ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় একটি গোষ্ঠী মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, একটি গোষ্ঠী— তারা বিভিন্ন রকম উগ্রবাদের কথা বলে মানুষকে বিভক্ত করতে চায়, বিভাজন তৈরি করতে চায়। একটা চক্রান্ত চলছে— যে নির্বাচন হওয়ার কথা, সেই নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার জন্য একটি গোষ্ঠী চেষ্টা করছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হলে আয়োজিত জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের প্রথম জাতীয় সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একাত্তর সালে আমরা— হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ক্ষুদ্র জাতি, বড় জাতি— সবাই একসঙ্গে লড়াই করেছিলাম আমাদের একটা ভূখণ্ডের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য, আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। আমাদের সবার দায়িত্ব হবে একসঙ্গে ঠিক একইভাবে আবার আমাদের অধিকার রক্ষা করার জন্য, আমাদের যে লক্ষ্য ছিল একটা স্বাধীন বাংলাদেশ করার জন্য, মুক্ত বাংলাদেশ করার জন্য, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভয়াবহ দানবীয় ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ নির্যাতনের শাসনের পরে আমরা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সুযোগ পেয়েছি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করার। এই নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করার জন্য আজ আমরা সবাই অন্তত একটি বিষয় একমত যে আমরা প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার এখানে প্রতিষ্ঠিত করব।
গারো, হাজং, মণিপুরী, বানাই, বর্মণ, খাসিয়া, কোচ, হদি সম্প্রদায়, ত্রিপুরাসহ ১৮টি জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সমাবেশে অংশ নেন।
এসব জাতিগোষ্ঠীর উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ আপনারা যারা নিজেদের মনে করছেন যে আপনারা আলাদা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য, আমার নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান কিন্তু সবসময় বলেন— কখনো এ কথা বলা যাবে না। আমরা সবাই বাংলাদেশি, আমাদের অধিকার সবার সমান।
রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ৩১ দফার কথা তুলে ধরে দলটির মহাসচিব বলেন, অতীতে সবসময় সব কাজ করা সম্ভব হয়নি, আপনাদের প্রতি সবসময় সুবিচার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, আমাদের নেতার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে যে ৩১ দফা প্রণয়ন করা হয়েছে, সেটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির মূল চাবিকাঠি। সেই ৩১ দফার মধ্যে রেইনবো বাংলাদেশের কথা বলা আছে, রেইনবো জাতির কথা বলা আছে। আপনাদের সবাইকে নিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি রেইনবো স্টেট তৈরি করতে চাই, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় একটি গোষ্ঠী মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, একটি গোষ্ঠী— তারা বিভিন্ন রকম উগ্রবাদের কথা বলে মানুষকে বিভক্ত করতে চায়, বিভাজন তৈরি করতে চায়। একটা চক্রান্ত চলছে— যে নির্বাচন হওয়ার কথা, সেই নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার জন্য একটি গোষ্ঠী চেষ্টা করছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হলে আয়োজিত জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের প্রথম জাতীয় সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একাত্তর সালে আমরা— হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ক্ষুদ্র জাতি, বড় জাতি— সবাই একসঙ্গে লড়াই করেছিলাম আমাদের একটা ভূখণ্ডের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য, আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। আমাদের সবার দায়িত্ব হবে একসঙ্গে ঠিক একইভাবে আবার আমাদের অধিকার রক্ষা করার জন্য, আমাদের যে লক্ষ্য ছিল একটা স্বাধীন বাংলাদেশ করার জন্য, মুক্ত বাংলাদেশ করার জন্য, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভয়াবহ দানবীয় ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ নির্যাতনের শাসনের পরে আমরা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সুযোগ পেয়েছি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করার। এই নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করার জন্য আজ আমরা সবাই অন্তত একটি বিষয় একমত যে আমরা প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার এখানে প্রতিষ্ঠিত করব।
গারো, হাজং, মণিপুরী, বানাই, বর্মণ, খাসিয়া, কোচ, হদি সম্প্রদায়, ত্রিপুরাসহ ১৮টি জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সমাবেশে অংশ নেন।
এসব জাতিগোষ্ঠীর উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ আপনারা যারা নিজেদের মনে করছেন যে আপনারা আলাদা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য, আমার নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান কিন্তু সবসময় বলেন— কখনো এ কথা বলা যাবে না। আমরা সবাই বাংলাদেশি, আমাদের অধিকার সবার সমান।
রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ৩১ দফার কথা তুলে ধরে দলটির মহাসচিব বলেন, অতীতে সবসময় সব কাজ করা সম্ভব হয়নি, আপনাদের প্রতি সবসময় সুবিচার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, আমাদের নেতার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে যে ৩১ দফা প্রণয়ন করা হয়েছে, সেটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির মূল চাবিকাঠি। সেই ৩১ দফার মধ্যে রেইনবো বাংলাদেশের কথা বলা আছে, রেইনবো জাতির কথা বলা আছে। আপনাদের সবাইকে নিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি রেইনবো স্টেট তৈরি করতে চাই, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “একটি সংগঠনের দাবির ভিত্তিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। যখন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, তখন তারা ভর্তি ছিল না, তাই ভোটার হওয়ার যোগ্যতাও ছিল না। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে বর্তমান তফসিল অনুযায়ী এ পরিবর্তন করা যাব
৮ ঘণ্টা আগেপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকালে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা একটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভেঙে ফেলেন ও একটি টেবিল উল্টে দেন। এরপর ফটকে তালা মেরে স্লোগান দেন— ‘প্রথম বর্ষের ভোটাধিকার দিতে হবে’, ‘রাকসু ফি দিয়েছি, ভোটার হতে চেয়েছি’, ‘রাকসু আমার অধিকার, তুমি কে বাদ দেওয়ার’ ইত্যাদি।
৯ ঘণ্টা আগেপুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দোজাহান মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমজাদ মিয়ার দুই বছর আগে থেকেই সামাজিক, গ্রাম্য সালিশ ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
১২ ঘণ্টা আগে