
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মা-বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাঁদের একমাত্র ছেলে রিমন দাশ গুপ্তকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের গুজরা গ্রামের কুনীরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তাঁর স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত রিমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন রিমন। চাকরি ও সংসারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই তাঁর সঙ্গে মা-বাবার বিরোধ হতো। শনিবার দুপুরেও একই কারণে তর্কের একপর্যায়ে তিনি প্রথমে ঘাস কাটার কাস্তে ও কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে মায়ের গলায় এলোপাতাড়ি কোপ দেন। বাবা বাধা দিতে গেলে তাকেও একইভাবে আঘাত করেন।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রিমনকে আটক করেন। ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্তের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত স্বপন দাশ গুপ্তকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ, রিমন কয়েক বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তাঁকে একাধিকবার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাও করানো হয়েছে। এ বিষয় নিয়েও পরিবারের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত।
নিহতের প্রতিবেশী কল্যাণ দাশ গুপ্ত বলেন, প্রায় পাঁচ-ছয় বছর ধরে রিমন মাদকে আসক্ত। বিভিন্ন সময় চিকিৎসা করানো হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। ঘটনার সময় চিৎকার শুনে গিয়ে তারা দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে রিমনকে ধরে পুলিশে খবর দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মেরী দাশ গুপ্ত জানান, তিনি বাইরে কাজ করছিলেন। চিৎকার শুনে এসে দেখেন, রিমন তাঁর বাবাকে কাঁচি দিয়ে আঘাত করছেন। এর আগে তিনি মাকেও কুপিয়ে হত্যা করেন।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কল্পনা দাশ গুপ্তের মরদেহ এবং হাসপাতাল থেকে স্বপন দাশ গুপ্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য দুটিরই মরদেহ মর্গে পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্ত রিমন দাশ গুপ্তকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চাকরি না করা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে মাদকাসক্তির অভিযোগটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মা-বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাঁদের একমাত্র ছেলে রিমন দাশ গুপ্তকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের গুজরা গ্রামের কুনীরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তাঁর স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত রিমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন রিমন। চাকরি ও সংসারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই তাঁর সঙ্গে মা-বাবার বিরোধ হতো। শনিবার দুপুরেও একই কারণে তর্কের একপর্যায়ে তিনি প্রথমে ঘাস কাটার কাস্তে ও কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে মায়ের গলায় এলোপাতাড়ি কোপ দেন। বাবা বাধা দিতে গেলে তাকেও একইভাবে আঘাত করেন।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রিমনকে আটক করেন। ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্তের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত স্বপন দাশ গুপ্তকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ, রিমন কয়েক বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তাঁকে একাধিকবার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাও করানো হয়েছে। এ বিষয় নিয়েও পরিবারের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত।
নিহতের প্রতিবেশী কল্যাণ দাশ গুপ্ত বলেন, প্রায় পাঁচ-ছয় বছর ধরে রিমন মাদকে আসক্ত। বিভিন্ন সময় চিকিৎসা করানো হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। ঘটনার সময় চিৎকার শুনে গিয়ে তারা দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে রিমনকে ধরে পুলিশে খবর দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মেরী দাশ গুপ্ত জানান, তিনি বাইরে কাজ করছিলেন। চিৎকার শুনে এসে দেখেন, রিমন তাঁর বাবাকে কাঁচি দিয়ে আঘাত করছেন। এর আগে তিনি মাকেও কুপিয়ে হত্যা করেন।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কল্পনা দাশ গুপ্তের মরদেহ এবং হাসপাতাল থেকে স্বপন দাশ গুপ্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য দুটিরই মরদেহ মর্গে পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্ত রিমন দাশ গুপ্তকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চাকরি না করা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে মাদকাসক্তির অভিযোগটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বর এলাকায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মিরপুরের ই-ব্লকের ওপেক্স পোশাক কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৪ জুলাই) গভীর রাতে শহরের হাড়িখালী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নিজাম উদ্দীন শান্ত বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে। তিনি বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে
ভারতের নয়া দিল্লিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকায় একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা আন্দোলনকারীদের ওপর রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে দমন-পীড়নের নিন্দা জানান।
১ দিন আগে