সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক

সিলেট ব্যুরো
আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ১০: ৪২

উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুতির কারণে সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার পর সিলেট থেকে কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার মাধ্যমে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হয়।

এর আগে, সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার এলাকায় সিলেটগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি লাইনচ্যুত হলে এই রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হওয়ায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব বলেন, আজ সকাল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে মোগলাবাজার মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড তেলের ডিপোর পশ্চিম পাশে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন ইঞ্জিনসহ ৪ বগি লাইনচ্যুত হয়। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও রেল‌ওয়ে পুলিশসহ মোগলাবাজার থানা পুলিশের সমন্বয়ে ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে। তবে ট্রেন যোগাযোগ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। সিলেট থেকে কালনী এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ঈদের রাতে বাস-লেগুনা মুখোমুখি, প্রাণ গেল ৩ জনের

ঈদের রাতে বাস-লেগুনা মুখোমুখি, প্রাণ গেল ৩ জনের

১২ ঘণ্টা আগে

কোরবানিহীনদের ‘কোরবানির বাজার’

ঢাকা শহরের টিকাটুলির হাটখোলা মোড় কিংবা বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা মিলল এই অস্থায়ী হাটের। ভ্যানের ওপর লাল প্লাস্টিক বিছিয়ে স্তূপ করে রাখা হয়েছে মাংস। তবে এই মাংস কোনো কসাইয়ের দোকান থেকে আসেনি, এসেছে শত শত মানুষের দুয়ার ঘুরে সংগ্রহ করা কোরবানির দান থেকে।

১ দিন আগে

ঈদের কেনাকাটা করে বাড়ি ফেরা হলো না শিশু হাছেন ও তার মায়ের

নিহতদের পরিবার জানায়, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে গতকাল বিকেলে ঈদের কেনাকাটার জন্য কারারচর থেকে নরসিংদী শহরে এসেছিলেন সুজন মিয়া। কেনাকাটা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নরসিংদী রেলস্টেশনে আসেন তারা। রেললাইন পার হয়ে হাজেরা টাওয়ারের সামনে থেকে বাড়ির উদ্দেশে অটোরিকশায় উঠার কথা ছিল তাদের। স্টেশনে এসে দেখেন, ঢাকাগা

১ দিন আগে

‘ইচ্ছা আছিল‌ ধান বেইচ্চা কোরবানি দিমু, হেই ইচ্ছা আর পূরণ করতাম পারলাম না’

কেবল রুবেল বা তোফাজ্জল নয়, মিঠামইনের এই হাওরের সব কৃষকের ঘরে ঘরে এখন হাহাকার। কৃষকদের দাবি, ৬০ হাজার কৃষকের কষ্টের ফসল বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। অথচ এই ধান দিয়েই তাদের সারা বছরের খোড়াক চলে তথা খাবারের ব্যবস্থা হয়। কিছু ধান বিক্রি করে অন্যান্য খরচের সংস্থান হয় তাদের। ধান তলিয়ে যাওয়ায় এবার অন্য খরচ

১ দিন আগে