঠচক্র হয়েছে। ঈদের দিন তো সবাই ব্যস্ত ছিলাম। পরদিন এসে দেখি দেয়ালে কালো কালি দিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল বাক্য লিখে রাখা হয়েছে পুরো দেয়াল জুড়ে।
বায়জীদ বলেন, এসব দেখে গ্রন্থাগার সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও এলাকার সাধারণ মানুষ লজ্জা পাচ্ছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও পাঠকরা ক্ষোভও জানাচ্ছে।
দিদারুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। পরে এলাকার কয়েকজন তরুণ দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চায়। কিন্তু এবার কারা করেছে তা বলতে পারেননি তিনি।
নান্দাইলের হক ফাতেমা পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এনামুল হক বাবুল বলেন, এটি খুবই নিন্দনীয় কাজ। এর বিচার হওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ খুন হন। ৩৫ বছর বয়সী বুলবুল পাশের শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। যে এলাকায় বুলবুলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, সেটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন।
২১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে
গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে