ডাকাতির প্রস্তুতিকালে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেফতার

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য। ছবি : সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ধারালো অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যার-১০ এর সদস্যরা।

গত শনিবার (২৩ মার্চ) রাত পৌনে ৯টার দিকে শ্রীনগর

উপজেলার ভাগ্যকুলল এলাকার উত্তর কামারগাঁও থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার পুর্ব কাঠালবাড়ির আমজাদ হোসেনের ছেলে আরমান হোসেন ওরফে কৌশিক, ভাগ্যকুলের গোলাম সারেংয়ের ছেলে আরমান সারেং, উত্তর কামারগাঁও ইসরাফিল সারেংয়ের ছেলে নাঈম মোড়ল, ফরহাদ হোসেনের ছেলে মো. রবিন, ছাবেদ আলী শেখের ছেলে আব্দুস সাত্তার, উত্তর বালাশুরের আবুল হোসেনের ছেলে রবিন হোসেন। গ্রেফতারের পর তাদের কাছ থেকে ১টি মোটরসাইকেল, ২টি চাকু, ২টি হেয়ার কাটার, ২টি সুইচ গিয়ার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যার-১০ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্যরা জেলার শ্রীনগরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুতি চলছে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৫ আগস্ট ঘিরে আয়োজন, চট্টগ্রামে ১৫ আইনজীবী গ্রেপ্তার

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

১ দিন আগে

রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে প্রাণ গেল ৪ জনের, আহত ২

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

১ দিন আগে

ফতুল্লায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলি, ৩ পুলিশসহ আহত ৪

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও

২ দিন আগে

সীতাকুণ্ডের জাহাজে মিলল মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড

পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির

২ দিন আগে