
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত উভয় প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে দয়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকারী দুই চেয়ারম্যান হচ্ছেন ছাইদুল ইসলাম বাবুল ও ফরিদ মিয়া।
জানা যায়, ২০২২ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ছাইদুল ইসলাম বাবুল লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। ওই বছরের ১০ মার্চ শপথ গ্রহণের পর ২ বছর ৩ মাস ইউপি চেয়ারম্যান পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে একই নির্বাচনে ছাইদুলের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মো. ফরিদ মিয়া। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন। পরে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা করে আইনি লড়াইয়ের পর চেয়ারম্যান পদ ফিরে পান। পরে তিনিও শপথ নিয়ে ওই পদে বসে দায়িত্ব পালন করেন। ফরিদ মিয়া প্রায় এক বছর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। গতকাল বুধবার পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে ছাইদুল ইসলাম উচ্চ আদলত (হাইকোর্ট) থেকে রায় নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইউপি চেয়ারম্যান পদে বারবার রদবদলের ঘটনায় হতবাক মাইজবাগ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা। তারা বুঝতে পারছেন না কে তাদের চেয়ারম্যান।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২২ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ওই নির্বাচনে বিজয়ী হন ছাইদুল ইসলাম বাবুল। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফরিদ মিয়া।
নির্বাচনী ফলাফলে সংক্ষুদ্ধ হয়ে ফরিদ মিয়া ময়মনসিংহের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি মামলার রায় প্রদান করেন। আদালত ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ঘোষণা করেন। ভোট পুনরায় গণনায় প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী ফরিদ মিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করেন আদালত। সে অনুযায়ী ফরিদ মিয়ার নামে গেজেট প্রকাশ ও তাকে শপথ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ৫ মে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক আদালতের রায়ে বিজয়ী ফরিদ মিয়াকে শপথ বাক্য পাঠ করান। পরে তিনি মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বসেন।
এদিকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ছাইদুল ইসলাম বাবুল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে পৃথক দুটি রিট (নং ৭০৬০/২০২৩ ও ২১৯/২৫) আবেদন করেন। রিট দুটি শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ ময়মনসিংহ জেলা নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল ও আপিল নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।
ছাইদুল ইসলাম বাবুল জানান, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের আদেশের ওপর উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ও নানা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে গত বৃহস্পতিবার তিনি চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেয়েছেন।
অন্যদিকে সদ্য চেয়ারম্যান পদ হারানো ফরিদ মিয়া জানান, এ বিষয়ে তিনি আবার আইনি পদক্ষেপ নেবেন।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান জানান, জেলা প্রশাসকের চিঠি পাবার পর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি গত বুধবার ছাইদুল ইসলামকে অবগত করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত উভয় প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে দয়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকারী দুই চেয়ারম্যান হচ্ছেন ছাইদুল ইসলাম বাবুল ও ফরিদ মিয়া।
জানা যায়, ২০২২ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ছাইদুল ইসলাম বাবুল লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। ওই বছরের ১০ মার্চ শপথ গ্রহণের পর ২ বছর ৩ মাস ইউপি চেয়ারম্যান পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে একই নির্বাচনে ছাইদুলের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মো. ফরিদ মিয়া। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন। পরে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা করে আইনি লড়াইয়ের পর চেয়ারম্যান পদ ফিরে পান। পরে তিনিও শপথ নিয়ে ওই পদে বসে দায়িত্ব পালন করেন। ফরিদ মিয়া প্রায় এক বছর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। গতকাল বুধবার পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে ছাইদুল ইসলাম উচ্চ আদলত (হাইকোর্ট) থেকে রায় নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইউপি চেয়ারম্যান পদে বারবার রদবদলের ঘটনায় হতবাক মাইজবাগ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা। তারা বুঝতে পারছেন না কে তাদের চেয়ারম্যান।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২২ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ওই নির্বাচনে বিজয়ী হন ছাইদুল ইসলাম বাবুল। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফরিদ মিয়া।
নির্বাচনী ফলাফলে সংক্ষুদ্ধ হয়ে ফরিদ মিয়া ময়মনসিংহের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি মামলার রায় প্রদান করেন। আদালত ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ঘোষণা করেন। ভোট পুনরায় গণনায় প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী ফরিদ মিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করেন আদালত। সে অনুযায়ী ফরিদ মিয়ার নামে গেজেট প্রকাশ ও তাকে শপথ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ৫ মে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক আদালতের রায়ে বিজয়ী ফরিদ মিয়াকে শপথ বাক্য পাঠ করান। পরে তিনি মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বসেন।
এদিকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ছাইদুল ইসলাম বাবুল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে পৃথক দুটি রিট (নং ৭০৬০/২০২৩ ও ২১৯/২৫) আবেদন করেন। রিট দুটি শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ ময়মনসিংহ জেলা নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল ও আপিল নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।
ছাইদুল ইসলাম বাবুল জানান, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের আদেশের ওপর উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ও নানা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে গত বৃহস্পতিবার তিনি চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেয়েছেন।
অন্যদিকে সদ্য চেয়ারম্যান পদ হারানো ফরিদ মিয়া জানান, এ বিষয়ে তিনি আবার আইনি পদক্ষেপ নেবেন।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান জানান, জেলা প্রশাসকের চিঠি পাবার পর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি গত বুধবার ছাইদুল ইসলামকে অবগত করা হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোরে জেলার দাউদকান্দি, বুড়িচং (নিমসার), চান্দিনা ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
১২ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের লাঠিটিলার ডোমাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা পরিবেশ ও সংবাদকর্মী খোর্শেদ আলম। ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে হলুদ তরমুজ চাষাবাদের শখ জাগে তার। পরীক্ষামূলকভাবে ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো এই তরমুজ চাষ করে সফল হন তিনি। এর পর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাম্পার ফলন হলেও ক্রেতা সংকটে বিপাকে পড়েছেন বরগুনার আমতলীর তরমুজ চাষিরা। বড় পাইকার না থাকায় উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করতে না পেরে চাষিদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। এ অবস্থায় উপজেলায় অন্তত শতকোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বরগুনার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভবনের সংকটে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে। সাম্প্রতিক ঝড়ে বিদ্যালয়ের আধাপাকা ভবনের টিনের চালা উড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন গাছতলায়, কখনও রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে