
গাজীপুর প্রতিনিধি

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবিধান নিয়ে চলে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
তিনি বলেন, সংবিধানের প্রথমেই লেখা আছে, সংবিধানের মালিক জনগণ। এ কথা বলে আপনাদের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করা হয়েছে। কারণ সংবিধানে আপনার মালিকানা আপনি বুঝে পাননি। এই সংবিধান নাগরিক অধিকার রক্ষা করে না। চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়েছেন, সংবিধান নিয়েই পালিয়েছেন। এখন বাংলাদেশে কোনো সংবিধান নাই।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় এনসিপি গাজীপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে গাছা এলাকার জামাল উদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল মাঠে ‘নগরের রাজনীতি: মহল্লাভিত্তিক নাগরিক সংলাপ’ অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মনিরা শারমিন বলেন, কেউ যদি মিথ্যা বলে আমাদের কাছ থেকে ভোট নিয়ে কাজ না করে, তাকে যদি ধরতে না পারি, এই সংবিধান দিয়ে আমরা কী করব? এ জন্যই আমরা বলেছি, আমাদের নতুন সংবিধান প্রয়োজন। জনগণের যে অধিকার, সে অধিকার যেন আসলেই সংবিধানে প্রতিফলিত হয়। শুধু একটি নির্বাচনের জন্য এত বড় গণঅভ্যুত্থান হয়নি।
সংস্কার প্রসঙ্গে অসহযোগিতায় বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ঐক্যমত কমিশনে আমরা বিভিন্ন সংস্কারের কথা বলেছি। সেখানে একটি নির্দিষ্ট দলের কাছে গিয়ে সব সংস্কার আটকে গেছে। সেই দল বলেছে, এখানে কিছুই হবে না। আমরা নির্বাচন চাই, আমরা আমাদের মতো দেশটা চালাব।
‘এ কথার মধ্যে হাসিনার কথার সুর পাওয়া যায়। সেই বাটপারি, সেই প্রতারণা। তাহলে আমরা কি আর কাউকে বিশ্বাস করব? এই মুহূর্তে আমরা বলছি, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি হতে হবে। এতগুলো রাজনৈতিক দল সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে জুলাই সনদ বানিয়েছে। এই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীন বলেন, আমাদের দলে ১০/২০টা পরিবার থেকে ছেলেমেয়েরা উঠে এসছে, একটা পরিবার থেকে উঠে আসে নাই। আমরা ঢাকায় বসে আপনাদেরকে নেতৃত্ব দেবো না, এখান থেকে নেতৃত্ব তৈরি হয়ে ঢাকায় যাবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। কিন্তু আমাদের সময় লাগবে। কোনো কিছুই ওভারনাইট (রাতারাতি) হয় না। ১৫ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে ১৫ মাস সময় যথেষ্ট না।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, আমাদের ভুলভাবে দেখানো হচ্ছে। ডাকসু নির্বাচনের পর বলা হচ্ছে, এনসিপি হারিয়ে যাবে। এ রকম রব তোলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। কারণ একমাত্র এনসিপিই নতুন সংবিধানের কথা বলছে এবং সেটা আপনাদের (উপস্থিত দর্শক) মতামতের ভিত্তিতে, কোনো রাজনীতিবিদের সিদ্ধান্তে না।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও গাজীপুর জেলা-মহানগর তত্ত্বাবধায়ক অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান, এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক এম এম শোয়াইব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। গণপরিষদ নির্বাচন, নগর জীবনের সমস্যা, নাগরিক প্রত্যাশা ও স্থানীয় রাজনীতি নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময়ে গাজীপুরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবিধান নিয়ে চলে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
তিনি বলেন, সংবিধানের প্রথমেই লেখা আছে, সংবিধানের মালিক জনগণ। এ কথা বলে আপনাদের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করা হয়েছে। কারণ সংবিধানে আপনার মালিকানা আপনি বুঝে পাননি। এই সংবিধান নাগরিক অধিকার রক্ষা করে না। চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়েছেন, সংবিধান নিয়েই পালিয়েছেন। এখন বাংলাদেশে কোনো সংবিধান নাই।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় এনসিপি গাজীপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে গাছা এলাকার জামাল উদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল মাঠে ‘নগরের রাজনীতি: মহল্লাভিত্তিক নাগরিক সংলাপ’ অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মনিরা শারমিন বলেন, কেউ যদি মিথ্যা বলে আমাদের কাছ থেকে ভোট নিয়ে কাজ না করে, তাকে যদি ধরতে না পারি, এই সংবিধান দিয়ে আমরা কী করব? এ জন্যই আমরা বলেছি, আমাদের নতুন সংবিধান প্রয়োজন। জনগণের যে অধিকার, সে অধিকার যেন আসলেই সংবিধানে প্রতিফলিত হয়। শুধু একটি নির্বাচনের জন্য এত বড় গণঅভ্যুত্থান হয়নি।
সংস্কার প্রসঙ্গে অসহযোগিতায় বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ঐক্যমত কমিশনে আমরা বিভিন্ন সংস্কারের কথা বলেছি। সেখানে একটি নির্দিষ্ট দলের কাছে গিয়ে সব সংস্কার আটকে গেছে। সেই দল বলেছে, এখানে কিছুই হবে না। আমরা নির্বাচন চাই, আমরা আমাদের মতো দেশটা চালাব।
‘এ কথার মধ্যে হাসিনার কথার সুর পাওয়া যায়। সেই বাটপারি, সেই প্রতারণা। তাহলে আমরা কি আর কাউকে বিশ্বাস করব? এই মুহূর্তে আমরা বলছি, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি হতে হবে। এতগুলো রাজনৈতিক দল সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে জুলাই সনদ বানিয়েছে। এই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীন বলেন, আমাদের দলে ১০/২০টা পরিবার থেকে ছেলেমেয়েরা উঠে এসছে, একটা পরিবার থেকে উঠে আসে নাই। আমরা ঢাকায় বসে আপনাদেরকে নেতৃত্ব দেবো না, এখান থেকে নেতৃত্ব তৈরি হয়ে ঢাকায় যাবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। কিন্তু আমাদের সময় লাগবে। কোনো কিছুই ওভারনাইট (রাতারাতি) হয় না। ১৫ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে ১৫ মাস সময় যথেষ্ট না।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, আমাদের ভুলভাবে দেখানো হচ্ছে। ডাকসু নির্বাচনের পর বলা হচ্ছে, এনসিপি হারিয়ে যাবে। এ রকম রব তোলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। কারণ একমাত্র এনসিপিই নতুন সংবিধানের কথা বলছে এবং সেটা আপনাদের (উপস্থিত দর্শক) মতামতের ভিত্তিতে, কোনো রাজনীতিবিদের সিদ্ধান্তে না।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও গাজীপুর জেলা-মহানগর তত্ত্বাবধায়ক অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান, এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক এম এম শোয়াইব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। গণপরিষদ নির্বাচন, নগর জীবনের সমস্যা, নাগরিক প্রত্যাশা ও স্থানীয় রাজনীতি নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময়ে গাজীপুরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১৭ ঘণ্টা আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রথমদিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে এবং ভুক্তভোগী বিভাস ঋষির পরিবারের খোঁজখবর নেয়।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
১ দিন আগে