
অলীপ ঘটক, বাগেরহাট

তিন মাস বন্ধ থাকার পর আজ মঙ্গলবার খুলে দেওয়া হয়েছে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন। দীর্ঘ এই সময়ে মানুষের আনাগোনা কম থাকায় বনের স্বাভাবিক পরিবেশ অনেকটাই ফিরে এসেছে। হরিণের অবাধ বিচরণ, কুমিরের নিশ্চিন্তে রোদ পোহানো আর পাখির কলকাকলিতে যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বন। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিনে পর্যটকের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম; এ দিন প্রায় ৩০০ দেশি-বিদেশি পর্যটক সুন্দরবন দর্শনে এসেছেন।
দীর্ঘ তিন মাস বনে ছিল সুনসান নীরবতা। ছিল না জেলে-বাওয়ালির কোলাহল, পর্যটকের পদচারণা কিংবা নৌযানের শব্দ। মানুষের আনাগোনা কম থাকায় এ সময়ে সুন্দরবন নিজের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। বনের চরে নির্ভয়ে ঘাস খেয়েছে হরিণের পাল, খালের পাড়ে রোদ পোহিয়েছে কুমির। গাছের ডালে ডালে পাখির কলকাকলিতে মুখর ছিল বন। আর বনের গহিনে বাঘের বিচরণে ফিরে এসেছে সুন্দরবনের নিজস্ব ছন্দ।
মাছ ও বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি, বিচরণ ও প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ, মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ ও পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। চলতি বছরও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। এ সময়ে বনজ সম্পদের ওপর মানুষের চাপ কম থাকায় প্রাণ-প্রকৃতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সুন্দরবনকেন্দ্রিক অপরাধ কর্মকাণ্ডও কমেছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে সুন্দরবনে বনরক্ষীরা ৬৩টি অভিযান পরিচালনা করেছেন। এসব অভিযানে বন অপরাধের ঘটনায় ৩৯টি মামলা করা হয়েছে এবং ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ সময় ১২টি ট্রলার, ৫০টি নৌকা, ৫৫টি মাছ ধরার জাল, ২৮ বোতল ও দুই লিটার তরল বিষ এবং ৬ হাজার ২৯০টি হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮৬ কেজি বিষযুক্ত মাছ, ৭৩৬ কেজি কাঁকড়া, ১ হাজার ৫৬২টি চারু, ২ হাজার বড়শি, ১৭০ কেজি মধু এবং দুই বস্তায় থাকা পাঁচ কেজি শুঁটকি মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। বন বিভাগ বলছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর বন অপরাধের পরিমাণ কমেছে।
বাগেরহাট সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, তিন মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সুন্দরবনে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩০০ দেশি-বিদেশি পর্যটক সুন্দরবনে ঘুরতে এসেছেন।
তিনি বলেন, বন্ধ থাকার তিন মাস সুন্দরবন ছিল নীরব ও কোলাহলমুক্ত। এ সময়ে বনের নদী-খালে মাছের বংশবৃদ্ধির সুযোগ হয়েছে। বাঘ, হরিণসহ বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ ও প্রজননের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যান্ত্রিক শব্দদূষণ, পর্যটকদের বাড়তি চাপ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ কমে যাওয়ায় বনের গহিন অঞ্চলে উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। সবুজে ভরে উঠেছে বনের উদ্ভিদরাজি।
রেজাউল করিম চৌধুরী আরও বলেন, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় বন বিভাগ এখন আগের তুলনায় বেশি তৎপর ও প্রযুক্তিনির্ভর। দুর্গম বনাঞ্চলে নিয়মিত বিশেষ অভিযান ও স্মার্ট পেট্রোলিং জোরদারের পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথেও নিবিড় নজরদারি করা হচ্ছে। ফলে হরিণ শিকারি ও বিষ প্রয়োগকারী অসাধু চক্রের তৎপরতা অনেকটাই বন্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, তিন মাস মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকায় বনের গহিন অঞ্চলে এক ধরনের স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। হরিণের দল মানুষের ভয় ছাড়াই চরে ঘুরে বেড়িয়েছে, বনের খালে কুমির নির্বিঘ্নে বিচরণ করেছে এবং পাখিরা নিশ্চিন্তে গাছের ডালে বাসা বেঁধেছে। প্রজনন মৌসুমে বন্যপ্রাণীরা তুলনামূলক নিরাপদ পরিবেশ পেয়েছে। ফলে নিষেধাজ্ঞার সময়টিকে সুন্দরবনের জন্য এক ধরনের ‘বিশ্রামের সময়’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন শুধু বাঘ-হরিণের আবাসস্থল নয়; বিপুলসংখ্যক উদ্ভিদ, পাখি, সরীসৃপ, উভচর ও জলজ প্রাণীরও নিরাপদ আশ্রয় এটি। বনের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের নীরবতা বা নিস্তব্ধতা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, মানবসৃষ্ট চাপ কম থাকায় বনের ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র নিজের ক্ষত নিজেই নিরাময় করতে শুরু করে। বিশেষ করে বাঘ ও হরিণসহ বন্যপ্রাণীর প্রজননের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত কার্যকর। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সুন্দরবনের কেওড়া, সুন্দরী ও বাইনগাছের চারাগুলো কোনো বাধা ছাড়াই দ্রুত বেড়ে উঠেছে। এতে ধীরে ধীরে বনের ঘনত্ব বাড়ছে এবং প্রাণীদের আবাসস্থলও সমৃদ্ধ হচ্ছে।
এদিকে, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে ফিরেছেন জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটকরা। তাদের প্রবেশকে কেন্দ্র করে বন বিভাগও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। একই সঙ্গে বৈধভাবে জেলে-বাওয়ালিদের পাস-পারমিট দেওয়া, নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বনজীবীদের প্রবেশ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও বনজ সম্পদ রক্ষায় নজরদারি জোরদার করেছে বন বিভাগ।
উল্লেখ্য, ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হতো। পরে ২০২২ সালে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট করা হয়। এ সময়ে কর্মহীন জেলেদের মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়।

তিন মাস বন্ধ থাকার পর আজ মঙ্গলবার খুলে দেওয়া হয়েছে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন। দীর্ঘ এই সময়ে মানুষের আনাগোনা কম থাকায় বনের স্বাভাবিক পরিবেশ অনেকটাই ফিরে এসেছে। হরিণের অবাধ বিচরণ, কুমিরের নিশ্চিন্তে রোদ পোহানো আর পাখির কলকাকলিতে যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বন। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিনে পর্যটকের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম; এ দিন প্রায় ৩০০ দেশি-বিদেশি পর্যটক সুন্দরবন দর্শনে এসেছেন।
দীর্ঘ তিন মাস বনে ছিল সুনসান নীরবতা। ছিল না জেলে-বাওয়ালির কোলাহল, পর্যটকের পদচারণা কিংবা নৌযানের শব্দ। মানুষের আনাগোনা কম থাকায় এ সময়ে সুন্দরবন নিজের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। বনের চরে নির্ভয়ে ঘাস খেয়েছে হরিণের পাল, খালের পাড়ে রোদ পোহিয়েছে কুমির। গাছের ডালে ডালে পাখির কলকাকলিতে মুখর ছিল বন। আর বনের গহিনে বাঘের বিচরণে ফিরে এসেছে সুন্দরবনের নিজস্ব ছন্দ।
মাছ ও বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি, বিচরণ ও প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ, মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ ও পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। চলতি বছরও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। এ সময়ে বনজ সম্পদের ওপর মানুষের চাপ কম থাকায় প্রাণ-প্রকৃতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সুন্দরবনকেন্দ্রিক অপরাধ কর্মকাণ্ডও কমেছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে সুন্দরবনে বনরক্ষীরা ৬৩টি অভিযান পরিচালনা করেছেন। এসব অভিযানে বন অপরাধের ঘটনায় ৩৯টি মামলা করা হয়েছে এবং ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ সময় ১২টি ট্রলার, ৫০টি নৌকা, ৫৫টি মাছ ধরার জাল, ২৮ বোতল ও দুই লিটার তরল বিষ এবং ৬ হাজার ২৯০টি হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮৬ কেজি বিষযুক্ত মাছ, ৭৩৬ কেজি কাঁকড়া, ১ হাজার ৫৬২টি চারু, ২ হাজার বড়শি, ১৭০ কেজি মধু এবং দুই বস্তায় থাকা পাঁচ কেজি শুঁটকি মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। বন বিভাগ বলছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর বন অপরাধের পরিমাণ কমেছে।
বাগেরহাট সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, তিন মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সুন্দরবনে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩০০ দেশি-বিদেশি পর্যটক সুন্দরবনে ঘুরতে এসেছেন।
তিনি বলেন, বন্ধ থাকার তিন মাস সুন্দরবন ছিল নীরব ও কোলাহলমুক্ত। এ সময়ে বনের নদী-খালে মাছের বংশবৃদ্ধির সুযোগ হয়েছে। বাঘ, হরিণসহ বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ ও প্রজননের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যান্ত্রিক শব্দদূষণ, পর্যটকদের বাড়তি চাপ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ কমে যাওয়ায় বনের গহিন অঞ্চলে উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। সবুজে ভরে উঠেছে বনের উদ্ভিদরাজি।
রেজাউল করিম চৌধুরী আরও বলেন, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় বন বিভাগ এখন আগের তুলনায় বেশি তৎপর ও প্রযুক্তিনির্ভর। দুর্গম বনাঞ্চলে নিয়মিত বিশেষ অভিযান ও স্মার্ট পেট্রোলিং জোরদারের পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথেও নিবিড় নজরদারি করা হচ্ছে। ফলে হরিণ শিকারি ও বিষ প্রয়োগকারী অসাধু চক্রের তৎপরতা অনেকটাই বন্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, তিন মাস মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকায় বনের গহিন অঞ্চলে এক ধরনের স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। হরিণের দল মানুষের ভয় ছাড়াই চরে ঘুরে বেড়িয়েছে, বনের খালে কুমির নির্বিঘ্নে বিচরণ করেছে এবং পাখিরা নিশ্চিন্তে গাছের ডালে বাসা বেঁধেছে। প্রজনন মৌসুমে বন্যপ্রাণীরা তুলনামূলক নিরাপদ পরিবেশ পেয়েছে। ফলে নিষেধাজ্ঞার সময়টিকে সুন্দরবনের জন্য এক ধরনের ‘বিশ্রামের সময়’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন শুধু বাঘ-হরিণের আবাসস্থল নয়; বিপুলসংখ্যক উদ্ভিদ, পাখি, সরীসৃপ, উভচর ও জলজ প্রাণীরও নিরাপদ আশ্রয় এটি। বনের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের নীরবতা বা নিস্তব্ধতা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, মানবসৃষ্ট চাপ কম থাকায় বনের ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র নিজের ক্ষত নিজেই নিরাময় করতে শুরু করে। বিশেষ করে বাঘ ও হরিণসহ বন্যপ্রাণীর প্রজননের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত কার্যকর। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সুন্দরবনের কেওড়া, সুন্দরী ও বাইনগাছের চারাগুলো কোনো বাধা ছাড়াই দ্রুত বেড়ে উঠেছে। এতে ধীরে ধীরে বনের ঘনত্ব বাড়ছে এবং প্রাণীদের আবাসস্থলও সমৃদ্ধ হচ্ছে।
এদিকে, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে ফিরেছেন জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটকরা। তাদের প্রবেশকে কেন্দ্র করে বন বিভাগও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। একই সঙ্গে বৈধভাবে জেলে-বাওয়ালিদের পাস-পারমিট দেওয়া, নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বনজীবীদের প্রবেশ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও বনজ সম্পদ রক্ষায় নজরদারি জোরদার করেছে বন বিভাগ।
উল্লেখ্য, ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হতো। পরে ২০২২ সালে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট করা হয়। এ সময়ে কর্মহীন জেলেদের মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সন্ধ্যায় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি উলটে অটোরিকশার ওপর পড়ে। দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় তিনজনের। আরও দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উলটে আট যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জনমনে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। খালেদ হোসেন পরাগ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী হিসেবে কর্ম
১ দিন আগে
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ফেরদৌস স্টিলের ঘটনায় কারও গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১ দিন আগে