
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান বলেন, সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে সিসি ক্যামেরা বিশ্লেষণ যাদের পাওয়া গেছে আটকদের মধ্যে তারা কেউ নেই। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করেন তিনি।
অপরদিকে, গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপকমিশনার রবিউল হাসান বলেন, সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্লেষণ করে শনাক্ত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।
এদিকে শুক্রবার অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের বাসন থানায় নিহতের ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে মহানগরীর বাসন থানাধীন ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকার দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান তুহিন নামের ওই সাংবাদিককে প্রকাশ্যে, জনসম্মুখে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই সিসি ক্যামেরার একটি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আসাদুজ্জামান তুহিন (৩২) ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহের কাজ করতেন।

গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান বলেন, সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে সিসি ক্যামেরা বিশ্লেষণ যাদের পাওয়া গেছে আটকদের মধ্যে তারা কেউ নেই। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করেন তিনি।
অপরদিকে, গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপকমিশনার রবিউল হাসান বলেন, সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্লেষণ করে শনাক্ত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।
এদিকে শুক্রবার অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের বাসন থানায় নিহতের ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে মহানগরীর বাসন থানাধীন ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকার দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান তুহিন নামের ওই সাংবাদিককে প্রকাশ্যে, জনসম্মুখে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই সিসি ক্যামেরার একটি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আসাদুজ্জামান তুহিন (৩২) ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহের কাজ করতেন।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
২১ ঘণ্টা আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রথমদিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে এবং ভুক্তভোগী বিভাস ঋষির পরিবারের খোঁজখবর নেয়।
২ দিন আগে
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
২ দিন আগে