
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী-আমতলী মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া নবজাতক শিশুটিও মারা গেছে। জন্মের মাত্র এক দিন পর শনিবার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে।
নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ওয়াহিদ শামিম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় শিশুটির মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এছাড়া দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পানিতে পড়ে থাকায় শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে গিয়েছিল।
শনিবার দুপুরে পটুয়াখালী-আমতলী মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় একটি ইজিবাইক দুমড়েমুচড়ে যায়। ইজিবাইকটিতে থাকা নবজাতক ও তার পরিবারের সদস্যরা পটুয়াখালী শহরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনাস্থলেই শিশুটির মা মোছাদ্দিকা বেগম (৩০), নানা মৌলভী আজিজুল হক (৬৫) ও দাদী খালেদা বেগম (৫৫) নিহত হন। গুরুতর আহত হন নবজাতকের দাদা মাওলানা মো. কুদ্দুস (৬০) এবং ইজিবাইক চালক আব্দুল ওহাব মিয়া (৫৫)। তারা দুজনই বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নবজাতক শিশুটির বাবা মাওলানা মো. জাহিদুল ইসলাম পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে মোছাদ্দিকা বেগমের কোলজুড়ে জন্ম নেয় মেয়েটি। পরদিন দুপুরে চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে নিয়ে পটুয়াখালী শহরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয় পরিবারটি।
শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামিম বলেন, “শিশুটির অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। মাথা ও শরীরে গুরুতর আঘাত ছিল এবং হাইপোথার্মিয়ার লক্ষণও দেখা গিয়েছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।”

পটুয়াখালী-আমতলী মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া নবজাতক শিশুটিও মারা গেছে। জন্মের মাত্র এক দিন পর শনিবার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে।
নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ওয়াহিদ শামিম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় শিশুটির মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এছাড়া দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পানিতে পড়ে থাকায় শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে গিয়েছিল।
শনিবার দুপুরে পটুয়াখালী-আমতলী মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় একটি ইজিবাইক দুমড়েমুচড়ে যায়। ইজিবাইকটিতে থাকা নবজাতক ও তার পরিবারের সদস্যরা পটুয়াখালী শহরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনাস্থলেই শিশুটির মা মোছাদ্দিকা বেগম (৩০), নানা মৌলভী আজিজুল হক (৬৫) ও দাদী খালেদা বেগম (৫৫) নিহত হন। গুরুতর আহত হন নবজাতকের দাদা মাওলানা মো. কুদ্দুস (৬০) এবং ইজিবাইক চালক আব্দুল ওহাব মিয়া (৫৫)। তারা দুজনই বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নবজাতক শিশুটির বাবা মাওলানা মো. জাহিদুল ইসলাম পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে মোছাদ্দিকা বেগমের কোলজুড়ে জন্ম নেয় মেয়েটি। পরদিন দুপুরে চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে নিয়ে পটুয়াখালী শহরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয় পরিবারটি।
শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামিম বলেন, “শিশুটির অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। মাথা ও শরীরে গুরুতর আঘাত ছিল এবং হাইপোথার্মিয়ার লক্ষণও দেখা গিয়েছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।”

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
২১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
২ দিন আগে