
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। দুই দলের পালটাপালটি কর্মসূচির কারণে দুই উপজেলাতেই তিন দিনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গলাচিপার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান এবং দশমিনারে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরতিজা হাসান শুক্রবার (১৩ জুন) সকাল ৮টা থেকে তিন দিনের জন্য নিজ নিজ উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করে মাইকিং করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ জুন) রাতে গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নে দুপক্ষের মধ্যে হামলা ও ভাঙচুরের পর রাতেই গলাচিপার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া বাজারে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
এ ঘটনার জন্য গণঅধিকার পরিষদ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেন। সারা রাত অবরুদ্ধ থাকার পর শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে যৌথবাহিনী নুরুল হক নুরকে উদ্ধার করে গলাচিপা নিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনার পর শুক্রবার বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা শহরে পালটাপালটি প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ ছাড়াও গলাচিপায় বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বাসভবনে ও গণঅধিকার পরিষদ ডাকবাংলোতে পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
পালটাপালটি এসব কর্মসূচির কারণেই ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, গলাচিপা উপজেলাধীন চরবিশ্বাস ও বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের সংঘটিত সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুপক্ষের যুগপৎ কর্মসূচি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতিসহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
এ অবস্থায় জনগণের জানমাল ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গলাচিপা পৌরসভা ও এর আশপাশের এলাকায় শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৫ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আদেশে। এতে বলা হয়েছে, বিষয়টি গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলাতেও দশমিনা সদর ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ একই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সেখানেও চরম উত্তেজনার পাশাপাশি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ইউএনও ইরতিজা হাসান শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন।
১৪৪ ধারা বহাল থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা- সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজামায়েত ছাড়াও বিস্ফোরক দ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র বা যেকোনো ধরনের অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঁচজন বা তার বেশি ব্যক্তির একসঙ্গে অবস্থান বা চলাফেরাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

পটুয়াখালীর গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। দুই দলের পালটাপালটি কর্মসূচির কারণে দুই উপজেলাতেই তিন দিনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গলাচিপার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান এবং দশমিনারে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরতিজা হাসান শুক্রবার (১৩ জুন) সকাল ৮টা থেকে তিন দিনের জন্য নিজ নিজ উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করে মাইকিং করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ জুন) রাতে গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নে দুপক্ষের মধ্যে হামলা ও ভাঙচুরের পর রাতেই গলাচিপার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া বাজারে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
এ ঘটনার জন্য গণঅধিকার পরিষদ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেন। সারা রাত অবরুদ্ধ থাকার পর শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে যৌথবাহিনী নুরুল হক নুরকে উদ্ধার করে গলাচিপা নিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনার পর শুক্রবার বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা শহরে পালটাপালটি প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ ছাড়াও গলাচিপায় বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বাসভবনে ও গণঅধিকার পরিষদ ডাকবাংলোতে পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
পালটাপালটি এসব কর্মসূচির কারণেই ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, গলাচিপা উপজেলাধীন চরবিশ্বাস ও বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের সংঘটিত সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুপক্ষের যুগপৎ কর্মসূচি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতিসহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
এ অবস্থায় জনগণের জানমাল ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গলাচিপা পৌরসভা ও এর আশপাশের এলাকায় শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৫ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আদেশে। এতে বলা হয়েছে, বিষয়টি গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলাতেও দশমিনা সদর ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ একই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সেখানেও চরম উত্তেজনার পাশাপাশি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ইউএনও ইরতিজা হাসান শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন।
১৪৪ ধারা বহাল থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা- সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজামায়েত ছাড়াও বিস্ফোরক দ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র বা যেকোনো ধরনের অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঁচজন বা তার বেশি ব্যক্তির একসঙ্গে অবস্থান বা চলাফেরাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
২১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
২ দিন আগে