
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে নির্বাচনি উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে একই পরিবার থেকে দুজন প্রার্থী হয়েছেন, সম্পর্কে তারা চাচি-ভাতিজা। এই ব্যতিক্রমী নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইতোমধ্যে ভোটারদের দৃষ্টি কেড়েছে।
নান্দাইল আসনে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইয়াসের খান চৌধুরী। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীকে নির্বাচন করছেন তার চাচি হাসিনা খান চৌধুরী। দুজনই একই প্রভাবশালী বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ায় নির্বাচনি মাঠে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর হাউজের এই চৌধুরী পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সরকারি সফরে এবং বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক সফরে গিয়ে এই পরিবারের আতিথেয়তা গ্রহণ করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে এই বাড়িটি রাজনৈতিক পীঠস্থান হিসেবেই পরিচিত।
চৌধুরী পরিবারের প্রয়াত খুররম খান চৌধুরী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, নান্দাইল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং নান্দাইলের তিনবারের এমপি (১৯৭৯, ১৯৮৮ ও ২০০১)। তার স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
অন্যদিকে প্রয়াত খুররম খান চৌধুরীর ভাই প্রয়াত আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তার একমাত্র ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী এখানে বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছেন।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ-৯ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হোসেন চান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাইদুর রহমান, গণফোরামের লতিফুল বারী হামিম এবং জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ তারিক।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরী একজন গৃহবধূ। অতীতে রাজনীতিতে তার সক্রিয় কোনো ভূমিকা না থাকলেও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় এলাকায় তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, হাসিনা খান চৌধুরীর ছেলে নাসের খান চৌধুরী এবার বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। বাবা খুররম খান চৌধুরীর মৃত্যুর পর তিনি নান্দাইলে বিএনপির হাল ধরে রেখেছিলেন। তবে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। পুত্রের মনোনয়ন না পাওয়া এবং স্বামীর দীর্ঘদিনের ভোটব্যাংক ধরে রাখার লক্ষ্যেই হাসিনা খান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বর্তমানে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি ছাড়াও দলের আরও তিনজন প্রভাবশালী নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যাপক প্রচার চালালেও তারা মনোনয়ন পাননি। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি।
পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনকে চমকে দিয়ে হাসিনা খান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রথমে যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হলেও নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি তা ফিরে পান।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে হাসিনা চৌধুরীকে বিএনপির দুই মনোনয়নবঞ্চিত নেতার সঙ্গে দেখা যায়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের একটি অংশ তাকে সমর্থন দিচ্ছে।
গত বুধবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে হাসিনা খান চৌধুরীকে নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘হাঁস’ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে তার অনুসারীরা নান্দাইলের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার শুরু করেছেন।
সব মিলিয়ে চাচি–ভাতিজার এই নির্বাচনি লড়াই কতটা জমে ওঠে, কোন দিকে মোড় নেয়, শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হন— তা জানতে মুখিয়ে আছেন নান্দাইলের ভোটাররা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে নির্বাচনি উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে একই পরিবার থেকে দুজন প্রার্থী হয়েছেন, সম্পর্কে তারা চাচি-ভাতিজা। এই ব্যতিক্রমী নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইতোমধ্যে ভোটারদের দৃষ্টি কেড়েছে।
নান্দাইল আসনে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইয়াসের খান চৌধুরী। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীকে নির্বাচন করছেন তার চাচি হাসিনা খান চৌধুরী। দুজনই একই প্রভাবশালী বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ায় নির্বাচনি মাঠে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর হাউজের এই চৌধুরী পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সরকারি সফরে এবং বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক সফরে গিয়ে এই পরিবারের আতিথেয়তা গ্রহণ করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে এই বাড়িটি রাজনৈতিক পীঠস্থান হিসেবেই পরিচিত।
চৌধুরী পরিবারের প্রয়াত খুররম খান চৌধুরী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, নান্দাইল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং নান্দাইলের তিনবারের এমপি (১৯৭৯, ১৯৮৮ ও ২০০১)। তার স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
অন্যদিকে প্রয়াত খুররম খান চৌধুরীর ভাই প্রয়াত আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তার একমাত্র ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী এখানে বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছেন।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ-৯ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হোসেন চান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাইদুর রহমান, গণফোরামের লতিফুল বারী হামিম এবং জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ তারিক।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরী একজন গৃহবধূ। অতীতে রাজনীতিতে তার সক্রিয় কোনো ভূমিকা না থাকলেও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় এলাকায় তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, হাসিনা খান চৌধুরীর ছেলে নাসের খান চৌধুরী এবার বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। বাবা খুররম খান চৌধুরীর মৃত্যুর পর তিনি নান্দাইলে বিএনপির হাল ধরে রেখেছিলেন। তবে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। পুত্রের মনোনয়ন না পাওয়া এবং স্বামীর দীর্ঘদিনের ভোটব্যাংক ধরে রাখার লক্ষ্যেই হাসিনা খান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বর্তমানে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি ছাড়াও দলের আরও তিনজন প্রভাবশালী নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশা করে ব্যাপক প্রচার চালালেও তারা মনোনয়ন পাননি। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি।
পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনকে চমকে দিয়ে হাসিনা খান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রথমে যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হলেও নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি তা ফিরে পান।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে হাসিনা চৌধুরীকে বিএনপির দুই মনোনয়নবঞ্চিত নেতার সঙ্গে দেখা যায়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের একটি অংশ তাকে সমর্থন দিচ্ছে।
গত বুধবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে হাসিনা খান চৌধুরীকে নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘হাঁস’ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে তার অনুসারীরা নান্দাইলের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার শুরু করেছেন।
সব মিলিয়ে চাচি–ভাতিজার এই নির্বাচনি লড়াই কতটা জমে ওঠে, কোন দিকে মোড় নেয়, শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হন— তা জানতে মুখিয়ে আছেন নান্দাইলের ভোটাররা।

রাতে মা খুকি বেগম দুই মেয়েকে নিয়ে একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরের দিকে কাল বৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এ সময় বসত ঘরে পাশে থাকা একটি বড় মেহগনি গাছ ঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা মা ও দুই মেয়ে গাছের নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাতে তাদের মৃত্যু হলেও সকালে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার ক
১ দিন আগে
বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
১ দিন আগে
আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারী, কর্মী রাকিব ও আপন। অপরদিকে ছাত্রশিবিরের আহদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা সভাপতি সুজন মিয়া, কর্মী মাহিন ও শরিফুল ইসলাম। আহতদের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
তিনি জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
২ দিন আগে