
নড়াইল প্রতিনিধি

গত আগস্টে ঘোষিত নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। তারা বলছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের নিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নড়াইল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, এ কমিটি বাতিল করে তৃণমূলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কাউন্সিল করে কমিটি ঘোষণা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান আলেক বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে। তা না করে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের সমন্বয়ে কমিটি করে নড়াইলে পাঠিয়েছেন।
‘আমরা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠন করা এ কমিটি মানি না। দ্রুত কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। তা না হলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন,’— বলেন মোস্তাফিজুর রহমান আলেক।
সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মতিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ বাদশা মিয়াসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন।
এর আগে গত ২১ আগস্ট বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমিটি ঘোষণা করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনছুর আহম্মদকে আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোখতার আলীকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ওই কমিটিতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নইম জাহাঙ্গীর ও সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহম্মেদ খানের সই রয়েছে।
এদিকে নতুন জেলা কমিটি নড়াইল সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি ঘোষণা করেছে। এ কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আজিবর রহমানকে আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তবিবর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

গত আগস্টে ঘোষিত নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। তারা বলছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের নিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নড়াইল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, এ কমিটি বাতিল করে তৃণমূলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কাউন্সিল করে কমিটি ঘোষণা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান আলেক বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে। তা না করে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের সমন্বয়ে কমিটি করে নড়াইলে পাঠিয়েছেন।
‘আমরা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠন করা এ কমিটি মানি না। দ্রুত কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। তা না হলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন,’— বলেন মোস্তাফিজুর রহমান আলেক।
সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মতিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ বাদশা মিয়াসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন।
এর আগে গত ২১ আগস্ট বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমিটি ঘোষণা করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনছুর আহম্মদকে আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোখতার আলীকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ওই কমিটিতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নইম জাহাঙ্গীর ও সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহম্মেদ খানের সই রয়েছে।
এদিকে নতুন জেলা কমিটি নড়াইল সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি ঘোষণা করেছে। এ কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আজিবর রহমানকে আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তবিবর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা বাসটার্মিনাল ইজারার নামে এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) সড়ক ইজারা দিয়ে টোল আদায় করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে। ওই সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে জোরপূর্বক ১০ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
নিহতরা হলেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার জিন্দা এলাকার মনজুর হোসেনের ছেলে নওশের আকন্দ (১৬) ও একই এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে মিহাদ আকন্দ (১৫)।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিবারই সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো কমিটি বাতিল করে নতুন একনেক গঠিত হয়। এই একনেক সভায় উন্নয়ন প্রকল্প পাস হয়। তবে একনেক সভায় যে মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প ওঠে, সেই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে উপস্থিত থাকতে হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ভিডিওতে দেখা যায়, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহর আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালে আদালত কক্ষের দরজা খুলে কয়েকজন আইনজীবী এজলাসে প্রবেশ করেন। চিৎকার করতে করতে তারা এজলাসে বসার বেঞ্চগুলোতে ধাক্কা দেন। একজন আইনজীবী বিচারকের সামনে গিয়ে আঙুল তুলে কথা বলেন। তিনি বিচারকের সামনে
১৮ ঘণ্টা আগে