
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) রওনক জাহানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তাকে অব্যাহতির দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করা হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার বকাউল কান্দি এলাকার বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন নামে এক ব্যক্তি গত ১১ জানুয়ারি এই আবেদনটি নির্বাচন কমিশনে জমা দেন।
আবেদনে তিনি দাবি করেন, পুলিশ সুপার রওনক জাহানের আপন চাচা আবু তাহের তালুকদার নেত্রকোনা-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এ কারণে তিনি নির্বাচনী দায়িত্বে পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
আবেদনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জামায়াতপন্থি সমর্থকদের টার্গেট করে আগের মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করছে, অথচ বিতর্কিত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অপকর্ম করলেও তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
আবেদনকারী মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন বলেন, “যারা নির্বাচনে জামায়াতের হয়ে কাজ করতে আসে, তাদের পুরোনো মামলায় ধরে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিএনপির হয়ে কাজ করা বিতর্কিত ব্যক্তিদের ধরতে বললে পুলিশ ব্যবস্থা নেয় না। থানাগুলোও আমাদের সহযোগিতা করছে না। এতে মনে হচ্ছে, পুলিশ একটি নির্দিষ্ট দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তিনি জানেন না।
এদিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, তিনি এখনো এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) রওনক জাহানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তাকে অব্যাহতির দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করা হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার বকাউল কান্দি এলাকার বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন নামে এক ব্যক্তি গত ১১ জানুয়ারি এই আবেদনটি নির্বাচন কমিশনে জমা দেন।
আবেদনে তিনি দাবি করেন, পুলিশ সুপার রওনক জাহানের আপন চাচা আবু তাহের তালুকদার নেত্রকোনা-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এ কারণে তিনি নির্বাচনী দায়িত্বে পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
আবেদনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জামায়াতপন্থি সমর্থকদের টার্গেট করে আগের মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করছে, অথচ বিতর্কিত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অপকর্ম করলেও তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
আবেদনকারী মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন বলেন, “যারা নির্বাচনে জামায়াতের হয়ে কাজ করতে আসে, তাদের পুরোনো মামলায় ধরে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিএনপির হয়ে কাজ করা বিতর্কিত ব্যক্তিদের ধরতে বললে পুলিশ ব্যবস্থা নেয় না। থানাগুলোও আমাদের সহযোগিতা করছে না। এতে মনে হচ্ছে, পুলিশ একটি নির্দিষ্ট দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তিনি জানেন না।
এদিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, তিনি এখনো এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করা হয়। ওই বক্তব্য ও ভোট চাওয়ার ভিডিও সামাজিক যো
১ দিন আগে
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) শাসানোর ঘটনায় আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ হয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
বৈচিত্র্য উৎসবের দ্বিতীয় ভাগে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এ আয়োজনে ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মনোমুগ্ধকর মানব পুতুল নাচ, জারি গান, পট গান, ময়মনসিংহের ঐহিত্যবাহী গীতিকা, পার্বত্য অঞ্চলের রাখাইন নাচ, বাংলার আট কবির গান, নাটক, আবৃত্তি একক ও দলীয় নৃত্য।
১ দিন আগে
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের মধ্যে তিনজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে রুমান (২৫), শহরের কলেজ রোডের ১ নম্বর শকুনি এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সির ছেলে বাসের হেলপার পান্নু মুন্সি (৫০) এবং মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া গ
২ দিন আগে