
বাসস

আমদানি-রপ্তানি সহজ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে দ্রুত ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম। সোমবার রাজধানীর মতিঝিল ফেডারেশন কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বিষয়ক এক কর্মশালায় এই দাবি জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করে মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার যত বড় হচ্ছে, ততই ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) সব অংশীজনের মতামত নিয়ে এই বছরের মধ্যেই ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এটি বাস্তবায়নের ফলে সরকারের যেমন রাজস্ব আয় বাড়বে, তেমনি ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমবে বলেও মন্তব্য করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।
মাহবুবুল আলম বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমবে, বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং তা ব্যবসা, বাণিজ্য এবং অর্থনীতিকে বেগবান করবে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা একটি মাত্র প্ল্যাটফর্ম থেকে বাণিজ্য সংক্রান্ত সকল তথ্য জানতে পারবে। এক জায়গা থেকে প্রয়োজনীয় সকল লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবে।
ইতিমধ্যে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর ট্রেড পোর্টাল এবং ট্রেড রেজিস্ট্রেশন মডিউল সম্পন্ন হয়েছে বলে কর্মশালায় জানান আয়োজকরা। সি অ্যান্ড এফ এজেন্টদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর হবে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সিএলপি প্রক্রিয়াকরণের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। অন্যান্য সংস্থার নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং সিএলপি প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্পের পরিচালক এবিএম শফিকুর রহমান জানান, বিএসডব্লিউ সিস্টেমে আপাতত ১৯ টি এজেন্সিকে যুক্ত করা হবে, যারা বিভিন্ন লাইসেন্সিং সেবা দিয়ে থাকে। এরইমধ্যে বিএসডব্লিউ পোর্টাল তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়’র সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বক্তব্য দেন।

আমদানি-রপ্তানি সহজ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে দ্রুত ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম। সোমবার রাজধানীর মতিঝিল ফেডারেশন কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বিষয়ক এক কর্মশালায় এই দাবি জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করে মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার যত বড় হচ্ছে, ততই ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) সব অংশীজনের মতামত নিয়ে এই বছরের মধ্যেই ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এটি বাস্তবায়নের ফলে সরকারের যেমন রাজস্ব আয় বাড়বে, তেমনি ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমবে বলেও মন্তব্য করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।
মাহবুবুল আলম বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমবে, বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং তা ব্যবসা, বাণিজ্য এবং অর্থনীতিকে বেগবান করবে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা একটি মাত্র প্ল্যাটফর্ম থেকে বাণিজ্য সংক্রান্ত সকল তথ্য জানতে পারবে। এক জায়গা থেকে প্রয়োজনীয় সকল লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবে।
ইতিমধ্যে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর ট্রেড পোর্টাল এবং ট্রেড রেজিস্ট্রেশন মডিউল সম্পন্ন হয়েছে বলে কর্মশালায় জানান আয়োজকরা। সি অ্যান্ড এফ এজেন্টদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর হবে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সিএলপি প্রক্রিয়াকরণের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। অন্যান্য সংস্থার নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং সিএলপি প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো প্রকল্পের পরিচালক এবিএম শফিকুর রহমান জানান, বিএসডব্লিউ সিস্টেমে আপাতত ১৯ টি এজেন্সিকে যুক্ত করা হবে, যারা বিভিন্ন লাইসেন্সিং সেবা দিয়ে থাকে। এরইমধ্যে বিএসডব্লিউ পোর্টাল তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়’র সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বক্তব্য দেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৪ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ দিন আগে