১২ দিনে এলো ১০৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি বছরের এপ্রিলের প্রথম ১২ দিনে দেশে ১০৫ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

চলতি মাসের ১২ দিনে প্রতি দিনে প্রবাস আয় এলো আট কোটি ৭৬ লাখ ৯৬ হাজার ৬৬ ডলার।

যা আগের মাস এপ্রিলে আসা সর্বোচ্চ প্রবাস আয়ের চেয়ে কিছুটা কম। আগের মাস মার্চে প্রবাস আয় এসেছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

মার্চে দিনে প্রবাস আয় এসেছিল ১০ কোটি ৯৮ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩৩ ডলার। এ হিসাবে এপ্রিলের প্রবাস আয় কিছুটা কমেছে।

মার্চের প্রবাস আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাস আয় এসেছে ৩৯ কোটি ৬৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ছয় কোটি ২৮ লাখ ৮০ ডলার।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এসেছে ৫৯ কোটি তিন লাখ ৪০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৩ লাখ ডলার।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

জানুয়ারিতেও রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার, ইতিহাসের ৩য় সর্বোচ্চ

২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশে ৩২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। অন্যদিকে গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২৩ বিলিয়ন ডলার, যা ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই দুই মাসের পরই একক মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহে স্থান করে নিয়ে

১ দিন আগে

এলপিজির দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত কাল

এর আগে গত জানুয়ারি মাসদেশে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। গত ৪ জানুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এ ছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা।

১ দিন আগে

হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না বিকাশ-রকেট-নগদে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নির্বাচন কমিশনের চাহিদার ভিত্তিতে আর্থিক লেনদেন সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

১ দিন আগে

নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ: আইএমএফ

আইএমএফের ২০২৫ সালের আর্টিকেল-ফোর (সদস্য দেশ পর্যালোচনা) কান্ট্রি স্টাফ রিপোর্টে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, ঝুঁকির উৎস এবং দুর্বল খাতগুলোর সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে, সংস্কার ত্বরান্বিত না হলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ব্যাহত হবে। মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক খাতের চাপ দীর্ঘায়িত হতে পারে

২ দিন আগে