
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আশুলিয়ায় স্বামী ও গর্ভের সন্তানসহ নারী খুনের ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, নিহত নাজমা খাতুনের বিয়ের আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের জেরে নাজমা, তার স্বামী আলমগীর ও তাদের গর্ভস্থ সন্তানকে হত্যার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মনিরুজ্জামান হৃদয় নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন হৃদয়। পরে আদালতেও তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিয়ের আগে থেকেই নাজমার সঙ্গে হৃদয়ের প্রেমের সম্পর্ক ও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এ বিষয়টি নাজমার স্বামী আলমগীর জানতে পারলে হৃদয়ের সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের পরিণতিতেই নাজমা ও আলমগীর হত্যার শিকার হন বলে দাবি করেছে পিবিআই।
গত ৫ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় হযরত আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে পচা গন্ধ পান স্থানীয়রা। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে আশুলিয়া থানা পুলিশ গিয়ে তালাবদ্ধ কক্ষটির দরজা খোলে। সেখান থেকেই পোশাকশ্রমিক নাজমা খাতুন (৩৯), তার স্বামী আলমগীর কবির (৪৫) এবং তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম ওই দিনই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। পিবিআই জানিয়েছে, মামলা হওয়ার পর থেকেই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে মামলাটি সিডিউলভুক্ত হওয়ায় ৮ সেপ্টেম্বর স্বউদ্যোগে তদন্তের দায়িত্ব নেয় সংস্থাটি। মামলাটির তদন্ত করছেন এসআই আনিসুর রহমান।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, তরকারি বিক্রেতা হৃদয়ের সঙ্গে আলমগীরের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আলমগীর বেকার ছিলেন। দুজনের বাসার দূরত্বও খুব বেশি ছিল না— হেঁটে যেতে সময় লাগত প্রায় ১০ মিনিট।
পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বিয়ের আগে থেকেই নাজমার সঙ্গে হৃদয়ের প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর আলমগীরের সঙ্গে হৃদয়ের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর হৃদয়ের বাসায় গিয়ে তাকে নিজেদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে আগের সম্পর্কের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আলমগীর হৃদয়কে মারধর করতে থাকেন। এ সময় নাজমাও ঝাঁটা দিয়ে হৃদয়কে আঘাত করেন বলে জবানবন্দিতে বলা হয়েছে। পরে হৃদয়ও ধাক্কাধাক্কি ও ঘুষি দিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে তিনি নাজমার পেটে লাথি মারলে তিনি পড়ে যান।’
‘এতে নাজমার পেটে আঘাত লাগে এবং তার গর্ভের সন্তান মারা যায় বলে হৃদয় জবানবন্দিতে দাবি করেছেন। এরপর আলমগীর খুন্তি ও পাইপ দিয়ে হৃদয়কে আঘাত করেন। তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে হৃদয় আলমগীরের গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহগুলো খাটের ওপর রেখে হৃদয় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ সময় নাজমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিম, অফিসের পরিচয়পত্র ও পার্সও নিয়ে যান বলে তদন্তে পাওয়া গেছে,’ যোগ করেন তিনি।
হৃদয়কে গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেন, ‘পিবিআইয়ের একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৮ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। পরে তার বাসা থেকে নাজমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিম, অফিসের পরিচয়পত্র ও পার্স উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাকে আদালতে পাঠানো হলে হৃদয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’
তিনি বলেন, ‘ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই রহস্য উদঘাটনে ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখি। ভুক্তভোগীদের আগে কার সঙ্গে সম্পর্ক ও চলাফেরা ছিল, তা নির্ণয় করে যাচাই করা হয়। সর্বশেষ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে আসামিকে গ্রেপ্তার ও আলামত উদ্ধার করতে সক্ষম হই। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পিবিআই আরও জানিয়েছে, হৃদয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও আশুলিয়া থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালে হওয়া ওই মামলায় ২০২৩ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
বর্তমান মামলায় গ্রেপ্তারের পর হৃদয়কে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করছে পিবিআই। একই সঙ্গে এ ঘটনায় হৃদয় ছাড়া অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আশুলিয়ায় স্বামী ও গর্ভের সন্তানসহ নারী খুনের ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, নিহত নাজমা খাতুনের বিয়ের আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের জেরে নাজমা, তার স্বামী আলমগীর ও তাদের গর্ভস্থ সন্তানকে হত্যার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মনিরুজ্জামান হৃদয় নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন হৃদয়। পরে আদালতেও তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিয়ের আগে থেকেই নাজমার সঙ্গে হৃদয়ের প্রেমের সম্পর্ক ও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এ বিষয়টি নাজমার স্বামী আলমগীর জানতে পারলে হৃদয়ের সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের পরিণতিতেই নাজমা ও আলমগীর হত্যার শিকার হন বলে দাবি করেছে পিবিআই।
গত ৫ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় হযরত আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে পচা গন্ধ পান স্থানীয়রা। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে আশুলিয়া থানা পুলিশ গিয়ে তালাবদ্ধ কক্ষটির দরজা খোলে। সেখান থেকেই পোশাকশ্রমিক নাজমা খাতুন (৩৯), তার স্বামী আলমগীর কবির (৪৫) এবং তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম ওই দিনই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। পিবিআই জানিয়েছে, মামলা হওয়ার পর থেকেই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে মামলাটি সিডিউলভুক্ত হওয়ায় ৮ সেপ্টেম্বর স্বউদ্যোগে তদন্তের দায়িত্ব নেয় সংস্থাটি। মামলাটির তদন্ত করছেন এসআই আনিসুর রহমান।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, তরকারি বিক্রেতা হৃদয়ের সঙ্গে আলমগীরের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আলমগীর বেকার ছিলেন। দুজনের বাসার দূরত্বও খুব বেশি ছিল না— হেঁটে যেতে সময় লাগত প্রায় ১০ মিনিট।
পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বিয়ের আগে থেকেই নাজমার সঙ্গে হৃদয়ের প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর আলমগীরের সঙ্গে হৃদয়ের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর হৃদয়ের বাসায় গিয়ে তাকে নিজেদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে আগের সম্পর্কের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আলমগীর হৃদয়কে মারধর করতে থাকেন। এ সময় নাজমাও ঝাঁটা দিয়ে হৃদয়কে আঘাত করেন বলে জবানবন্দিতে বলা হয়েছে। পরে হৃদয়ও ধাক্কাধাক্কি ও ঘুষি দিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে তিনি নাজমার পেটে লাথি মারলে তিনি পড়ে যান।’
‘এতে নাজমার পেটে আঘাত লাগে এবং তার গর্ভের সন্তান মারা যায় বলে হৃদয় জবানবন্দিতে দাবি করেছেন। এরপর আলমগীর খুন্তি ও পাইপ দিয়ে হৃদয়কে আঘাত করেন। তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে হৃদয় আলমগীরের গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহগুলো খাটের ওপর রেখে হৃদয় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ সময় নাজমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিম, অফিসের পরিচয়পত্র ও পার্সও নিয়ে যান বলে তদন্তে পাওয়া গেছে,’ যোগ করেন তিনি।
হৃদয়কে গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেন, ‘পিবিআইয়ের একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৮ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। পরে তার বাসা থেকে নাজমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিম, অফিসের পরিচয়পত্র ও পার্স উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাকে আদালতে পাঠানো হলে হৃদয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’
তিনি বলেন, ‘ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই রহস্য উদঘাটনে ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখি। ভুক্তভোগীদের আগে কার সঙ্গে সম্পর্ক ও চলাফেরা ছিল, তা নির্ণয় করে যাচাই করা হয়। সর্বশেষ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে আসামিকে গ্রেপ্তার ও আলামত উদ্ধার করতে সক্ষম হই। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পিবিআই আরও জানিয়েছে, হৃদয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও আশুলিয়া থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালে হওয়া ওই মামলায় ২০২৩ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
বর্তমান মামলায় গ্রেপ্তারের পর হৃদয়কে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করছে পিবিআই। একই সঙ্গে এ ঘটনায় হৃদয় ছাড়া অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিদিশার জামিনের সব কাগজপত্র কারাগারে আসার পর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সব নথিপত্র ঠিকঠাক থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশ হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগে করা একটি মামলায় হাফিজুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
বিটিসিএলের ওই কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. সাইফুল বলেন, সকালে তিনজন যুবক বিটিসিএল অফিসের দেয়াল টপকে ‘চুরির উদ্দেশ্যে’ ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করেন। এতে দুজন পালিয়ে যেতে পারলেও একজন ধরা পড়ে।
১ দিন আগে
জয়পুরহাট সদর উপজেলায় পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে বিলকিস বানু (৫০) মারা যান।
২ দিন আগে