
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কংস নদী থেকে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তক্ষরণের আলামত দেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা।
রোববার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের একটি গ্রামে বাড়ির পাশ থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা কংস নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান তারা। গলা ও বুকে কামড়ের মতো দাগ ছিল বলে দাবি করেন স্বজনেরা। পাশাপাশি শরীরে রক্তক্ষরণের আলামতও ছিল। এসব দেখে তাদের ধারণা, শিশুটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।
খবর পেয়ে ধোবাউড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। শিশুটির স্বজনেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুটির শরীরে কিছু আলামত পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি ধর্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের ফল ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কংস নদী থেকে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তক্ষরণের আলামত দেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা।
রোববার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের একটি গ্রামে বাড়ির পাশ থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা কংস নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান তারা। গলা ও বুকে কামড়ের মতো দাগ ছিল বলে দাবি করেন স্বজনেরা। পাশাপাশি শরীরে রক্তক্ষরণের আলামতও ছিল। এসব দেখে তাদের ধারণা, শিশুটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।
খবর পেয়ে ধোবাউড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। শিশুটির স্বজনেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুটির শরীরে কিছু আলামত পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি ধর্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের ফল ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ককটেলসদৃশ একটি বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালতের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থীসহ অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
৫ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৭ ঘণ্টা আগে