
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জান।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত আমিরের জনসভা উপলক্ষে এলাকায় তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপন করা হয়। এ ধরনের প্রচার সামগ্রী নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থি হওয়ায় সারজিস আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শোকজ নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে নির্বাচন কমিশন বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জান।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত আমিরের জনসভা উপলক্ষে এলাকায় তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপন করা হয়। এ ধরনের প্রচার সামগ্রী নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থি হওয়ায় সারজিস আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শোকজ নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে নির্বাচন কমিশন বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে