
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীতে সৎ মা সহিদা বেগম (৪৮) ও শতবর্ষী দাদি কুলসুম বিবিকে দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আল-আমিন খান (২৭) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের চারাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত আল-আমিন।
আল-আমিন ওই গ্রামের আবদুর রাজ্জাক খানের ছেলে। সে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে পারিবার দাবি করছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ১৫-২০ দিন আগে আল-আমিন তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে খুঁজে পেয়ে বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিয়ে আসে পরিবারের লোকজন। পরিবারের পক্ষ থেকে আল-আমিনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর জন্য আল-আমিনের পরিচয় পত্র সংগ্রহের জন্য আজ দুপুরে তার বড় ভাই বেল্লাল খান স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের কাছে যান।
আর তার বাবা আ. রাজ্জাক খান সকালে কাজের উদ্দেশ্যে অন্যত্র চলে যায়। দুপুর একটার দিকে বাড়িতে শুধু আল-আমিন ও তার সৎ মা এবং দাদি ছিলেন। এ সুযোগে আল-আমিন বাড়ির ওঠানে তার সৎ মাকে ও ঘরের মধ্যে দাদিকে একা পেয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে করে হত্যা করেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ যাবার আগেই আল-আমিন পালিয়ে যান।
আল-আমিনের বাবা আ. রাজ্জাক খান জানান, প্রায় ৫ বছর ধরে আল-আমিন মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে বহুবার চিকিৎসক, কবিরাজ ও স্থানীয়ভাবে অনেক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সুস্থ্য হয়নি। আজ তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত আল-আমিনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
পটুয়াখালী পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে আল আমিনকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি এবং দোষীকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পটুয়াখালীতে সৎ মা সহিদা বেগম (৪৮) ও শতবর্ষী দাদি কুলসুম বিবিকে দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আল-আমিন খান (২৭) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের চারাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত আল-আমিন।
আল-আমিন ওই গ্রামের আবদুর রাজ্জাক খানের ছেলে। সে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে পারিবার দাবি করছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ১৫-২০ দিন আগে আল-আমিন তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে খুঁজে পেয়ে বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিয়ে আসে পরিবারের লোকজন। পরিবারের পক্ষ থেকে আল-আমিনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর জন্য আল-আমিনের পরিচয় পত্র সংগ্রহের জন্য আজ দুপুরে তার বড় ভাই বেল্লাল খান স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের কাছে যান।
আর তার বাবা আ. রাজ্জাক খান সকালে কাজের উদ্দেশ্যে অন্যত্র চলে যায়। দুপুর একটার দিকে বাড়িতে শুধু আল-আমিন ও তার সৎ মা এবং দাদি ছিলেন। এ সুযোগে আল-আমিন বাড়ির ওঠানে তার সৎ মাকে ও ঘরের মধ্যে দাদিকে একা পেয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে করে হত্যা করেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ যাবার আগেই আল-আমিন পালিয়ে যান।
আল-আমিনের বাবা আ. রাজ্জাক খান জানান, প্রায় ৫ বছর ধরে আল-আমিন মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে বহুবার চিকিৎসক, কবিরাজ ও স্থানীয়ভাবে অনেক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সুস্থ্য হয়নি। আজ তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত আল-আমিনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
পটুয়াখালী পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে আল আমিনকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি এবং দোষীকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে