
রাজশাহী ব্যুরো

দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে মৌলিক ও কাঠামোগত সংস্কারের বিকল্প নেই।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি মিলনায়তনে সুজন আয়োজিত বিভাগীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বর্তমানে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক দলগুলোতে কালো টাকার প্রভাব এবং পেশিশক্তিনির্ভর রাজনীতি ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত থেকেও অনেক যোগ্য নেতা বিপুল অর্থ দিতে না পারায় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে রাজনৈতিক দলের ভেতরের দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতার বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার ওপর। অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের পরিবর্তে শাসক দলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এর ফলে জনগণের ভোটাধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সংবিধান প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতায়ন করতেই সংবিধান রচনা করা হয়েছিল। এর ফলেই প্রধানমন্ত্রী অসীম ক্ষমতার অধিকারী হন। সেই পুরোনো ব্যবস্থার ধারাবাহিকতায় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হতে হতে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিলেন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করে সুজন সম্পাদক বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির সূচনা হয় এবং দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম হয়। এর ফলশ্রুতিতে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
সংলাপে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে জামাত মনোনীত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সুজনের রাজশাহী জেলার সভাপতি আহমেদ সফিউদ্দিনসহ রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংস্কার নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে মৌলিক ও কাঠামোগত সংস্কারের বিকল্প নেই।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি মিলনায়তনে সুজন আয়োজিত বিভাগীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বর্তমানে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক দলগুলোতে কালো টাকার প্রভাব এবং পেশিশক্তিনির্ভর রাজনীতি ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত থেকেও অনেক যোগ্য নেতা বিপুল অর্থ দিতে না পারায় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে রাজনৈতিক দলের ভেতরের দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতার বাস্তব চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার ওপর। অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের পরিবর্তে শাসক দলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এর ফলে জনগণের ভোটাধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সংবিধান প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতায়ন করতেই সংবিধান রচনা করা হয়েছিল। এর ফলেই প্রধানমন্ত্রী অসীম ক্ষমতার অধিকারী হন। সেই পুরোনো ব্যবস্থার ধারাবাহিকতায় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হতে হতে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিলেন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করে সুজন সম্পাদক বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির সূচনা হয় এবং দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম হয়। এর ফলশ্রুতিতে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
সংলাপে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে জামাত মনোনীত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সুজনের রাজশাহী জেলার সভাপতি আহমেদ সফিউদ্দিনসহ রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংস্কার নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১ দিন আগে