
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি)। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন তিনি। ছিলেন দুটি সেক্টর ও একটি বাহিনীর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তার নিজের হাতে গড়ে তোলা দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তার কবরে শ্রদ্ধা জানানো থেকে শুরু করে এসব আয়োজনের মধ্যে রয়েছে আলোচনা অনুষ্ঠানও।
১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। বাবা মনসুর রহমান ছিলেন রসায়নবিদ। বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব ও কৈশোর কাটানো জিয়াউর রহমান পরে বাবার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান।

শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন জিয়াউর রহমান। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উর্দি গায়ে তিনি ছিলেন চৌকস একজন কর্মকর্তা। নানা অবদানের জন্য একের পর এক জিতেছেন পদক ও পুরস্কার। বিদেশে প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে দেশে ফিরে চট্টগ্রামে নবগঠিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের দায়িত্ব লাভ করেন।
একাত্তরের ২৫ মার্চ ঢাকায় অপারেশন সার্চলাইট নামে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস আক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রামে কর্তব্যরত জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ করেন। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি। এপ্রিল থেকে ১ নম্বরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে জুনে তাকে দেওয়া হয় ১১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব। একই সঙ্গে জেড-ফোর্সেরও নেতৃত্ব দেন তিনি।
১৯৭২ সালে কর্নেল পদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ (উপসেনাপ্রধান) নিযুক্ত হন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৩ সালের মাঝামাঝি ব্রিগেডিয়ার ও একই বছরের শেষের দিকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পান। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনার পর খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বাধীন সরকার তাকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করে।

পঁচাত্তরেই ৩ নভেম্বর জেনারেল খালেদ মোশাররফ রক্তপাতহীন ক্যু করতে গিয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে তার নিজ বাসভবনে গৃহবন্দি করেন। পরে তার অনুসারী সৈনিক-কর্মকর্তাদের নিয়ে ৭ নভেম্বর পালটা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন কর্নেল আবু তাহের, যা সিপাহী জনতার বিপ্লব নামে পরিচিত।
এ ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন জিয়াউর রহমান। পরে সেনাপ্রধানের পাশাপাশি নিজেকে সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করেন তিনি। ওই সময় আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম রাষ্ট্রপতি থাকলেও কার্যত দেশ পরিচালনা করতেন জিয়াউর রহমান। পরে ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তার শাসনামলের শেষ দিকে বহুদলীয় সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করে একদলীয় ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। দেশের সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে গঠন করেছিলেন একক রাজনৈতিক দল বাকশাল। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার বছরখানেক পর ফের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন।

অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে সভাপতি করে জাগদল নামে রাজনৈতিক দল গড়ে দিয়েছিলেন। পরে সে দল বিলুপ্ত করে নিজে চেয়ারম্যান হয়ে গড়ে তোলেন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তিনি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে।
দেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদেরও প্রবক্তা জিয়াউর রহমান। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে পুলিশ বাহিনী ও সামরিক বাহিনীতে শক্তিশালী করে তোলা, কৃষি খাতে গুরুত্ব দেওয়া, আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কূটনীতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো নানা সফল কর্মকাণ্ডের কৃতিত্বের দাবিদার তিনি। তার গড়ে তোলা দল বিএনপি পরে তারই স্ত্রী খালেদা জিয়ার (গত ৩০ ডিসেম্বর প্রয়াত) নেতৃত্বে নব্বইয়ের দশকে ও নতুন শতকের শুরুতেই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে দেশ পরিচালনা করেছে।
সেনাবাহিনীতে জিয়াউর রহমান ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয়। তবে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের একাংশ ছিল তার বিরোধী। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন তারা। বিপদের শঙ্কা জেনেও জিয়া চট্টগ্রামের স্থানীয় সেনাকর্মকর্তাদের মধ্যে সংঘটিত কলহ থামানোর জন্য ১৯৮১ সালের ২৯ মে চট্টগ্রামে যান। সার্কিট হাউজে অবস্থান করছিলেন তিনি। ৩০ মে গভীর রাতে সার্কিট হাউজে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়া নিহত হন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুই দিনের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন সোমবার সকাল ১১টায় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী।
এ দিন দলের পক্ষ থেকে বিশেষ মোনাজাতেরও আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ছাড়া দিনটি উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিসহ নানা সেবামূলক উদ্যোগ দিনব্যাপী পালন করবে বিএনপি।
কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় হবে জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা সভা। এতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন ও বক্তব্য রাখবেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি)। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন তিনি। ছিলেন দুটি সেক্টর ও একটি বাহিনীর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তার নিজের হাতে গড়ে তোলা দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তার কবরে শ্রদ্ধা জানানো থেকে শুরু করে এসব আয়োজনের মধ্যে রয়েছে আলোচনা অনুষ্ঠানও।
১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। বাবা মনসুর রহমান ছিলেন রসায়নবিদ। বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব ও কৈশোর কাটানো জিয়াউর রহমান পরে বাবার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান।

শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন জিয়াউর রহমান। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উর্দি গায়ে তিনি ছিলেন চৌকস একজন কর্মকর্তা। নানা অবদানের জন্য একের পর এক জিতেছেন পদক ও পুরস্কার। বিদেশে প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে দেশে ফিরে চট্টগ্রামে নবগঠিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের দায়িত্ব লাভ করেন।
একাত্তরের ২৫ মার্চ ঢাকায় অপারেশন সার্চলাইট নামে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস আক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রামে কর্তব্যরত জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ করেন। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তিনি। এপ্রিল থেকে ১ নম্বরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে জুনে তাকে দেওয়া হয় ১১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব। একই সঙ্গে জেড-ফোর্সেরও নেতৃত্ব দেন তিনি।
১৯৭২ সালে কর্নেল পদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ (উপসেনাপ্রধান) নিযুক্ত হন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৩ সালের মাঝামাঝি ব্রিগেডিয়ার ও একই বছরের শেষের দিকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পান। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনার পর খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বাধীন সরকার তাকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করে।

পঁচাত্তরেই ৩ নভেম্বর জেনারেল খালেদ মোশাররফ রক্তপাতহীন ক্যু করতে গিয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে তার নিজ বাসভবনে গৃহবন্দি করেন। পরে তার অনুসারী সৈনিক-কর্মকর্তাদের নিয়ে ৭ নভেম্বর পালটা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন কর্নেল আবু তাহের, যা সিপাহী জনতার বিপ্লব নামে পরিচিত।
এ ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন জিয়াউর রহমান। পরে সেনাপ্রধানের পাশাপাশি নিজেকে সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করেন তিনি। ওই সময় আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম রাষ্ট্রপতি থাকলেও কার্যত দেশ পরিচালনা করতেন জিয়াউর রহমান। পরে ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তার শাসনামলের শেষ দিকে বহুদলীয় সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করে একদলীয় ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। দেশের সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে গঠন করেছিলেন একক রাজনৈতিক দল বাকশাল। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার বছরখানেক পর ফের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন।

অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে সভাপতি করে জাগদল নামে রাজনৈতিক দল গড়ে দিয়েছিলেন। পরে সে দল বিলুপ্ত করে নিজে চেয়ারম্যান হয়ে গড়ে তোলেন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তিনি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে।
দেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদেরও প্রবক্তা জিয়াউর রহমান। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে পুলিশ বাহিনী ও সামরিক বাহিনীতে শক্তিশালী করে তোলা, কৃষি খাতে গুরুত্ব দেওয়া, আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কূটনীতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো নানা সফল কর্মকাণ্ডের কৃতিত্বের দাবিদার তিনি। তার গড়ে তোলা দল বিএনপি পরে তারই স্ত্রী খালেদা জিয়ার (গত ৩০ ডিসেম্বর প্রয়াত) নেতৃত্বে নব্বইয়ের দশকে ও নতুন শতকের শুরুতেই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে দেশ পরিচালনা করেছে।
সেনাবাহিনীতে জিয়াউর রহমান ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয়। তবে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের একাংশ ছিল তার বিরোধী। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন তারা। বিপদের শঙ্কা জেনেও জিয়া চট্টগ্রামের স্থানীয় সেনাকর্মকর্তাদের মধ্যে সংঘটিত কলহ থামানোর জন্য ১৯৮১ সালের ২৯ মে চট্টগ্রামে যান। সার্কিট হাউজে অবস্থান করছিলেন তিনি। ৩০ মে গভীর রাতে সার্কিট হাউজে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়া নিহত হন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুই দিনের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন সোমবার সকাল ১১টায় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী।
এ দিন দলের পক্ষ থেকে বিশেষ মোনাজাতেরও আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ছাড়া দিনটি উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিসহ নানা সেবামূলক উদ্যোগ দিনব্যাপী পালন করবে বিএনপি।
কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় হবে জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা সভা। এতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন ও বক্তব্য রাখবেন।

তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব বলেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। বিশেষ করে, বিদেশে যারা নিবন্ধিত ভোটার তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এবং যেভাবে ব্যালট পেপারটি মুদ্রণ করা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অভিযোগ তাদের (নির্বাচন কমিশন) দিয়েছি।
১৬ ঘণ্টা আগে