
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে জাল-জালিয়াত চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুলের আব্দুল হালিম মোল্লার ছেলে রাজু আহমেদ (২৫), ষোলঘরের উমপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে পলাশ হাওলাদার (৩৩), আব্দুল মালেকের ছেলে সবুজ হাওলাদার (৩৮), গোপালগঞ্জের তালবাড়ি এলাকার মুনিষ কীর্ত্তনিয়ার ছেলে মৃণাল কীর্ত্তনিয়া (৩৬), শ্রীনগরের যশুরগাঁও গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে মো. রুবেল (৩৬) ও ষোলঘরের যদুলাল সূত্রধরের ছেলে প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর (৩৭)।
জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তাও সিলমোহর অঙ্কিত স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, জন্ম-সনদ, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, আদালতের হলফনামাসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের সনদ নকল করে আসছিল। নকল সনদ তৈরীর মাধ্যমে মানুষের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠে। চক্রটি ধরার জন্য অনুসন্ধানে নামে শ্রীনগর থানা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ্ আল তায়াবীর বলেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, আদালতের হলফনামাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সনদ তৈরী করে আসছিল চক্রটি। আমরা
অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য সনদ ও সীল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলমান আছে।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে জাল-জালিয়াত চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুলের আব্দুল হালিম মোল্লার ছেলে রাজু আহমেদ (২৫), ষোলঘরের উমপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে পলাশ হাওলাদার (৩৩), আব্দুল মালেকের ছেলে সবুজ হাওলাদার (৩৮), গোপালগঞ্জের তালবাড়ি এলাকার মুনিষ কীর্ত্তনিয়ার ছেলে মৃণাল কীর্ত্তনিয়া (৩৬), শ্রীনগরের যশুরগাঁও গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে মো. রুবেল (৩৬) ও ষোলঘরের যদুলাল সূত্রধরের ছেলে প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর (৩৭)।
জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তাও সিলমোহর অঙ্কিত স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, জন্ম-সনদ, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, আদালতের হলফনামাসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের সনদ নকল করে আসছিল। নকল সনদ তৈরীর মাধ্যমে মানুষের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠে। চক্রটি ধরার জন্য অনুসন্ধানে নামে শ্রীনগর থানা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ্ আল তায়াবীর বলেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, আদালতের হলফনামাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সনদ তৈরী করে আসছিল চক্রটি। আমরা
অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য সনদ ও সীল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলমান আছে।

প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
১৮ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
২০ ঘণ্টা আগে