
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় পরিবেশষ সংরক্ষণ আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা ও কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলী এলাকায় ওই পলিথিন কারখানায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইদুল ইসলাম অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সাইদুল ইসলাম জানান, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলী এলাকায় মায়া এন্টারপ্রাইজ কারখানায় নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন করা হয়। এ সময় পলিথিন উৎপাদনের কাঁচামাল প্লাস্টিকের ১৫০ কেজি দানা এবং উৎপাদিত ২০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়। পরে অবৈধ কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মআয়া এএন্টারপ্রাইজকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৬ক/১৫(১) ধারা অনুযায়ী এক লাখ টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়। ভবিষ্যতে আর এই নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন করবে না মর্মে কারখানার পক্ষে জমির মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে কারখানাটি বন্ধ করে দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
তিনি আরো জানান, কারখানাটিতে যাতে ভবিষ্যতে আর পলিথিন উৎপাদন করতে না পারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য গাজীপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালককে অনুরোধ জানানো হয়।
অভিযানের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক রাকিবুল হাসান। অভিযানে স্থানীয় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করে।
গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন জানান, পরিবেশ দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গাজীপুর জেলা প্রশাসন পরিবেশ দূষণ রোধে এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনের নির্দেশনা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুনের তত্ত্বাবধানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় পরিবেশষ সংরক্ষণ আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা ও কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলী এলাকায় ওই পলিথিন কারখানায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইদুল ইসলাম অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সাইদুল ইসলাম জানান, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলী এলাকায় মায়া এন্টারপ্রাইজ কারখানায় নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন করা হয়। এ সময় পলিথিন উৎপাদনের কাঁচামাল প্লাস্টিকের ১৫০ কেজি দানা এবং উৎপাদিত ২০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়। পরে অবৈধ কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মআয়া এএন্টারপ্রাইজকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৬ক/১৫(১) ধারা অনুযায়ী এক লাখ টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়। ভবিষ্যতে আর এই নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন করবে না মর্মে কারখানার পক্ষে জমির মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে কারখানাটি বন্ধ করে দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
তিনি আরো জানান, কারখানাটিতে যাতে ভবিষ্যতে আর পলিথিন উৎপাদন করতে না পারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য গাজীপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালককে অনুরোধ জানানো হয়।
অভিযানের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক রাকিবুল হাসান। অভিযানে স্থানীয় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করে।
গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন জানান, পরিবেশ দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গাজীপুর জেলা প্রশাসন পরিবেশ দূষণ রোধে এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনের নির্দেশনা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুনের তত্ত্বাবধানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে