
রাজশাহী ব্যুরো

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সেখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন এবং বিএনপির সঙ্গে থেকেই কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।
এর আগে বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিএনপিতে যোগ দেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো দল হিসেবে কেবল বিএনপিকেই দেখছেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। আর এ কারণেই তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন।
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন আবু সাইয়িদ। পরদিন ২১ জানুয়ারি গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবেই দলটিতে যোগ দেন।
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য আবু সাইয়িদ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৮ (বেড়া-সাঁথিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬ সালে একই আসন (পরিবর্তিত পাবনা-১) থেকে আবার সংসদ সদস্য হন তিনি। ওই সময় শেখ হাসিনার সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
এর আগে-পরে অধ্যাপক সাইয়িদ ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদে বাকশালের প্রার্থী, ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে গণফোরাম থেকে নির্বাচন করে হেরে যান।
পাবনা-১ নির্বাচনি এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে আবু সাইয়িদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, সেখানে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে, তাকেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে এসব কর্মকাণ্ড চলছে বলে তিনি জানান।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে পাবনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমানকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন আবু সাইয়িদ। এতে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াত মনোনীত ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নজিবুর রহমান মোমেন ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল গনি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সেখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন এবং বিএনপির সঙ্গে থেকেই কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।
এর আগে বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিএনপিতে যোগ দেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো দল হিসেবে কেবল বিএনপিকেই দেখছেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। আর এ কারণেই তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন।
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন আবু সাইয়িদ। পরদিন ২১ জানুয়ারি গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবেই দলটিতে যোগ দেন।
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য আবু সাইয়িদ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৮ (বেড়া-সাঁথিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬ সালে একই আসন (পরিবর্তিত পাবনা-১) থেকে আবার সংসদ সদস্য হন তিনি। ওই সময় শেখ হাসিনার সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
এর আগে-পরে অধ্যাপক সাইয়িদ ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদে বাকশালের প্রার্থী, ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে গণফোরাম থেকে নির্বাচন করে হেরে যান।
পাবনা-১ নির্বাচনি এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে আবু সাইয়িদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, সেখানে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে, তাকেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে এসব কর্মকাণ্ড চলছে বলে তিনি জানান।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে পাবনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমানকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন আবু সাইয়িদ। এতে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াত মনোনীত ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নজিবুর রহমান মোমেন ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল গনি।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যাকেই ভোট দেবেন, বিবেচনা করে দেবেন। কারণ এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও ভাগ্য নির্ধারণ করবে।’
১১ ঘণ্টা আগে
সফরসূচি অনুযায়ী ২৮ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজশাহী পৌঁছাবেন। এরপর তিনি সরাসরি ঐতিহাসিক রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। সেখানে তিনি ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন এবং তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দ
১২ ঘণ্টা আগে
পার্থ আরও বলেন, ‘লোটাস কামাল থেকে আরম্ভ করে বিদ্যুতের যত চুরি, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার যে একটা ফ্যাসিস্ট ছিল— আপনাদের দোয়ায় ভোলার পার্থ সেটা বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে দিয়ে দিয়েছিলাম।’
১ দিন আগে
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জান।
১ দিন আগে