
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফরিদপুর-৪ আসন থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বেড়া উপজেলা। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি সড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেছে। এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের রেল ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
এর আগে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলগী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে এ অবরোধের ঘোষণা দেয়।
সংবাদ সম্মেলন আলগি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকী রোববার থেকে টানা তিন দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও রেল অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হয়।
তাদের দাবি মানা না হলে সকল রাজনৈতিক দল মিলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার কথা বলা হয় ওই সংবাদ সম্মেলনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাতটার দিকে ব্যানার ও কাফনের কাপড় পড়ে সড়কের ওপরে শুয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা।
ভাঙ্গা রেলস্টেশনের সহকারী শাসন মাস্টার রনি ব্যাপারী বলেন, 'ঢাকাগামী নকশিকাঁথা ট্রেনটি ভাঙ্গা রেলস্টেশনের কাছে আটকে দিয়েছেন অবরোধকারীরা। এছাড়া খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন সবুজ সংকেত না পাওয়ায় ভাঙ্গা জংশন স্টেশনে থেমে আছে।'

ফরিদপুর-৪ আসন থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বেড়া উপজেলা। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি সড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেছে। এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের রেল ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
এর আগে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলগী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে এ অবরোধের ঘোষণা দেয়।
সংবাদ সম্মেলন আলগি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকী রোববার থেকে টানা তিন দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও রেল অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হয়।
তাদের দাবি মানা না হলে সকল রাজনৈতিক দল মিলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার কথা বলা হয় ওই সংবাদ সম্মেলনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাতটার দিকে ব্যানার ও কাফনের কাপড় পড়ে সড়কের ওপরে শুয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা।
ভাঙ্গা রেলস্টেশনের সহকারী শাসন মাস্টার রনি ব্যাপারী বলেন, 'ঢাকাগামী নকশিকাঁথা ট্রেনটি ভাঙ্গা রেলস্টেশনের কাছে আটকে দিয়েছেন অবরোধকারীরা। এছাড়া খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন সবুজ সংকেত না পাওয়ায় ভাঙ্গা জংশন স্টেশনে থেমে আছে।'

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে