
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি কারাবন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দাম তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও সন্তানের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
সাদ্দামের পরিবার বলছে, নিয়ম মেনে প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছিল, তবে প্রশাসন তার মুক্তির উদ্যোগ নেয়নি। অন্যদিকে প্রশাসনের ভাষ্য, কারাবন্দি সাদ্দামের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি কারাবিধি মেনে তার স্বজনদের মরদেহ দেখার সুযোগ পান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে যশোর কারাগারে বন্দি ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে কারাফটকে নিয়ে এসে তার স্ত্রী (স্বর্ণালী) ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখানো হয়। এরপর সেদিন রাতে জানাজা শেষে রাত ১২টার দিকে স্বর্ণালীর বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় বিষয়ে তার ছোট ভাই শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ভাবী ও ভাতিজার মৃত্যুর পর তাদের শেষবারের জন্য দেখার সুযোগ দিতে আমাদের মামা হেমায়েত উদ্দিন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন। কারাবিধিতে অন্য জেলার কারাগারের বন্দি থাকলে স্থানীয় প্রশাসনের সরাসরি কিছু করার ক্ষমতা নেই। জেলা প্রশাসন যশোর কারাগারের ফটকে মরদেহ নিয়ে দেখানোর পরামর্শ দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেলার সাহেব জানান, যশোর জেলে চারজনের বেশি যেতে পারবেন না। সেই অনুযায়ী আমরা শনিবার সন্ধ্যায় ভাইকে শেষবারের জন্য ভাবী ও ভাতিজার মরদেহ দেখাই। যশোর জেলে আমাদের দুই মিনিট সময় দেওয়া হয়। চিৎকার-চেঁচামেচি করে আমরা আরও তিন মিনিট সময় নেই। প্রশাসন মোট পাঁচ মিনিটের জন্য সুযোগ দিয়েছে।’
“আমার ভাই শেষে আর এক মিনিট কথা বলার সুযোগ চাইলেও তা দেওয়া হয়নি। ভাইপোর মাথায় হাত দিয়ে আমার ভাই বলেছে, ‘আমি ভালো বাবা হতে পারলাম না, ভালো স্বামী হতে পারলাম না’,”— বলেন শহীদুল ইসলাম। আইনি প্রক্রিয়ার কারণে সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জটিলতা তৈরি হয় বলে জানান তিনি।
এদিকে পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘প্যারোলের একটি আবেদন এসেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছি। যেহেতু সাদ্দাম যশোরের কারাগারে ছিলেন, তাই আবেদন করতে হবে সেখানে— যশোর জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে। প্যারোলের ক্ষেত্রে মুক্তি পেলেও শুধুমাত্র ওই জেলার মধ্যেই হুকুম কার্যকর হবে। এখানকার প্রশাসন যশোর জেলা কারাগারকেও জানায় এবং কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে, যাতে তিনি (সাদ্দাম) সুন্দরভাবে মৃত স্বজনদের মরদেহ দেখতে পারেন। আমরা সেখানে যাওয়া ও দেখার বিষয়ে সহযোগিতা করেছি।’
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কানিজ সুবর্ণার মরদেহ ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং নাজিফের দেহ মেঝেতে পড়ে ছিল।
এ ঘটনায় সাদ্দামের শ্বশুর রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে গোপালগঞ্জ থেকে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে যশোর কারাগারে বন্দি। দুটি মামলায় তিনি এজাহারনামীয় আসামি এবং বাকি মামলাগুলোতে তাকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি কারাবন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দাম তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও সন্তানের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
সাদ্দামের পরিবার বলছে, নিয়ম মেনে প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছিল, তবে প্রশাসন তার মুক্তির উদ্যোগ নেয়নি। অন্যদিকে প্রশাসনের ভাষ্য, কারাবন্দি সাদ্দামের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি কারাবিধি মেনে তার স্বজনদের মরদেহ দেখার সুযোগ পান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে যশোর কারাগারে বন্দি ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে কারাফটকে নিয়ে এসে তার স্ত্রী (স্বর্ণালী) ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখানো হয়। এরপর সেদিন রাতে জানাজা শেষে রাত ১২টার দিকে স্বর্ণালীর বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় বিষয়ে তার ছোট ভাই শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ভাবী ও ভাতিজার মৃত্যুর পর তাদের শেষবারের জন্য দেখার সুযোগ দিতে আমাদের মামা হেমায়েত উদ্দিন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন। কারাবিধিতে অন্য জেলার কারাগারের বন্দি থাকলে স্থানীয় প্রশাসনের সরাসরি কিছু করার ক্ষমতা নেই। জেলা প্রশাসন যশোর কারাগারের ফটকে মরদেহ নিয়ে দেখানোর পরামর্শ দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেলার সাহেব জানান, যশোর জেলে চারজনের বেশি যেতে পারবেন না। সেই অনুযায়ী আমরা শনিবার সন্ধ্যায় ভাইকে শেষবারের জন্য ভাবী ও ভাতিজার মরদেহ দেখাই। যশোর জেলে আমাদের দুই মিনিট সময় দেওয়া হয়। চিৎকার-চেঁচামেচি করে আমরা আরও তিন মিনিট সময় নেই। প্রশাসন মোট পাঁচ মিনিটের জন্য সুযোগ দিয়েছে।’
“আমার ভাই শেষে আর এক মিনিট কথা বলার সুযোগ চাইলেও তা দেওয়া হয়নি। ভাইপোর মাথায় হাত দিয়ে আমার ভাই বলেছে, ‘আমি ভালো বাবা হতে পারলাম না, ভালো স্বামী হতে পারলাম না’,”— বলেন শহীদুল ইসলাম। আইনি প্রক্রিয়ার কারণে সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জটিলতা তৈরি হয় বলে জানান তিনি।
এদিকে পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘প্যারোলের একটি আবেদন এসেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছি। যেহেতু সাদ্দাম যশোরের কারাগারে ছিলেন, তাই আবেদন করতে হবে সেখানে— যশোর জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে। প্যারোলের ক্ষেত্রে মুক্তি পেলেও শুধুমাত্র ওই জেলার মধ্যেই হুকুম কার্যকর হবে। এখানকার প্রশাসন যশোর জেলা কারাগারকেও জানায় এবং কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে, যাতে তিনি (সাদ্দাম) সুন্দরভাবে মৃত স্বজনদের মরদেহ দেখতে পারেন। আমরা সেখানে যাওয়া ও দেখার বিষয়ে সহযোগিতা করেছি।’
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কানিজ সুবর্ণার মরদেহ ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং নাজিফের দেহ মেঝেতে পড়ে ছিল।
এ ঘটনায় সাদ্দামের শ্বশুর রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে গোপালগঞ্জ থেকে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে যশোর কারাগারে বন্দি। দুটি মামলায় তিনি এজাহারনামীয় আসামি এবং বাকি মামলাগুলোতে তাকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা
১৮ ঘণ্টা আগে
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বিপর্যস্ত কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইনে অবশেষে দেখা মিলেছে স্বস্তির রোদের। আর সেই রোদের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়ে ইতোমধ্যে পচতে শুরু করা ধান বাঁচাতে ‘নীরব যুদ্ধ’ চালিয়ে যাচ্ছেন গ্রামের নারীরা।
১৮ ঘণ্টা আগে
আটকরা হলেন– খাগাতোয়া গ্রামের মৃত গোলাম ওয়াহেদের ছেলে আব্দুল কাদির, নয়ন মিয়ার ছেলে রাহিম আহমেদ, মুসলেম মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান ওরফে অপু মিয়া, হুমায়ুন কবিরের ছেলে নুর আলম ওরফে নুরনবী ও জামাল মিয়ার স্ত্রী সানোয়ারা বেগম।
২ দিন আগে
ঝুঁকির মুখে পড়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও নির্মাণাধীন সড়ক। ইতোমধ্যে সড়কের কিছু অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। একই সঙ্গে হুমকির মুখে রয়েছে নবনির্মিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, বাঙালপাড়া বাজার এবং খালপাড়ের শতাধিক বসতভিটা।
৩ দিন আগে