
পাবনা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জনমনে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী হিসেবে কর্মরত।
পরাগের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন পাবনা জেলা বিএনপির নেতারা। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনেও এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
বিএনপি নেতাদের পক্ষে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, মাহমুদুন্নবী স্বপন, মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম মুসা, সদস্য সচিব রেহানুল ইসলাম বুলালসহ অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, জাসাস পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগ ফেসবুকের মাধ্যমে পাবনার কিছু ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন আইডির মাধ্যমে ফেসবুকে খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগও প্রচারিত হচ্ছে। এ কারণে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে সাধারণ জনগণের কাছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব বিষয় নিয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ যখনই খালেদ হোসেন পরাগের সঙ্গে কথা বলতে বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন, তখনই তিনি উত্তেজিত হয়েছেন এবং প্রায় সব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন।
ব্যক্তিবিশেষের কোনো কৃতকর্মের জন্য দেশের জনগণের কাছে দল এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক—এটি কখনোই প্রত্যাশিত নয়। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
লিখিত অভিযোগে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান খন্দকারসহ সাতজন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা সই করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগ বলেন, ‘তোমার যা খুশি লেখো। ওরা কী কইছে, না কইছে, তা নিয়ে আমার ভাবার সময় নাই। ওদের কথার দুই পয়সা দাম দেই না আমি। যা খুশি লেখো তোমরা, ঠিক আছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২ আগস্ট খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে পাবনায় সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জনমনে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী হিসেবে কর্মরত।
পরাগের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন পাবনা জেলা বিএনপির নেতারা। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনেও এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
বিএনপি নেতাদের পক্ষে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, মাহমুদুন্নবী স্বপন, মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম মুসা, সদস্য সচিব রেহানুল ইসলাম বুলালসহ অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, জাসাস পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগ ফেসবুকের মাধ্যমে পাবনার কিছু ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন আইডির মাধ্যমে ফেসবুকে খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগও প্রচারিত হচ্ছে। এ কারণে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে সাধারণ জনগণের কাছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব বিষয় নিয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ যখনই খালেদ হোসেন পরাগের সঙ্গে কথা বলতে বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন, তখনই তিনি উত্তেজিত হয়েছেন এবং প্রায় সব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন।
ব্যক্তিবিশেষের কোনো কৃতকর্মের জন্য দেশের জনগণের কাছে দল এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক—এটি কখনোই প্রত্যাশিত নয়। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
লিখিত অভিযোগে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান খন্দকারসহ সাতজন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা সই করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগ বলেন, ‘তোমার যা খুশি লেখো। ওরা কী কইছে, না কইছে, তা নিয়ে আমার ভাবার সময় নাই। ওদের কথার দুই পয়সা দাম দেই না আমি। যা খুশি লেখো তোমরা, ঠিক আছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২ আগস্ট খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে পাবনায় সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়।

সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরেছিলেন চট্টগ্রাম পুলিশের তালিকাভুক্ত ‘সন্ত্রাসী’ জাহিদুল ইসলাম ওরফে পিচ্চি জাহিদ। তবে বেরিয়েই হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেন বিভিন্ন থানায় অন্তত এক ডজন মামলার আসামী জাহিদ।
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বামীবাগের মুন্সিরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ তিনজন হলেন— হোটেল কর্মচারী মো. সিয়াম (২২), চা দোকানি আলমগীর হোসেন (৩২) ও গৃহিণী আশা আক্তার (২৮)।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে নেওয়ার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের লালদিয়ায় এপিএম টার্মিনাল নির্মাণকে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক হাবে পরিণত হবে।
১ দিন আগে
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের ভারতীয় অংশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের ভাষ্য, তিনি রাখালের কাজ করতেন।
১ দিন আগে