
কুমিল্লা প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা নিয়ে শেষ মুহূর্তে চলছে তুমুল আলোচনা। এর মধ্যে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। তাকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর এক মন্তব্য নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে স্থানীয় রাজনীতিতে। তিনি বলেছেন, তিনি হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেনেনই না।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহকে আমি চিনি না। তার সঙ্গে আমার কখনো দেখা হয়নি, কোনো পরিচয়ও নেই। আগে যেমন ছিল না, এখনো তেমনই আছে। কাজেই তাকে নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগও আমার নেই।’
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মতে, ভোটের লড়াই সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জ এবং তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেক বাধা পেরিয়ে এসেছেন। ফলে হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে আলাদা কোনো জল্পনা না বাড়িয়ে তিনি বিষয়টিকে ভোটারদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন এবং মাঠের লড়াইয়ে নিজেকে প্রমাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এ লড়াইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এক বিশাল রাজনৈতিক ব্যবধান। একদিকে ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত টানা চারবার নির্বাচিত অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, যিনি দেবিদ্বারে তার শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী হাসনাত আব্দুল্লাহ, যিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতীক হিসেবে এই প্রথম নির্বাচনি লড়াইয়ে নামছেন। এই দুই প্রজন্মের লড়াই কুমিল্লা-৪ আসনকে ‘হাই-ভোল্টেজ’ আসনে পরিণত করেছে।
দীর্ঘ ১৫-১৭ বছর ধরে দেশে সুষ্ঠু ভোট না হওয়ার কথা উল্লেখ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা কাজ করছে।
যেখানে হাসনাত আব্দুল্লাহর মতো তরুণ নেতৃত্ব সংস্কারের ডাক দিয়ে মাঠে নেমেছেন, সেখানে প্রবীণ নেতা মুন্সীর এই ‘চিনি না’ মন্তব্যকে এক ধরনের রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখছেন অনেকে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা নিয়ে শেষ মুহূর্তে চলছে তুমুল আলোচনা। এর মধ্যে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। তাকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর এক মন্তব্য নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে স্থানীয় রাজনীতিতে। তিনি বলেছেন, তিনি হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেনেনই না।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহকে আমি চিনি না। তার সঙ্গে আমার কখনো দেখা হয়নি, কোনো পরিচয়ও নেই। আগে যেমন ছিল না, এখনো তেমনই আছে। কাজেই তাকে নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগও আমার নেই।’
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মতে, ভোটের লড়াই সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জ এবং তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেক বাধা পেরিয়ে এসেছেন। ফলে হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে আলাদা কোনো জল্পনা না বাড়িয়ে তিনি বিষয়টিকে ভোটারদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন এবং মাঠের লড়াইয়ে নিজেকে প্রমাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এ লড়াইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এক বিশাল রাজনৈতিক ব্যবধান। একদিকে ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত টানা চারবার নির্বাচিত অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, যিনি দেবিদ্বারে তার শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী হাসনাত আব্দুল্লাহ, যিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতীক হিসেবে এই প্রথম নির্বাচনি লড়াইয়ে নামছেন। এই দুই প্রজন্মের লড়াই কুমিল্লা-৪ আসনকে ‘হাই-ভোল্টেজ’ আসনে পরিণত করেছে।
দীর্ঘ ১৫-১৭ বছর ধরে দেশে সুষ্ঠু ভোট না হওয়ার কথা উল্লেখ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা কাজ করছে।
যেখানে হাসনাত আব্দুল্লাহর মতো তরুণ নেতৃত্ব সংস্কারের ডাক দিয়ে মাঠে নেমেছেন, সেখানে প্রবীণ নেতা মুন্সীর এই ‘চিনি না’ মন্তব্যকে এক ধরনের রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখছেন অনেকে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কানিজ ফাতেমা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ৪ জানুয়ারি গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাজেরা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান।
১ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কাঠভর্তি এক ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নৌ বাহিনীর সদস্যসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। একই মহাসড়কে কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জের তুরনিপাড়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস উলটে গেলে দুজন নিহত হয়েছেন।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
২ দিন আগে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে ঘরের ভেতরে রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
২ দিন আগে