
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা–২০২৫ লঙ্ঘনের অভিযোগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) এ নোটিশ জারি করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হয়।
রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির প্রধান এবং রাজশাহী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) কামরুন নাহার এ আদেশ দেন।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করা হয়। ওই বক্তব্য ও ভোট চাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়।
অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ফুটেজে বক্তৃতায় বলা হয়— 'সবকিছু এদের কাছে নিরাপদ নয়। মুজিবুর রহমান একজন ভালো মানুষ। আগামীতে নিরাপত্তাপূর্ণ স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ন্যায়ের পক্ষে, আল-কুরআনের পক্ষে সবাই মিলে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবেন।'
নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির মতে, এ ধরনের বক্তব্য ও প্রকাশ্যে ভোট প্রার্থনা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা–২০২৫-এর ১৫, ১৬ ও ১৮ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিষয়টিকে ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে উল্লেখ করে কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না—সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
নোটিশে আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সাড়ে ১১টায় প্রার্থীকে সশরীরে রাজশাহী যুগ্ম জেলা জজ (প্রথম আদালত) কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে গোদাগাড়ী মডেল থানাকে দ্রুত নোটিশ জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা–২০২৫ লঙ্ঘনের অভিযোগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) এ নোটিশ জারি করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হয়।
রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির প্রধান এবং রাজশাহী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) কামরুন নাহার এ আদেশ দেন।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করা হয়। ওই বক্তব্য ও ভোট চাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়।
অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ফুটেজে বক্তৃতায় বলা হয়— 'সবকিছু এদের কাছে নিরাপদ নয়। মুজিবুর রহমান একজন ভালো মানুষ। আগামীতে নিরাপত্তাপূর্ণ স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ন্যায়ের পক্ষে, আল-কুরআনের পক্ষে সবাই মিলে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবেন।'
নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির মতে, এ ধরনের বক্তব্য ও প্রকাশ্যে ভোট প্রার্থনা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা–২০২৫-এর ১৫, ১৬ ও ১৮ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিষয়টিকে ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে উল্লেখ করে কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না—সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
নোটিশে আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সাড়ে ১১টায় প্রার্থীকে সশরীরে রাজশাহী যুগ্ম জেলা জজ (প্রথম আদালত) কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে গোদাগাড়ী মডেল থানাকে দ্রুত নোটিশ জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ দুই বছর ধরে শয্যাশায়ী শতবর্ষী এক বৃদ্ধা অসুস্থ শরীর নিয়েও ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন। পরিবারের সদস্যরা ভ্যানে করে তাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। পরে পুত্রবধূর কোলে ভর করে তিনি বুথে প্রবেশ করেন এবং পোলিং কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নিজের ভোট প্রদান করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ভোট দিয়ে বের হয়ে হাসনাত বলেন, ভোটে ভয়ের কিছু নেই, ভোট হবে উৎসবের। মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। যার যাকে ইচ্ছা তাকেই ভোট দেবে। দেবিদ্বারে আমরা সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখব।
১ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জহিরুল ইসলাম বলেন, সকালে ৯টার দিকে দূর থেকে একটি ককটেল ছুঁড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এতে দুই আনসার সদস্য আহত হন। এ ছাড়া ভোটার সঙ্গে আসা এক শিশুও আহত হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
নুরুল হক নুর বলেন, ‘৩৩ বছর বয়সে জাতীয় নির্বাচনে জীবনে এই প্রথম ভোট দিলাম এবং আমি নিজেই প্রার্থী। আজ আমার জীবনের প্রথম ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ একটি অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, এটাই বড় অর্জন। আশা করছি, দিন শেষে জনগণের রায়ই প্রতিফলিত হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে