
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীলতার পর অবশেষে স্বস্তির খবর এলো দেশের সোনার বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলারে নেমে আসায় দেশের বাজারেও এর প্রতিফলন ঘটেছে। বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড থেকে সরে এসে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন আড়াই লাখ টাকার নিচে। সোনার পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি দিয়ে কমানো হয়েছে রুপার দামও।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমানো হয়েছে।
বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।
সোনার দামরে সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম কমে হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখি ছিল। এরপর মূল্য সমন্বয় দর ওঠানামা করতে থাকে। বিশ্বজুড়ে সোনা ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৭০০ ডলার নেমে গেছে।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।
এদিকে জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ায় বাজুস। এতে করে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই সঙ্গে একধাপে সোনার দাম আর কখনোই এতটা বাড়ানো হয়নি।

বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীলতার পর অবশেষে স্বস্তির খবর এলো দেশের সোনার বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলারে নেমে আসায় দেশের বাজারেও এর প্রতিফলন ঘটেছে। বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড থেকে সরে এসে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন আড়াই লাখ টাকার নিচে। সোনার পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি দিয়ে কমানো হয়েছে রুপার দামও।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমানো হয়েছে।
বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।
সোনার দামরে সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম কমে হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখি ছিল। এরপর মূল্য সমন্বয় দর ওঠানামা করতে থাকে। বিশ্বজুড়ে সোনা ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৭০০ ডলার নেমে গেছে।
এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।
এদিকে জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ায় বাজুস। এতে করে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই সঙ্গে একধাপে সোনার দাম আর কখনোই এতটা বাড়ানো হয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে