
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে একটি ডাম্প ট্রাকের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় নিহত শিশুর মা-বাবা আহত হয়েছেন। নরসিংদীর ঘোড়াশালের দিক থেকে আসা ইটের সুরকি ভর্তি একটি ডাম্প ট্রাক নরসিংদীগামী যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশাকে চাপা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়া জানান, শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালীগঞ্জ-টঙ্গী-ঘোড়াশাল সড়কের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার দেওপাড়া চত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দশদোনা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে অলিউল্লাহ (৪০), ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার পাগলীপুর গ্রামের মৃত শুক্কুর মাহমুদের ছেলে আবু তালেব (২৭) এবং সিরাজগঞ্জের হাফিজুর রহমানের শিশু ছেলে তানিম রহমান (৪) নিহত হয়।
অলিউল্লাহ ও আবু তালেব দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত অবস্থায় শিশু তানিমকে শ্রীপুর উপজেলার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তানিমের বাবা সিরাজগঞ্জের হাফিজুর রহমান (৪০) ও মা স্ত্রী ছালমা বেগম (৩৫) এ সময় আহত হয়েছেন।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাকসুদুল কবির নকিব জানান, আহতদের প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন জানান, দুর্ঘটনা কবলিত ডাম্প ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে একটি ডাম্প ট্রাকের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় নিহত শিশুর মা-বাবা আহত হয়েছেন। নরসিংদীর ঘোড়াশালের দিক থেকে আসা ইটের সুরকি ভর্তি একটি ডাম্প ট্রাক নরসিংদীগামী যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশাকে চাপা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়া জানান, শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালীগঞ্জ-টঙ্গী-ঘোড়াশাল সড়কের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার দেওপাড়া চত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দশদোনা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে অলিউল্লাহ (৪০), ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার পাগলীপুর গ্রামের মৃত শুক্কুর মাহমুদের ছেলে আবু তালেব (২৭) এবং সিরাজগঞ্জের হাফিজুর রহমানের শিশু ছেলে তানিম রহমান (৪) নিহত হয়।
অলিউল্লাহ ও আবু তালেব দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত অবস্থায় শিশু তানিমকে শ্রীপুর উপজেলার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তানিমের বাবা সিরাজগঞ্জের হাফিজুর রহমান (৪০) ও মা স্ত্রী ছালমা বেগম (৩৫) এ সময় আহত হয়েছেন।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাকসুদুল কবির নকিব জানান, আহতদের প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন জানান, দুর্ঘটনা কবলিত ডাম্প ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে