
চট্টগ্রাম ব্যুরো

অব্যাহত প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর নিচু এলাকার বেশির ভাগ অংশই পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়ক ছাপিয়ে পানি উঠে গেছে দোকানপাট-ঘরবাড়িতে। নগরীর দুই নম্বর গেট-অক্সিজেন সড়কের স্টারশিপ কারখানা এলাকায় শীতলঝরনা খালের ওপর একটি সেতুসহ সড়কের একাংশ ভেঙে পড়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে চট্টগ্রাম নগরীতে। পিবিও আমবাগান আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, এ দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আর সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ২৪ মিলিমিটার।
স্থানীয়রা জানান, স্টারশিপ কারখানা এলাকার ওই খালের ওপর কালভার্টের পাশে আগেই কিছুটা গর্ত তৈরি হয়েছিল বৃষ্টির কারণে। গত রাতের টানা বৃষ্টির পর এর কিছু অংশ খালের মধ্যে দেবে গেছে। সড়কও কিছুটা ভেঙেছে।
সড়ক ভেঙে যাওয়ায় লাল ফিতা দিয়ে বেস্টনী তৈরি করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে সড়কের এক পাশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে দুই নম্বর গেট-অক্সিজেন সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারীদের।
বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামশুল আলম জানান, সড়ক ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। কোনো দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য পুলিশের একটি টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।
এদিকে তীব্র বৃষ্টির কারণে নগরীর রাহাত্তরপুল, বহদ্দারহাট, জিইসি, মুরাদপুর, আগ্রাবাদ চকবাজার একালায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বাসাবাড়ি, দোকানপাট পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক মার্কেটের নিচতলায় পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে।
নগরীর সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে শিক্ষার্থীসহ অফিসগামী লোকজনকে। চলাচলের জন্য সড়কে পর্যাপ্ত যানবাহনও পাচ্ছেন না তারা।
এর আগে বুধবারই আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, বুধবার দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসও দেখা দিতে পারে।
এ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে পিবিও আমবাগান আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজন রায় বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় এমন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পাহাড়ি এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

অব্যাহত প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর নিচু এলাকার বেশির ভাগ অংশই পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়ক ছাপিয়ে পানি উঠে গেছে দোকানপাট-ঘরবাড়িতে। নগরীর দুই নম্বর গেট-অক্সিজেন সড়কের স্টারশিপ কারখানা এলাকায় শীতলঝরনা খালের ওপর একটি সেতুসহ সড়কের একাংশ ভেঙে পড়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে চট্টগ্রাম নগরীতে। পিবিও আমবাগান আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, এ দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আর সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ২৪ মিলিমিটার।
স্থানীয়রা জানান, স্টারশিপ কারখানা এলাকার ওই খালের ওপর কালভার্টের পাশে আগেই কিছুটা গর্ত তৈরি হয়েছিল বৃষ্টির কারণে। গত রাতের টানা বৃষ্টির পর এর কিছু অংশ খালের মধ্যে দেবে গেছে। সড়কও কিছুটা ভেঙেছে।
সড়ক ভেঙে যাওয়ায় লাল ফিতা দিয়ে বেস্টনী তৈরি করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে সড়কের এক পাশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে দুই নম্বর গেট-অক্সিজেন সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারীদের।
বায়েজিদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামশুল আলম জানান, সড়ক ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। কোনো দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য পুলিশের একটি টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।
এদিকে তীব্র বৃষ্টির কারণে নগরীর রাহাত্তরপুল, বহদ্দারহাট, জিইসি, মুরাদপুর, আগ্রাবাদ চকবাজার একালায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বাসাবাড়ি, দোকানপাট পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক মার্কেটের নিচতলায় পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে।
নগরীর সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে শিক্ষার্থীসহ অফিসগামী লোকজনকে। চলাচলের জন্য সড়কে পর্যাপ্ত যানবাহনও পাচ্ছেন না তারা।
এর আগে বুধবারই আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, বুধবার দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসও দেখা দিতে পারে।
এ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে পিবিও আমবাগান আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজন রায় বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় এমন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পাহাড়ি এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১৮ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
২১ ঘণ্টা আগে