
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুই দলের সঙ্গেই সে চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচনা হয়েছিল। তার সেই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সুনির্দিষ্টভাবে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির উল্লেখ না করলেও তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈদেশিক কোনো চুক্তির আগেই তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন জামায়াতের আমির। ওই সময়গুলোতে জামায়াতের পক্ষ থেকেই চুক্তিগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার তাগিদ দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।’
এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন। তারা (বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান) এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এই চুক্তি আমরা কাউকে অন্ধকারে রেখে করেছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের বিপরীতে জামায়াতের আমিরের দাবি, তারাই সংসদের অবর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এসব চুক্তির বিষয়ে সংলাপের তাগিদ দিয়েছিল, যা সরকার আমলে নেয়নি।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম, সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।’
‘কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। অতএব এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই,’— লিখেছেন জামায়াতের আমির।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচিত সে বাণিজ্য চুক্তি সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে। ওই চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নেমে আসে, যা গত বছরের এপ্রিলে ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
নতুন বাণিজ্য চুক্তির অনেক ধারাই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে অভিযোগ এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক আনু মুহাম্মদ একে ‘হাত-পা বাঁধা চুক্তি’ অভিহিত করেছেন। বলেছেন, ‘এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্যই ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুই দলের সঙ্গেই সে চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচনা হয়েছিল। তার সেই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সুনির্দিষ্টভাবে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির উল্লেখ না করলেও তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈদেশিক কোনো চুক্তির আগেই তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন জামায়াতের আমির। ওই সময়গুলোতে জামায়াতের পক্ষ থেকেই চুক্তিগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার তাগিদ দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।’
এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন। তারা (বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান) এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এই চুক্তি আমরা কাউকে অন্ধকারে রেখে করেছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের বিপরীতে জামায়াতের আমিরের দাবি, তারাই সংসদের অবর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এসব চুক্তির বিষয়ে সংলাপের তাগিদ দিয়েছিল, যা সরকার আমলে নেয়নি।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম, সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।’
‘কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। অতএব এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই,’— লিখেছেন জামায়াতের আমির।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচিত সে বাণিজ্য চুক্তি সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে। ওই চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নেমে আসে, যা গত বছরের এপ্রিলে ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
নতুন বাণিজ্য চুক্তির অনেক ধারাই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে অভিযোগ এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক আনু মুহাম্মদ একে ‘হাত-পা বাঁধা চুক্তি’ অভিহিত করেছেন। বলেছেন, ‘এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্যই ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে জনগণের রায়কে পাল্টে দেওয়ার অপরাধে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল
১৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে অভিযোগ করেছিল জামায়াতে ইসলামী, তার রাজসাক্ষী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলে মন্তব্য করেছেন নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
১ দিন আগে
দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ সরকারের নীতিমালা এবং বৈশ্বিক নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের একটি অন্যতম শুভাকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে তিনি দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
২ দিন আগে
সংগঠনের নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এমপির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান এমপি, ফরেন অ্যাফেয়ার্স কনসালটেন্ট ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী এবং আমীরে জ
২ দিন আগে